সংবাদদাতা, হলদিয়া: জেলার গ্রামীণ এলাকায় দুয়ারে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দিতে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী স্বাস্থ্যদপ্তর। এজন্য পঞ্চায়েত এলাকায় মেগা স্বাস্থ্য শিবির আয়োজন করে রোগ নির্ণয়ের উপর জোর দিচ্ছে স্বাস্থ্যদপ্তর। সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে এই কাজ এগবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিকরা। সরকারি হাসপাতালের সঙ্গে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসকদেরও এগিয়ে আসার আবেদন জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর। এজন্য হলদিয়ার শিল্প সংস্থাগুলির সহযোগিতা চান তাঁরা। রবিবার মহিষাদলে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘে এক মেগা স্বাস্থ্য শিবিরে এসে এমনই অভিমত জানিয়েছেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। এই ধরনের শিবির বেশি আয়োজন হলে দুঃস্থ ও সাধারণ মানুষ নিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পর্কে আরও আগ্রহী হবে। এদিন হলদিয়া পেট্র কেমিক্যালসের আর্থিক সহযোগিতায় এবং হলদিয়ার রামকৃষ্ণ সারদা মিশন আশ্রমের উদ্যোগে মহিষাদলে বিনা ব্যয়ে মেগা স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সহযোগিতা করেছে। শিবির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ। ওই শিবিরে দিনভর বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা ছিল। রিপোর্টও দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজ, চণ্ডীপুর মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল ও বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে মোট ২৭জন চিকিৎসক শিবিরে রোগী দেখেন। চোখের পরীক্ষা থেকে শুরু করে হৃদরোগ, শিশুরোগ, স্ত্রীরোগ, নাক, কান, গলা, দাঁতের সমস্যাজনিত চিকিৎসার পাশাপাশি নার্ভ ও হাড়ের প্রাথমিক চিকিৎসা এবং ইসিজি, ব্লাড সুগার, রক্ত পরীক্ষা, প্রেসার মাপা এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করেন তাঁরা। শিবিরে প্রায় ৮-১০রকমের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বিনা খরচে হয়েছে। বিনামূল্যে কয়েকদিনের ওষুধও দেওয়া হয়েছে। মহিষাদলের বিভিন্ন গ্রাম থেকে বহু মানুষ এসেছিলেন। এদিন প্রায় দেড় শতাধিক মানুষের চোখ পরীক্ষা করা হয়েছে। শতাধিক ষাটোর্ধ্ব মানুষের হৃদরোগের চিকিৎসার পরামর্শ দেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ।
এছাড়াও ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের পরিচালনাধীন স্কুল প্রণবানন্দ বিদ্যাপীঠের শতাধিক পড়ুয়া শিশু চিকিৎসা বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে বিনামূল্যে ওষুধ পেয়েছে। শিবিরের উদ্বোধন করেন মহিষাদল রাজ পরিবারের সদস্য শৌর্যপ্রসাদ গর্গ। উপস্থিত ছিলেন মহিষাদল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক গৌতম মহারাজ, হলদিয়া পেট্রকেমিক্যালের জেনারেল ম্যানেজার সমীরণ সরকার, ওই সংস্থার এইচআর হেড বিভাস রায়চৌধুরী, প্রাক্তন অধ্যাপক হরিপদ মাইতি, রামকৃষ্ণ সারদা মিশন আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক বিবেকাত্মানন্দজি মহারাজ প্রমুখ।
পেট্রকেমের জিএম বলেন, গ্রামে গ্রামে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দিতে হলদিয়া পেট্রকেমিক্যাল ও টিসিজি ফাউন্ডেশন সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রকল্পের তহবিল থেকে মহিষাদল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘকে একটি ভ্রাম্যমাণ অ্যাম্বুলেন্স দিয়েছে। জেলা ও রাজ্যের সরকারি চিকিৎসা পরিকাঠামো উন্নয়নে পেট্রকেম সহায়তা করছে। এবার সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতায় গ্রামে মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনায় শিবির শুরু করেছি। গত তিন মাসে এধরনের পাঁচটি শিবির হয়েছে। গৌতম মহারাজ বলেন, এই শিবিরের মূল উদ্দেশ্য অনেকটা সফল হয়েছে। অনেকেই ব্যয়বহুল পরীক্ষা এবং ওষুধ কিনতে পারেন না। চিকিৎসা পরিষেবা পেয়ে সবাই ভীষণ খুশি। শিবিরে আসা মানুষজনকে দুপুরে আশ্রমের খিচুড়ি ভোগ খাওয়ানো হয়েছে। এদিন শিবিরে এসেছিলেন ডেপুটি সিএমওএইচ ও বিভিন্ন ব্লকের বিএমওএইচরা। বিবেকাত্মানন্দজি মহারাজ বলেন, জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর এবং সরকারি সহযোগিতা ছাড়া এধরনের শিবির করা সম্ভব হতো না।
এছাড়াও ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের পরিচালনাধীন স্কুল প্রণবানন্দ বিদ্যাপীঠের শতাধিক পড়ুয়া শিশু চিকিৎসা বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে বিনামূল্যে ওষুধ পেয়েছে। শিবিরের উদ্বোধন করেন মহিষাদল রাজ পরিবারের সদস্য শৌর্যপ্রসাদ গর্গ। উপস্থিত ছিলেন মহিষাদল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক গৌতম মহারাজ, হলদিয়া পেট্রকেমিক্যালের জেনারেল ম্যানেজার সমীরণ সরকার, ওই সংস্থার এইচআর হেড বিভাস রায়চৌধুরী, প্রাক্তন অধ্যাপক হরিপদ মাইতি, রামকৃষ্ণ সারদা মিশন আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক বিবেকাত্মানন্দজি মহারাজ প্রমুখ।
পেট্রকেমের জিএম বলেন, গ্রামে গ্রামে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দিতে হলদিয়া পেট্রকেমিক্যাল ও টিসিজি ফাউন্ডেশন সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রকল্পের তহবিল থেকে মহিষাদল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘকে একটি ভ্রাম্যমাণ অ্যাম্বুলেন্স দিয়েছে। জেলা ও রাজ্যের সরকারি চিকিৎসা পরিকাঠামো উন্নয়নে পেট্রকেম সহায়তা করছে। এবার সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতায় গ্রামে মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনায় শিবির শুরু করেছি। গত তিন মাসে এধরনের পাঁচটি শিবির হয়েছে। গৌতম মহারাজ বলেন, এই শিবিরের মূল উদ্দেশ্য অনেকটা সফল হয়েছে। অনেকেই ব্যয়বহুল পরীক্ষা এবং ওষুধ কিনতে পারেন না। চিকিৎসা পরিষেবা পেয়ে সবাই ভীষণ খুশি। শিবিরে আসা মানুষজনকে দুপুরে আশ্রমের খিচুড়ি ভোগ খাওয়ানো হয়েছে। এদিন শিবিরে এসেছিলেন ডেপুটি সিএমওএইচ ও বিভিন্ন ব্লকের বিএমওএইচরা। বিবেকাত্মানন্দজি মহারাজ বলেন, জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর এবং সরকারি সহযোগিতা ছাড়া এধরনের শিবির করা সম্ভব হতো না।



