নয়াদিল্লি: ২০৩০ সালে আমেদাবাদে বসছে কমনওয়েলথ গেমসের আসর। ২০৩৬ সালে ভারতে ওলিম্পিক গেমস আয়োজনের জন্যও ঝাঁপাতে চাইছে সরকার। তবে এই সমস্ত ইতিবাচক খবরের মধ্যেই সামনে আসছে বেশ কিছু হতাশাজনক তথ্য। বিগত তিনটি অর্থবর্ষে জাতীয় ক্রীড়া উন্নয়ন তহবিলে (এনএসডিএফ) অনুদানের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ২০২৩-২৪ সালের তুলনায় ২০২৫-২৬ সালে অনুদানের পরিমাণ অর্ধেকেরও বেশি কমে গিয়েছে। কিন্তু কী কারণে এনএসডিএফ-এর অনুদান এতটা নিম্নমুখী হল? রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি সংস্থাগুলি কেন অনুদানের অঙ্ক কমাচ্ছে? ব্যাখ্যা এড়াল ক্রীড়ামন্ত্রক।
এনএসডিএফ-এর অনুদান নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন কেরলের কংগ্রেস সাংসদ অ্যান্টো অ্যান্টনি। লোকসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে ক্রীড়ামন্ত্রক স্বীকার করে নিয়েছে, অনুদানের পরিমাণ কমেছে। সরকার জানিয়েছে, ২০২৩-২৪ সালে এনএসডিএফ-এর প্রাপ্ত অনুদান ছিল ৮৫.২৬ কোটি টাকা। পরের বছর সেই অঙ্ক কমে হয় ৭০.১৬ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ সালে তা আরও কমে হয় ৩৭.০২ কোটি টাকা। ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য বলেন, এনএসডিএফ বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ও বেসরকারি কর্পোরেট দাতাদের থেকে অনুদান পায়। সেই অর্থ দেশের ক্রীড়া উন্নয়নমূলক উদ্যোগগুলিকে সহায়তা করার জন্য ব্যবহার করা হয়। তবে, অনুদান হ্রাসের কারণ স্পষ্ট করেনি ক্রীড়ামন্ত্রক।
ক্রীড়ামন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২৪ সালের মধ্যে প্রধান অনুদান এসেছে আরইসি ফাউন্ডেশন এবং বিদ্যুৎ মন্ত্রকের অধীনস্থ আরইসি লিমিটেডের সিএসআর তহবিল থেকে। এই অনুদানের পরিমাণ ৯৯ কোটি টাকা, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এর পরেই রয়েছে কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড। তারা দু’টি অর্থবর্ষ— ২০১৬-১৭ এবং ২০২৩-২৪ সালে ৭২.৮৫ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। ২০০৭-০৯ সালে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ৫০ কোটি টাকা দিয়েছিল।