সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: পুজো মিটতেই আবারও রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে মাথাভাঙা-২ ব্লকে। বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে জোরদার আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অপরদিকে, একের পর এক গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য দলবদল করায় চাপে পড়ছে বিজেপি। তৃণমূলের দাবি, দলবদল কর্মসূচি চলতেই থাকবে। বিজেপি অবশ্য পাল্টা দাবি করেছে, তৃণমূল ভয় দেখিয়ে প্রলোভন দিয়ে দলবদল করাচ্ছে। মানুষ সবকিছুই দেখছে। সময়ে তৃণমূলের এই জুলুমবাজির জবাব দেবে জনগণ।
Advertisement
এ ব্যাপারে তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সাধারণ সম্পাদক তথা মাথাভাঙা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবলু বর্মন বলেন, মানুষ বিজেপির প্রতি যে ভরসা করেছিল তা মিথ্যা প্রমাণিত করেছেন ওদের দলের নেতারাই। এখন তাই বিজেপির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে মানুষ। জনপ্রতিনিধরাও বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করছেন। কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতে আমরা সংখ্যার নিরিখে এখন গরিষ্ঠতা পেয়েছি। প্রধানদের পদত্যাগ করার দাবি তুলছে মানুষ। আমরা জনগণের দাবি মেনে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। এলাকার উন্নয়নই আমাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
বিজেপির মাথাভাঙার বিধায়ক সুশীল বর্মন বলেন, তৃণমূলের জুলুমবাজি থেকে মুক্তি পেতেই মানুষ আমাদের বিধানসভা ও পঞ্চায়েত ভোটে জিতিয়েছিল। কিন্তু প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই এলাকার উন্নয়নে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল। আমাদের দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখিয়ে, নানাভাবে প্রলোভন দিয়ে দলবদল করতে বাধ্য করাচ্ছে। মানুষ বোকা নয়, সবকিছুই দেখছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে এসবের জবাব মিলবে ওদের।
প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মাথাভাঙা-২ ব্লকের ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ছ’টিতে বোর্ড গড়েছিল বিজেপি। লোকসভা নির্বাচনের পর ফুলবাড়ি ও ঘোকসাডাঙার বিজেপি প্রধান দলবদল করে তৃণমূলে যোগদান করেন। কয়েকজন উপপ্রধান বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছেন। পাড়ডুবির প্রধান ছুটিতে থাকায় সেখানে তৃণমূলে যোগদান করা উপপ্রধান দায়িত্বভার নিয়ে কাজ করছিলেন। সম্প্রতি প্রধানের ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি ফের অফিসে আসার প্রস্তুতি নিতেই আবারও আন্দোলনে নেমেছে তৃণমূল। ফলে পুজোর পর ফের রাজনৈতিক টানাপোড়েনে উত্তাপ ছড়াচ্ছে ব্লকে।
বিজেপির মাথাভাঙার বিধায়ক সুশীল বর্মন বলেন, তৃণমূলের জুলুমবাজি থেকে মুক্তি পেতেই মানুষ আমাদের বিধানসভা ও পঞ্চায়েত ভোটে জিতিয়েছিল। কিন্তু প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই এলাকার উন্নয়নে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল। আমাদের দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখিয়ে, নানাভাবে প্রলোভন দিয়ে দলবদল করতে বাধ্য করাচ্ছে। মানুষ বোকা নয়, সবকিছুই দেখছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে এসবের জবাব মিলবে ওদের।
প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মাথাভাঙা-২ ব্লকের ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ছ’টিতে বোর্ড গড়েছিল বিজেপি। লোকসভা নির্বাচনের পর ফুলবাড়ি ও ঘোকসাডাঙার বিজেপি প্রধান দলবদল করে তৃণমূলে যোগদান করেন। কয়েকজন উপপ্রধান বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছেন। পাড়ডুবির প্রধান ছুটিতে থাকায় সেখানে তৃণমূলে যোগদান করা উপপ্রধান দায়িত্বভার নিয়ে কাজ করছিলেন। সম্প্রতি প্রধানের ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি ফের অফিসে আসার প্রস্তুতি নিতেই আবারও আন্দোলনে নেমেছে তৃণমূল। ফলে পুজোর পর ফের রাজনৈতিক টানাপোড়েনে উত্তাপ ছড়াচ্ছে ব্লকে।



