সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: গরম পড়তেই শহরে পানীয় জলের সঙ্কট মেটাতে বিভিন্ন এলাকায় ছোট ও মাঝারি ৩৬টি পাম্প বসানোর সিদ্ধান্ত নিল খড়্গপুর পুরসভা। এরমধ্যে দশটি বসানো হবে রেলের বস্তি এলাকায়। ৩৫ টির মধ্যে রেল এলাকায় আটটি ওয়ার্ড আছে। ছ’টি ওয়ার্ডে একটি করে ও দুটি ওয়ার্ডে দুটি করে পাম্প বসবে। বাকি গুলি শহরের অন্যান্য এলাকায় বসানো হবে। পুরসভা সূত্রে খবর এর জন্য প্রায় দু’কোটি টাকা খরচ হবে। পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যানী ঘোষ বলেন, পঞ্চদশ অর্থকমিশনের টাকায় এই পাম্প বসানো হচ্ছে। কোথাও মাটির নীচ থেকে জল উত্তোলন করে সরাসরি পাইপ লাইনে যুক্ত করে দেওয়া হবে। আবার কোথাও রাস্তার ধারে ট্যাপকল বসিয়ে জল সরবরাহ করা হবে। রেল এলাকায় যেগুলি বসানো হবে তা ট্যাপকলের মাধ্যমে সরবরাহ করা হবে। বাসিন্দারা সেখান থেকে জল সংগ্রহ করবেন। তিনি বলেন, গরমে যাতে বাসিন্দারা সঙ্কটে না পড়েন তাই দ্রুত এই কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে।
Advertisement
রেল এলাকার বিজেপি কাউন্সিলার অনুশ্রী বেহেরা বলেন, আমার এলাকায় একটি পাম্প দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু পাম্প দিলেই তো হবে না। পাইপ লাইন ও অপারেটরও তো দিতে হবে। পাইপলাইন না হলে ট্যাপকল বসিয়ে জল সরবরাহ হবে কী করে। রেল এলাকার কংগ্রেস কাউন্সিলার মধু কামি বলেন, আমার এলাকায় একটি পাম্প দেওয়ার কথা আছে। কিন্তু এখনও কিছু জানায়নি। পাইপ লাইনও দরকার। নয়তো জল সরবরাহ করা যাবে না।
প্রসঙ্গত, মাঝেমধ্যেই শহরে জল সঙ্কট দেখা দেয়। এখন কাঁসাই নদীর পুরানো জল প্রকল্প থেকেই মুলত জল সরবরাহ করা হয়। দ্বিতীয় জল প্রকল্প অনেক দিন আগেই মুখ থুবড়ে পড়েছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় ভাবে বসানো পাম্প থেকে জল সরবরাহ করা হয়। পাশের শহর মেদিনীপুরে আম্রুত প্রকল্পের কাজ শেষ হতে চললেও খড়্গপুরে শুরুই হয়নি। খড়্গপুর পুরসভা সূত্রে খবর টাকা বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে। টেন্ডারও হয়েছে। কিন্তু এখনও বরাত দেওয়া হয় নি। কবে কাজ শুরু হবে নিশ্চিত করে কেউ কিছু বলতে পারছেন না।
বাসিন্দারা বলেন, অনেক এলাকা আছে যেখানে এখনও জল সঙ্কট খুবই তীব্র। পাশের এলাকা থেকে জল বয়ে আনতে হয় বাসিন্দাদের। বাসিন্দা শেখ আনোয়ার, তপন সেন বলেন, অনেক এলাকায় কালো, নোংরা জল সরবরাহ হয়। সেই জল ব্যবহারের অযোগ্য। দীর্ঘ দিন ধরে এই সমস্যা চললেও কোনও সমাধানই করতে পারছে না পুরসভা।
প্রসঙ্গত, মাঝেমধ্যেই শহরে জল সঙ্কট দেখা দেয়। এখন কাঁসাই নদীর পুরানো জল প্রকল্প থেকেই মুলত জল সরবরাহ করা হয়। দ্বিতীয় জল প্রকল্প অনেক দিন আগেই মুখ থুবড়ে পড়েছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় ভাবে বসানো পাম্প থেকে জল সরবরাহ করা হয়। পাশের শহর মেদিনীপুরে আম্রুত প্রকল্পের কাজ শেষ হতে চললেও খড়্গপুরে শুরুই হয়নি। খড়্গপুর পুরসভা সূত্রে খবর টাকা বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে। টেন্ডারও হয়েছে। কিন্তু এখনও বরাত দেওয়া হয় নি। কবে কাজ শুরু হবে নিশ্চিত করে কেউ কিছু বলতে পারছেন না।
বাসিন্দারা বলেন, অনেক এলাকা আছে যেখানে এখনও জল সঙ্কট খুবই তীব্র। পাশের এলাকা থেকে জল বয়ে আনতে হয় বাসিন্দাদের। বাসিন্দা শেখ আনোয়ার, তপন সেন বলেন, অনেক এলাকায় কালো, নোংরা জল সরবরাহ হয়। সেই জল ব্যবহারের অযোগ্য। দীর্ঘ দিন ধরে এই সমস্যা চললেও কোনও সমাধানই করতে পারছে না পুরসভা।



