সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: একটা গাছই বদলে দিয়েছে সরকারি অফিসের ঠিকানা। এখন কাকদ্বীপ পূর্তভবনের নতুন ঠিকানা ‘আঙুর বাগান’। এই ভবনের ভিতরে ঢোকার দরজার উপরে ঝুলছে থোকা থোকা আঙুর। দেখে থমকে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন পথচলতি মানুষ, এমনকী নিজেদের মোবাইলে সেই ছবি ক্যামেরাবন্দিও করে রাখছেন।
বর্তমানে কাকদ্বীপের পূর্তভবন মহকুমাবাসীর কাছে হয়ে উঠেছে আকর্ষণীয় স্থান। ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের পূর্বদিকে কাকদ্বীপ আদালতের বিপরীতে গড়ে উঠেছে এই সরকারি দপ্তর। এই ভবনের চারপাশ প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। সামনের দিকে প্রায় ৭৫ ফুট প্রাচীর জুড়ে ঝুলছে আঙুর গাছ। এমনকী জাতীয় সড়কের পাশ দিয়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক ও কেবল লাইনের তারেও ঝুলছে এই ফলের গাছ। আর সেই গাছের চারিদিকে ঝুলছে থোকা থোকা আঙুর। দেখে অবাক হয়ে থমকে যাচ্ছেন প্রায় সকলেই।
এক কলেজ ছাত্রী রেখা দাস বলেন, প্রতিদিন কলেজে যাওয়ার সময় আঙুর গাছটার দিকে নজর পড়ে। চারিদিকে থোকা থোকা আঙুর ঝুলে রয়েছে। দেখতে খুব সুন্দর লাগে। সাধারণত এই জলবায়ুতে আঙুর গাছ হয় না। কিন্তু পূর্তভবনের সামনে ঝাঁকড়া হয়ে গাছটি চারিদিকে ছেয়ে গিয়েছে। প্রচুর আঙুরও হয়েছে। এরকম দৃশ্য সাধারণত এই এলাকায় দেখা যায় না। তাই সবাই ওই জায়গাটিকে ‘আঙুর বাগান’ বলেন। যাতায়াতের পথে সবাই দাঁড়িয়ে গিয়ে আঙুর গাছটার দিকে চেয়ে থাকেন, ছবিও তোলেন।
পূর্তভবনের এক কর্মী বলেন, প্রায় ন’বছর আগে বিভিন্ন গাছের সঙ্গে প্রাচীরের এক কোণে আঙুর গাছটি বসানো হয়েছিল। সেই গাছটি এখন প্রাচীরের বিশাল অংশ জুড়ে ছেয়ে গিয়েছে। গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে আঙুরও হচ্ছে। কিন্তু এবছর অনেক বেশি আঙুর ফলেছে। তবে এই আঙুর পেড়ে খাওয়া হয় না। সৌন্দর্যের জন্য গাছেই ঝুলে থাকে। নিজস্ব চিত্র