নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: গরম পড়তে না পড়তেই বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। বাড়িতে মজুত করে রাখা পাটকাঠি ও খড়ের গাদায় প্রায়শই আগুন লেগে যাচ্ছে। প্রতিদিনই জেলায় বিভিন্ন থানা এলাকায় দুই-তিনটি করে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে প্রচুর। মানুষের উদাসীনতার জেরেই এই ঘটনা ঘটছে বলেই দাবি পুলিস ও দমকলের।
Advertisement
রবিবার দুপুরে দৌলতাবাদের ছয়ঘড়ি এলাকায় পাটকাঠি এবং কাঠের বোঝাতে আগুন ধরে যায়। সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার খবর শুনে দৌলতাবাদ থানার পুলিস স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বাড়ি সংলগ্ন ইলেক্ট্রিকের তারও এই আগুনের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ দপ্তরকে খবর দেওয়া হয়েছে।
এদিন খড়গ্রামের নগর মোমিনপাড়াতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, একটি মিষ্টির দোকান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পুলিস এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে দু’টি ঘটনায় কারও কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলেই জানিয়েছেন পুলিস আধিকারিকরা।
একইদিনে সাগরপাড়া থানার সাহেবনগর চরকাকমারি এলাকায় দু’টি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। রান্না করার সময় উনুন থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পুলিস ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শনিবার বিকেলেও রেজিনগরের মাঙ্গনপাড়ার একটি বাড়িতে খড়ের গাদায় আগুন লেগে যায়। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর কাজ করে। পরে দমকলের গাড়ি এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেল কাঠ মিল। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় হরিহরপাড়া থানার রমনা টিপু সুলতান মোড় সংলগ্ন এলাকায়। শনিবার গভীর রাতে আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায় মিলটি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাতে হঠাৎ করে কাঠ মিলে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন স্থানীয়রা। গ্রামবাসীরা ছুটে এসে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায়। শুকনো কাঠে আগুন দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর দেওয়া হয় হরিহরপাড়া থানার পুলিস ও দমকলকে। দু’টি দমকলের ইঞ্জিন ও পুলিসের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আগুনে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা বলে জানিয়েছেন ওই মিলের মালিক। কীভাবে আগুন লাগল তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, পাটকাঠি থেকে অধিকাংশ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই বাড়ি সংলগ্ন জায়গাতেই পাটকাঠি বোঝাই করে রাখে। পাশের রান্না করার সময় অসাবধানতাবশত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মানুষকে সাবধান হতে হবে। প্রতি বছর গরমের সময় বহু অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। একটু সাবধান হলে সেগুলি আটকানো যাবে।
এদিন খড়গ্রামের নগর মোমিনপাড়াতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, একটি মিষ্টির দোকান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পুলিস এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে দু’টি ঘটনায় কারও কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলেই জানিয়েছেন পুলিস আধিকারিকরা।
একইদিনে সাগরপাড়া থানার সাহেবনগর চরকাকমারি এলাকায় দু’টি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। রান্না করার সময় উনুন থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পুলিস ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শনিবার বিকেলেও রেজিনগরের মাঙ্গনপাড়ার একটি বাড়িতে খড়ের গাদায় আগুন লেগে যায়। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর কাজ করে। পরে দমকলের গাড়ি এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেল কাঠ মিল। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় হরিহরপাড়া থানার রমনা টিপু সুলতান মোড় সংলগ্ন এলাকায়। শনিবার গভীর রাতে আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায় মিলটি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাতে হঠাৎ করে কাঠ মিলে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন স্থানীয়রা। গ্রামবাসীরা ছুটে এসে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায়। শুকনো কাঠে আগুন দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর দেওয়া হয় হরিহরপাড়া থানার পুলিস ও দমকলকে। দু’টি দমকলের ইঞ্জিন ও পুলিসের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আগুনে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা বলে জানিয়েছেন ওই মিলের মালিক। কীভাবে আগুন লাগল তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, পাটকাঠি থেকে অধিকাংশ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই বাড়ি সংলগ্ন জায়গাতেই পাটকাঠি বোঝাই করে রাখে। পাশের রান্না করার সময় অসাবধানতাবশত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মানুষকে সাবধান হতে হবে। প্রতি বছর গরমের সময় বহু অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। একটু সাবধান হলে সেগুলি আটকানো যাবে।



