নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: কথাবার্তায় চোস্ত! পোশাকে মার্জিত। ক্রেতা সেজে ঢোকার পর স্মার্ট চালচলনে বোকা বানাতেন দোকানদারকে। তারপর চোখের নিমেষে হাত সাফাই। দামি সোনার অলংকার হাতের কারসাজিতে সবার অলক্ষে চালান করে দিত পোশাকে। এভাবেই বছরের পর বছর দোকানে ঢুকে সে গায়েব করছিল সোনার অলংকার। দুই ২৪ পরগনার বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর শেষমেশ সোনারপুরে গ্রেপ্তার হল গৃহবধূ। নাম তাপসী দাস।
ধৃতের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে। সপ্তাহ খানেক আগে রাজপুর বাজারে একটি সোনার দোকানে চেন চুরি গিয়েছিল। সেই অভিযোগ থানায় দায়ের হওয়ার পর পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে এক মহিলাকে চিহ্নিত করে। পরে খোঁজ খবর করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, মহিলার নাম তাপসী। শুরু হয় তদন্ত। সেটা করতে গিয়ে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, ওই মহিলার বিরুদ্ধে একাধিক জায়গায় এভাবে হাত সাফাইয়ের অভিযোগ আছে। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া থানায় এফআইআর রয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বিভিন্ন জায়গায় একই কায়দায় হাত সাফাই করে। দুই জেলার পুলিশ হন্যে হয়ে খুঁজছিল তাকে। সেই সব জায়গায় যোগাযোগ করেন তদন্তকারীরা। অবশেষে বিভিন্ন সূত্র ধরে মঙ্গলবার সোনারপুর থানার পুলিশ তাকে পাকড়াও করে বারাসত থেকে। পরে তার বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া সোনার চেন উদ্ধার করেছে।



