Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ফর্ম বিলির সময় বিএলওর সঙ্গে গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান, বিতর্ক

ইনিউমারেশন ফর্ম বিতরণের সময় বিএলওর সঙ্গে বাড়ি বাড়ি ঘুরতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপপ্রধানকে। এই অভিযোগ ঘিরে বুধবার চাঞ্চল্য ছড়াল জগৎবল্লভপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ১৮৪ নম্বর বুথে।

ফর্ম বিলির সময় বিএলওর সঙ্গে  গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান, বিতর্ক
  • ৬ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: ইনিউমারেশন ফর্ম বিতরণের সময় বিএলওর সঙ্গে বাড়ি বাড়ি ঘুরতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপপ্রধানকে। এই অভিযোগ ঘিরে বুধবার চাঞ্চল্য ছড়াল জগৎবল্লভপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ১৮৪ নম্বর বুথে। যদিও বাড়ি বাড়ি যাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই উপপ্রধান। ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলাশাসক। 

Advertisement

এসআইআর চালু হতেই হাওড়া শহরের পাশাপাশি ব্লক গুলিতেও ইনিউমারেশন ফর্ম বিতরণের কাজ করছেন বিএলওরা। জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে জগৎবল্লভপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ১৮৪ নম্বর বুথের বিএলও অঙ্কিতা অধিকারী রুদ্রপুর অঞ্চলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম বিলি করছিলেন। অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে বিএলএ-২ মইদুল মল্লিক ছাড়াও স্থানীয় পঞ্চায়েত উপপ্রধান জানে আলম মল্লিক ও বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে দেখা যায়। যদিও বিরোধী দলের কোনও বুথ লেভেল এজেন্টের দেখা মেলেনি সেখানে। তৃণমূল উপপ্রধানের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল পর্যায়ের নেতা বিশ্বজিৎ মণ্ডল বলেন, ‘বিএলওদের ভয় দেখিয়ে এই ধরনের কাজ করা হচ্ছে। তৃণমূল উপপ্রধানের উপস্থিতিতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না বিএলওরা।’
এই প্রসঙ্গে রুদ্রপুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জানে আলম মল্লিক বলেন, ‘যেহেতু বিএলও সব বাড়ি চেনেন না, তাই তাঁকে সাহায্য করার জন্য গিয়েছিলাম। আমারই বুথে একটি বাড়ি খুঁজে বের করতে সমস্যা হচ্ছিল। তাই শুধু বাড়িটি দেখিয়ে দিয়েছিলাম।’ তৃণমূলের বিএলএ-২ মইদুল মল্লিক বলেন, ‘এটা ঠিক উপপ্রধান প্রশাসনিক পদের কারণে এখানে উপস্থিত থাকতে পারেন না। তবে ওঁর নিজের বুথ বলেই সাহায্যের জন্য ডাকা হয়েছিল।’ বিষয়টি নিয়ে হাওড়ার জেলাশাসক পি দীপাপ্রিয়া বলেন, ‘পঞ্চায়েতের প্রধান বা উপপ্রধান কোনওভাবেই বিএলওর সঙ্গে থাকতে পারেন না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ