


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এবার ভোটের ডিউটি করতে হবে চিকিৎসকদেরও! এমনই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। ইতিমধ্যেই সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছে ভোটের কাজে নিয়োগ সংক্রান্ত চিঠি পৌঁছে গিয়েছে। এমনিতেই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের অভাব রয়েছে। তার মধ্যে ডাক্তারদের ভোটের ডিউটি দেওয়া হলে চিকিৎসা পরিষেবা আরও ব্যাহত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সোমবার আরামবাগের প্রফুল্লচন্দ্র সেন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৪৯ জন চিকিৎসককে ভোটের কাজে যোগদানের জন্য চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন। অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর-সহ বিভিন্ন বিভাগেরই চিকিৎসকদের ভোটের কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে খবর। এই চিঠি পাওয়ার পর এবার চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের জন্য একাধিকবার হাসপাতালের বাইরে থাকতে হবে। পাশাপাশি ভোটের দিন গোটা সময় হাসপাতালে চিকিৎসার তাঁরা যোগ দিতে পারবেন না। স্বাভাবিকভাবেই তাই সরকারি হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চিকিৎসকদের ভোটের কাজে নিয়োগ প্রসঙ্গে কমিশনের ব্যাখ্যা, সংশ্লিষ্ট জেলায় ডিইওরা ভোটের দায়িত্ব দিয়ে থাকেন। যদি কোনো চিকিৎসককে ভোটের ডিউটি দেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে সেই চিঠি ইস্যু করেছেন ডিইওরা।
অন্যদিকে, চাকরি চলে গিয়েছে, এমন শিক্ষকদের ভোটের কাজে ব্যবহার করা যাবে না। স্পষ্ট করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশ, দুর্নীতির অভিযোগে যে-সমস্ত শিক্ষক ‘দাগি’ প্রমাণিত হয়েছেন, তাঁদের কোনোভাবেই ভোটের কোনোরকম দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। ইতিমধ্যে কয়েকজন চাকরিহারা শিক্ষককে ভোটের ডিউটি দেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, পুরানো ডেটা নথিবদ্ধ থাকার কারণে কিছু ‘দাগি’ শিক্ষকের কাছে ওই চিঠি গিয়েছে। এসব নাম চিহ্নিত করে দ্রুত বাদ দেওয়া হচ্ছে।