Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অসময়ের সব্জি চাষে উৎসাহ দিতে আর্থিক অনুদান রাজ্যের

অসময়ের সব্জির চাহিদা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে জেলায় গরমকালে শীতকালীন এবং শীতের সময় গ্রীষ্মকালীন সব্জি চাষে জোর দেওয়া হচ্ছে। বীরভূম জেলার উদ্যান পালন দপ্তর এই কাজে উদ্যোগী হয়েছে।

অসময়ের সব্জি চাষে উৎসাহ দিতে আর্থিক অনুদান রাজ্যের
  • ৩০ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: অসময়ের সব্জির চাহিদা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে জেলায় গরমকালে শীতকালীন এবং শীতের সময় গ্রীষ্মকালীন সব্জি চাষে জোর দেওয়া হচ্ছে। বীরভূম জেলার উদ্যান পালন দপ্তর এই কাজে উদ্যোগী হয়েছে। জেলাজুড়ে চাষিদের অসময়ের সব্জি চাষে উৎসাহী করে তোলা হচ্ছে। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, অসময়ের সব্জি চাষের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে পলি হাউজ তৈরি করা প্রয়োজন। ব্যয়বহুল এই পলি হাউজ তৈরিতে সরকার চাষিদের আর্থিকভাবে সাহায্য করবে। এক্ষেত্রে সরকার মোট খরচের প্রায় ৫০ শতাংশ বহন করবে। সেইসঙ্গে অসময়ের সব্জি চাষে চাষিদের আর্থিক সাহায্য করা হবে। তবে শুধু অসময়ের সব্জি নয়, পলি হাউজের মাধ্যমে জেলায় ফুলচাষ করতেও চাষিদের আগ্রহী করে তোলা হচ্ছে। দপ্তরের আধিকারিক সুবিমল মণ্ডল বলেন, পলি হাউজ পদ্ধতিতে অসময়ের সব্জি চাষ খুবই লাভজনক। এই কাজে ইচ্ছুক চাষিদের উৎসাহ দিতে আর্থিক অনুদানের বন্দোবস্তও রয়েছে। প্রাথমিকভাবে জেলাজুড়ে চাষিদের পলি হাউজের উপকারিতা বোঝানোর কাজ শুরু করা হয়েছে। 

Advertisement

ইদানীং অসময়ের সব্জির কদর বাড়লেও জেলায় তেমন উৎপাদন নেই বললেই চলে। এই পরিস্থিতিতে অসময়ের সব্জি চাষে স্বনির্ভর হতে উদ্যোগী হয়েছে উদ্যান পালন দপ্তর। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, পলি হাউজ পদ্ধতিতে শীতের মরশুমে গ্রীষ্মকালীন যে কোনও সব্জি চাষ করা সম্ভব। এছাড়াও গরমকালে শীতকালীন যে কোনও সব্জি অনায়াসেই চাষ করা যায়। তবে পলি হাউজ পদ্ধতিতে চাষ কিছুটা ব্যয় বহুল। ৫০০ স্কোয়ার মিটার পলি হাউজ তৈরি করতে খরচ আনুমানিক ৬ লক্ষ টাকা। ফলে চাষিদের একাংশের ইচ্ছে থাকলেও তাঁরা অপারগ। 
দপ্তরের তরফে জানা গিয়েছে, ‘মিশন ফর ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অব হর্টিকালচার’ প্রকল্পের আওয়তায় পলি হাউজ তৈরিতে চাষিদের এককালীন ৫০ শতাংশ টাকা অনুদান হিসেবে দেওয়ার হবে। সেক্ষেত্রে পলি হাউজ তৈরির জন্য একজন চাষি মোট ৩ লক্ষ টাকা পাবেন। এছাড়াও অত্যাধিক লাভজনক সব্জি চাষের ক্ষেত্রেও চাষিরা আর্থিক অনুদান পাবেন। সেই তালিকায় রয়েছে শশা, ক্যাপসিকাম, ব্রকোলি সহ নানা সব্জি। অনন্ত মান্না বলেন, শুনেছি পলি হাউজ পদ্ধতিতে অসময়ের সব্জি খুবই লাভজনক। তবে এই পদ্ধতিতে চাষ ব্যয়বহুল। সরকারি সহযোগিতা পেলে অসময়ের সব্জি চাষ করার ইচ্ছে রয়েছে।   প্রতীকী চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ