নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: আবাসের তালিকা অনুমোদনের জন্য গ্রাম সংসদ সভা ডেকে ছিলেন নিজেই। কিন্তু, আর্থিক কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় গরহাজির রইলেন পঞ্চায়েত প্রধান। বুধবার নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের বিজেপি পরিচালিত গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের এহেন নজিরবিহীন ঘটনায় সরগরম জেলা রাজনীতি। প্রধানের অনুপস্থিতির কারণে শেষমেষ ভণ্ডুল হয়ে গ্রাম সংসদ সভা।
Advertisement
গোকুলনগর পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকা আর্থিক অনিয়মের মামলায় অভিযুক্ত পঞ্চায়েত প্রধান দীনবন্ধু মণ্ডল এবং এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট অসীম মণ্ডল। তাঁদের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম থানায় এফআইআর হয়েছে গত ১ ডিসেম্বর। তারপর থেকেই প্রধান বেপাত্তা। সরকারি নিয়ম মেনে এদিন গ্রামসভা ডাকা হয়েছিল। সেখানে আবাসের তালিকা অনুমোদন হওয়ার কথা। পুলিসের উপস্থিতিতে ওই গ্রামসভায় হাজির হলেই দীনবন্ধুর শ্রীঘরে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। সেজন্য এদিন প্রধান এবং এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট সভায় আসেননি। বিডিও সৌমেন বণিক বলেন, বুধবার গোকুলনগরে গ্রাম সংসদ সভা হয়নি। অন্য একদিন ওই সভা হবে।
গত ২৭ নভেম্বর গোটা জেলায় সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতে আবাস তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। ওই তালিকা অনুমোদনের জন্য ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে সবকটি গ্রাম পঞ্চায়েতে গ্রাম সংসদ সভা ডাকার নির্দেশ দিয়েছিল জেলা প্রশাসন। সেইমতো বুধবার বেলা ১২টায় গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে গ্রাম সংসদ সভার জন্য গোটা এলাকায় মাইকিং করা হয়। পঞ্চায়েত প্রধানের পক্ষ থেকেই মাইকিং হয়েছিল। সেইমতো এদিন দুপুর ১২টায় বিভিন্ন গ্রাম থেকে লোকজন পঞ্চায়েত অফিসে এসে হাজির হন। বিডিও অফিস থেকে পর্যবেক্ষক হিসেবে সভায় পৌঁছন স্কুল এডুকেশন অফিসার প্রবীরকুমার জানা। কিন্তু, যাঁর ডাকে এই সভার আয়োজন, সেই পঞ্চায়েত প্রধানই হাজির হননি। এমনকী, এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টও গরহাজির। দীর্ঘক্ষণ গ্রামবাসীরা অপেক্ষা করার পর ক্ষোভ, বিক্ষোভ দেখিয়ে ফিরে যান।
গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে আবাস তালিকায় বৈধ হিসেবে মোট ৪৭২জনের নাম রয়েছে। বাদ পড়েছে ৪৪ জনের নাম। গ্রাম সংসদ সভায় ওই তালিকা অনুমোদন করানোর কথা। সেইমতো সভা ডাকা হয়েছিল। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে সংসদ সভা চলাকালীন গণ্ডগোল এড়াতে নন্দীগ্রাম থানা থেকে ফোর্সও মোতায়েন করা হয়েছিল। কিন্তু, প্রধান এবং এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টের অনুপস্থিতিতে মিটিং হয়নি। আবার মিটিং ডাকা হবে বলে নন্দীগ্রাম-১বিডিও সৌমেন বণিক জানিয়েছেন।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ২৫টি ব্লকে ২২৩টি গ্রাম পঞ্চায়েতে আবাস তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। জেলায় মোট ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯০৩টি পরিবার সার্ভে করে প্রশাসন। তারমধ্যে ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৭১ জনের নাম বৈধ হিসেবে তালিকায় স্থান পেয়েছে। বাদ গিয়েছে মোট ৩৬ হাজার ৮৩২ জনের নাম। এছাড়াও ৫০২৮ জনকে নিষ্ক্রিয় হিসেবে তালিকায় অন্তর্ভুক্তি করা হয়েছে। ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে ২২৩টি গ্রাম পঞ্চায়েতে সংসদ সভা ডাকার জন্য বিডিওদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইমতো সর্বত্র গ্রাম সংসদ সভা চলছে। গোকুলনগরে এদিনের সভা আটকে যাওয়ায় ব্লক প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, সেদিকে নজর থাকছে সবক’টি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বের। উল্লেখ্য, গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ৫০লক্ষ টাকা তছরুপ হয়েছে। ওই ঘটনায় পঞ্চায়েতের সচিব আগেই গ্রেপ্তার হয়েছেন।
গত ২৭ নভেম্বর গোটা জেলায় সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতে আবাস তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। ওই তালিকা অনুমোদনের জন্য ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে সবকটি গ্রাম পঞ্চায়েতে গ্রাম সংসদ সভা ডাকার নির্দেশ দিয়েছিল জেলা প্রশাসন। সেইমতো বুধবার বেলা ১২টায় গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে গ্রাম সংসদ সভার জন্য গোটা এলাকায় মাইকিং করা হয়। পঞ্চায়েত প্রধানের পক্ষ থেকেই মাইকিং হয়েছিল। সেইমতো এদিন দুপুর ১২টায় বিভিন্ন গ্রাম থেকে লোকজন পঞ্চায়েত অফিসে এসে হাজির হন। বিডিও অফিস থেকে পর্যবেক্ষক হিসেবে সভায় পৌঁছন স্কুল এডুকেশন অফিসার প্রবীরকুমার জানা। কিন্তু, যাঁর ডাকে এই সভার আয়োজন, সেই পঞ্চায়েত প্রধানই হাজির হননি। এমনকী, এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টও গরহাজির। দীর্ঘক্ষণ গ্রামবাসীরা অপেক্ষা করার পর ক্ষোভ, বিক্ষোভ দেখিয়ে ফিরে যান।
গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে আবাস তালিকায় বৈধ হিসেবে মোট ৪৭২জনের নাম রয়েছে। বাদ পড়েছে ৪৪ জনের নাম। গ্রাম সংসদ সভায় ওই তালিকা অনুমোদন করানোর কথা। সেইমতো সভা ডাকা হয়েছিল। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে সংসদ সভা চলাকালীন গণ্ডগোল এড়াতে নন্দীগ্রাম থানা থেকে ফোর্সও মোতায়েন করা হয়েছিল। কিন্তু, প্রধান এবং এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টের অনুপস্থিতিতে মিটিং হয়নি। আবার মিটিং ডাকা হবে বলে নন্দীগ্রাম-১বিডিও সৌমেন বণিক জানিয়েছেন।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ২৫টি ব্লকে ২২৩টি গ্রাম পঞ্চায়েতে আবাস তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। জেলায় মোট ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯০৩টি পরিবার সার্ভে করে প্রশাসন। তারমধ্যে ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৭১ জনের নাম বৈধ হিসেবে তালিকায় স্থান পেয়েছে। বাদ গিয়েছে মোট ৩৬ হাজার ৮৩২ জনের নাম। এছাড়াও ৫০২৮ জনকে নিষ্ক্রিয় হিসেবে তালিকায় অন্তর্ভুক্তি করা হয়েছে। ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে ২২৩টি গ্রাম পঞ্চায়েতে সংসদ সভা ডাকার জন্য বিডিওদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইমতো সর্বত্র গ্রাম সংসদ সভা চলছে। গোকুলনগরে এদিনের সভা আটকে যাওয়ায় ব্লক প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, সেদিকে নজর থাকছে সবক’টি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বের। উল্লেখ্য, গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ৫০লক্ষ টাকা তছরুপ হয়েছে। ওই ঘটনায় পঞ্চায়েতের সচিব আগেই গ্রেপ্তার হয়েছেন।



