বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, বজবজ: স্বর্ণমন্দির দেখার ইচ্ছে অনেকেরই থাকে কিন্তু পকেট সঙ্গ দেয় না বলে পঞ্জাবের অমৃতসর যাওয়া হয় না। এবার কালীপুজোয় আমজনতার ইচ্ছেপূরণ করার জন্য পুজালির পার্বতীতলায় স্বর্ণমন্দির তৈরি করছে একটি পুজো। যা দেখলে পঞ্জাবে না গিয়েও স্বর্ণমন্দির দেখার সাধ মিটে যাবে। সোনার রঙে রাঙানো অবিকল দেখতে মন্দির। পঞ্জাবে বিরাট জলাশয়ের ধারে স্বর্ণমন্দির রয়েছে। এখানেও সেই একইরকম পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দেখলে চমকে যেতে হবে বলে পুজো উদ্যোক্তাদের দাবি।
পুজালি পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডে বিডিও অফিসের কাছে পার্বতীতলায় একটি বিশাল প্রাচীন দিঘি আছে। বহু মানুষ সেটিকে পবিত্র হিসেবে মানে। সে কারণে এই জল পান করেন অনেকে। তরুণ সংঘ অ্যান্ড লাইব্রেরি কমিটির কালীপুজোর এবার সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষ। এ বছরটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য স্বর্ণমন্দির করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিটি। বজবজ গুরুদ্বারার সঙ্গে পরামর্শ করে কাজ চলছে জোরকদমে। জলাশয়ের একদিকে হচ্ছে স্বর্ণমন্দির। তার ছায়া জলে পড়ছে। দর্শনার্থীদের আসতে হবে জলাশয়ের মাঝখান দিয়ে। এ জন্য বাঁশের সাঁকো তৈরি হয়েছে। চারপাশ ঘিরে থাকবে চন্দননগরের আলোর কাজ। পুজো কমিটির সভাপতি সুদেশ মাঝি বলেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভিতর এবার সেরা মণ্ডপ হবে। স্বর্ণমন্দির তৈরির জন্য মেদিনীপুর থেকে কারিগর আনা হয়েছে। প্রতিমাশিল্পী পদ্মবিভূষণ প্রাপ্ত প্রদীপ রুদ্র পাল। বেনারস থেকে শাড়ি এনে ১৮ ফুট লম্বা মূর্তি সাজানো হচ্ছে। ১৮ অক্টোবর উদ্বোধন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। সঙ্গীত ও ক্রীড়া জগতের বিশিষ্টরা আসবেন। এছাড়াও নরনারায়ণ সেবা এবং শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি রয়েছে। নিজস্ব চিত্র