নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কালী পুজো-দীপাবলির প্রাক্কালে বাজি বাজার নিয়ে বুধবার প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক হল উদ্যোক্তাদের। এই বছর বাজি বাজারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নতুন নিয়ম চালু হয়েছে। সবুজ বাজি চিহ্নিতকরণের ক্ষেত্রে কোনো কিউআর কোড থাকছে না। সবুজ বাজি বাজারে আসার পর কোন বাজি সবুজ আর কোনটা নয়, তা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। কারণ, তখন বাজির বাক্সের গায়ে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করে সবুজ বাজির শংসাপত্র পাওয়া যেত। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সব বাজির বাক্সে স্ক্যান করে কোনো শংসাপত্র পাওয়া যাচ্ছিল না। এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। তাই এ বছর থেকে কিউআর কোড তুলে দেওয়া হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, তার বদলে নিরির ওয়েবসাইটে সবুজ বাজি প্রস্তুতকারী হিসাবে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রায় এক হাজার সংস্থার তালিকা থাকবে। সেই সংস্থার তৈরি বাজি বিক্রি করতে হবে। ওই তালিকা বাজারে টাঙানো থাকবে। এদিন পিটিএসে সমন্বয় বৈঠকে কলকাতা পুলিশ, সিইএসসি, দমকল, নিরি, পেসো, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের পাশাপাশি শহিদ মিনার, কালিকাপুর, টালা, বেহালা বাজি বাজারের উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্রের খবর, বৈঠকে বাজি বাজার দখলের প্রসঙ্গ উঠেছিল। এই প্রশ্নে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ও লাইসেন্সপ্রাপ্তরাই অনুমতি পাবেন বলে উদ্যোক্তাদের আশ্বস্ত করেছে প্রশাসন। বলা হয়েছে, বাজারে দু’টি দোকানের মধ্যে ৯ ফুটের দূরত্ব রাখতে হবে। এছাড়াও আগে ও পিছনে ফাঁকা জায়গা রাখতে হবে। পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও আরও বাড়াতে বলা হয়েছে। ২ থেকে ৮ নভেম্বর বাজার বসার কথা রয়েছে। মাঠে কড়া পুলিশি ব্যবস্থা থাকবে। আগামী ৩০ তারিখ টালা পার্কে বাজি পরীক্ষা হওয়ার কথা। টালা বাজি বাজারের উদ্যোক্তা তথা পশ্চিমবঙ্গ বাজি শিল্প উন্নয়ন সমিতির সম্পাদক আইনজীবী শুভঙ্কর মান্না বলেন, ‘আমরা সব নিয়ম মেনেই স্টল করতে চাই। বাজারে স্টলের সংখ্যা কত হবে, সেটা পুলিশ সিদ্ধান্ত নেবে।’



