সুব্রত ধর, শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গের বাংলাদেশ সীমান্তে গোরু পাচারের নেপথ্যে জেহাদি জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলা টিম (এবিটি)? ১১ মাসে বিভিন্ন সীমান্ত থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকার গোরু উদ্ধারের পর এমন অনুমান করছেন গোয়েন্দারা। একইসঙ্গে তাদের সন্দেহ, সীমান্তে কর্তব্যরত বিএসএফ জওয়ানরাও এবিটি জঙ্গিদের টার্গেট। ইতিমধ্যে গোরু পাচারে বাধা দেওয়ায় দু’টি জায়গায় জওয়ানদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। যা বিএসএফের কাছে মাথাব্যথার অন্যতম কারণ। এনিয়ে ওয়াকিবহল মহল রীতিমতো উদ্বিগ্ন।
Advertisement
বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের এক অফিসার অবশ্য বলেন, গোরু পাচার সহ জঙ্গি কার্যকলাপ রুখতে জওয়ানরা সতর্ক রয়েছে। সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। টহলদারির পাশাপাশি নজরদারিতে ব্যবহার করা হচ্ছে সিসি ক্যামেরা সহ অত্যাধুনিক সরঞ্জাম।
গোরু পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য দীর্ঘদিনের। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, বিহার সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে লরিতে করে গোরু ও মোষ আনা হচ্ছে এখানে। তা উত্তরবঙ্গ ও অসমের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে পাচার করা হচ্ছে বাংলাদেশে। পদ্মাপারে গোরুর চাহিদা ব্যাপক। সেখানে প্রতি পিস শঙ্কর গোরুর দাম প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। বিভিন্ন হাট থেকে সীমান্ত টোপকে ওপারে গোরু পাঠাতে পারলেই ক্যারিয়ার বা ‘রাখালরা’ কমিশন বাবদ পাচ্ছে মোটা টাকা। গোরু পিছু তাদের কমিশন আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা। ইদানিং সীমান্তে এই কারবার নিয়ন্ত্রণ করছে বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সীমান্ত থেকে এ ব্যাপারে কিছু তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দারা। তারা সেগুলি গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করছে।
গোয়েন্দাদের বক্তব্য, অভ্যন্তরীণ গোলমালে জেরবার বাংলাদেশ। গত আগস্ট মাসে সেই দেশে শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়। এরপরই সীমান্তে সক্রিয় হয়ে ওঠে গোরু পাচারকারীরা। এর নেপথ্যে জঙ্গি সংগঠন এবিটি। তারা সম্ভবত স্লিপার সেলের রসদ জোগাড় করতেই গোরু পাচার নিয়ন্ত্রণ করছে। অর্থাৎ গোরু পাচারের টাকার একাংশ হাওলার মাধ্যমে এপারে পাঠানো হচ্ছে। যা এখানকার স্লিপার সেলগুলিতে প্রশিক্ষণ শিবির, অস্ত্র কেনা এবং বোমা তৈরিতে ব্যবহার হচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, সীমান্তে পাচারকারীদের টার্গেটও বিএসএফ। কয়েকদিন আগে জলপাইগুড়ির বেরুবাড়ির কাছে গোরু পাচারে বাধা দিলে জওয়ানদের উপর হামলা করে বাংলাদেশি পাচারকারীরা। কোচবিহার জেলার সীমান্তেও এমন ঘটনা ঘটেছে। সেগুলি পর্যালোচনা করার পর গোয়েন্দাদের সন্দেহ, সম্ভবত জঙ্গি সংগঠন এবিটির মদতেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বাংলাদেশি পাচারকারীরা। তারা কুয়াশাকে কাজে লাগিয়ে এপারে আসছে। গোরা পাচারে বাধা পেলেও তারা পিছপা হচ্ছে না। বরং বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলা চালানোই তাদের টার্গেট।
প্রসঙ্গত, গত বছরের তুলনায় এবার এখানে গোরু পাচার বেড়েছে। বিএসএফ সূত্রে খবর, ২০২৩ সালে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্ত থেকে বাজেয়াপ্ত গোরুর সংখ্যা ২৫৩২টি। যার দাম ২ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা। চলতি বছর জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত গোরুর সংখ্যা ২৬৬৭টি। যার দাম ৩ কোটি ৯১ লক্ষ টাকা।
গোরু পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য দীর্ঘদিনের। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, বিহার সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে লরিতে করে গোরু ও মোষ আনা হচ্ছে এখানে। তা উত্তরবঙ্গ ও অসমের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে পাচার করা হচ্ছে বাংলাদেশে। পদ্মাপারে গোরুর চাহিদা ব্যাপক। সেখানে প্রতি পিস শঙ্কর গোরুর দাম প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। বিভিন্ন হাট থেকে সীমান্ত টোপকে ওপারে গোরু পাঠাতে পারলেই ক্যারিয়ার বা ‘রাখালরা’ কমিশন বাবদ পাচ্ছে মোটা টাকা। গোরু পিছু তাদের কমিশন আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা। ইদানিং সীমান্তে এই কারবার নিয়ন্ত্রণ করছে বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সীমান্ত থেকে এ ব্যাপারে কিছু তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দারা। তারা সেগুলি গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করছে।
গোয়েন্দাদের বক্তব্য, অভ্যন্তরীণ গোলমালে জেরবার বাংলাদেশ। গত আগস্ট মাসে সেই দেশে শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়। এরপরই সীমান্তে সক্রিয় হয়ে ওঠে গোরু পাচারকারীরা। এর নেপথ্যে জঙ্গি সংগঠন এবিটি। তারা সম্ভবত স্লিপার সেলের রসদ জোগাড় করতেই গোরু পাচার নিয়ন্ত্রণ করছে। অর্থাৎ গোরু পাচারের টাকার একাংশ হাওলার মাধ্যমে এপারে পাঠানো হচ্ছে। যা এখানকার স্লিপার সেলগুলিতে প্রশিক্ষণ শিবির, অস্ত্র কেনা এবং বোমা তৈরিতে ব্যবহার হচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, সীমান্তে পাচারকারীদের টার্গেটও বিএসএফ। কয়েকদিন আগে জলপাইগুড়ির বেরুবাড়ির কাছে গোরু পাচারে বাধা দিলে জওয়ানদের উপর হামলা করে বাংলাদেশি পাচারকারীরা। কোচবিহার জেলার সীমান্তেও এমন ঘটনা ঘটেছে। সেগুলি পর্যালোচনা করার পর গোয়েন্দাদের সন্দেহ, সম্ভবত জঙ্গি সংগঠন এবিটির মদতেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বাংলাদেশি পাচারকারীরা। তারা কুয়াশাকে কাজে লাগিয়ে এপারে আসছে। গোরা পাচারে বাধা পেলেও তারা পিছপা হচ্ছে না। বরং বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলা চালানোই তাদের টার্গেট।
প্রসঙ্গত, গত বছরের তুলনায় এবার এখানে গোরু পাচার বেড়েছে। বিএসএফ সূত্রে খবর, ২০২৩ সালে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্ত থেকে বাজেয়াপ্ত গোরুর সংখ্যা ২৫৩২টি। যার দাম ২ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা। চলতি বছর জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত গোরুর সংখ্যা ২৬৬৭টি। যার দাম ৩ কোটি ৯১ লক্ষ টাকা।



