নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর বিধানসভার উপ নির্বাচনে গ্রামীণ এলাকার ১ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটই মূল ফ্যাক্টর। তাই উপ-নির্বাচনের শেষলগ্নে সেই ভোট নিজেদের ঝুলিতে ভরতে মরিয়া ঘাসফুল শিবির। সোমবার সকাল থেকেই শালবনী ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় যান তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথাও বলেন। অপরদিকে, গ্রামীণ ভোট পেতে মরিয়ে বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিআই সহ বিরোধীরা। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছে গ্রামীণ ভোট।
Advertisement
এদিন তৃণমূল নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গ্রামীণ এলাকার মানুষ তৃণমূলের সঙ্গেই আছে। কারণ আগে গ্রামীণ এলাকার মানুষ কোনও পরিষেবা পেতেন না। বর্তমানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে প্রত্যন্ত এলাকায় রাস্তা, পানীয় জলের সুবিধা পৌঁছে গিয়েছে। এছাড়া গ্রামীণ এলাকায় বিরোধীদের সংগঠন বলে কিছু নেই। বিজেপি গ্রামীণ এলাকার মানুষের জন্য কিছুই করেনি। তাই গ্রামীণ এলাকায় তৃণমূল নেত্রীর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ভোট থেকেই বিজেপির উত্থান শুরু হয়। সেই সময় গ্রামীণ এলাকায় ভালো ফল করেছিল বিজেপি। এরফলে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটেও তার প্রভাব পড়ে। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাকে সামনে রেখে ভোটের ময়দানে নামতেই বাজিমাত করে তৃণমূল। ধীরে ধীরে গ্রামীণ এলাকার ভোট বিজেপির থেকে সরে যায়। জানা গিয়েছে, গ্রামীণ এলাকায় প্রায় ৮০ হাজার মহিলা ভোট আছে। যার বেশিরভাগ তৃণমূলের দখলে। গত লোকসভা নির্বাচনে শহর এলাকায় তৃণমূল খারাপ ফলাফল করলেও জিতে যায়। তার অন্যতম কারণ গ্রামীণ এলাকার মানুষের সমর্থন ছিল ঘাসফুল শিবিরের সঙ্গে।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, লোকসভায় গ্রামীণ এলাকায় বেশকিছু বুথে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। তবে বিধানসভা উপ নির্বাচনে সবকটি বুথে লিড নিতে আশাবাদী জেলা নেতৃত্ব। লিড নেওয়ার জন্য আগে থেকেই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় অবজারভার নিয়োগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিপুল পরিমাণে কর্মিসভা করেছে জেলা নেতৃত্ব। বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধার কথা তুলে ধরা হয়েছে। দ্বন্দ্ব ভুলে সকলেই ভোটের ময়দানে ঝাপিয়েছে।
এক বিজেপি নেতা বলেন, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে হারের পর থেকে গোষ্ঠী কোন্দলও চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এরফলে গ্রামীণ এলাকায় ভোট অনেকটাই কমেছে। এছাড়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতন প্রকল্পের জেরে মহিলা ভোট শাসক দলের পক্ষেই যাচ্ছে। গ্রামীণ এলাকায় নেতারা শুধু টাকা খরচ করেই খালাস।
জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, গ্রামীণ এলাকায় তৃণমূল ব্যাপক পরিমাণে দুর্নীতি করেছে। বহু এলাকায় রাস্তা, জলের সমস্যা আছে। তৃণমূল এত বছর ক্ষমতায় থেকে মানুষের জন্য কিছু করতে পারেনি।
সিপিআই প্রার্থী মণিকুন্তল খামরুই বলেন, গ্রামীণ এলাকার ভোট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামে গ্রামে বেকার যুবক-যুবতীদের চাকরি নেই। যা প্রচারে তুলে ধরছি। গ্রামীণ এলাকার ভোট আমাদের পক্ষেই যাবে।
কংগ্রেস প্রার্থী শ্যামলকুমার ঘোষ বলেন, গ্রামীণ এলাকায় সবচেয়ে বেশি প্রচার করেছি। মানুষ তৃণমূলের পাশে নেই। নারী নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটেই চলেছে। কিন্তু কী করছে তৃণমূল।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ভোট থেকেই বিজেপির উত্থান শুরু হয়। সেই সময় গ্রামীণ এলাকায় ভালো ফল করেছিল বিজেপি। এরফলে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটেও তার প্রভাব পড়ে। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাকে সামনে রেখে ভোটের ময়দানে নামতেই বাজিমাত করে তৃণমূল। ধীরে ধীরে গ্রামীণ এলাকার ভোট বিজেপির থেকে সরে যায়। জানা গিয়েছে, গ্রামীণ এলাকায় প্রায় ৮০ হাজার মহিলা ভোট আছে। যার বেশিরভাগ তৃণমূলের দখলে। গত লোকসভা নির্বাচনে শহর এলাকায় তৃণমূল খারাপ ফলাফল করলেও জিতে যায়। তার অন্যতম কারণ গ্রামীণ এলাকার মানুষের সমর্থন ছিল ঘাসফুল শিবিরের সঙ্গে।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, লোকসভায় গ্রামীণ এলাকায় বেশকিছু বুথে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। তবে বিধানসভা উপ নির্বাচনে সবকটি বুথে লিড নিতে আশাবাদী জেলা নেতৃত্ব। লিড নেওয়ার জন্য আগে থেকেই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় অবজারভার নিয়োগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিপুল পরিমাণে কর্মিসভা করেছে জেলা নেতৃত্ব। বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধার কথা তুলে ধরা হয়েছে। দ্বন্দ্ব ভুলে সকলেই ভোটের ময়দানে ঝাপিয়েছে।
এক বিজেপি নেতা বলেন, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে হারের পর থেকে গোষ্ঠী কোন্দলও চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এরফলে গ্রামীণ এলাকায় ভোট অনেকটাই কমেছে। এছাড়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতন প্রকল্পের জেরে মহিলা ভোট শাসক দলের পক্ষেই যাচ্ছে। গ্রামীণ এলাকায় নেতারা শুধু টাকা খরচ করেই খালাস।
জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, গ্রামীণ এলাকায় তৃণমূল ব্যাপক পরিমাণে দুর্নীতি করেছে। বহু এলাকায় রাস্তা, জলের সমস্যা আছে। তৃণমূল এত বছর ক্ষমতায় থেকে মানুষের জন্য কিছু করতে পারেনি।
সিপিআই প্রার্থী মণিকুন্তল খামরুই বলেন, গ্রামীণ এলাকার ভোট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামে গ্রামে বেকার যুবক-যুবতীদের চাকরি নেই। যা প্রচারে তুলে ধরছি। গ্রামীণ এলাকার ভোট আমাদের পক্ষেই যাবে।
কংগ্রেস প্রার্থী শ্যামলকুমার ঘোষ বলেন, গ্রামীণ এলাকায় সবচেয়ে বেশি প্রচার করেছি। মানুষ তৃণমূলের পাশে নেই। নারী নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটেই চলেছে। কিন্তু কী করছে তৃণমূল।



