সংবাদদাতা, বালুরঘাট: বালুরঘাট শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নামাবঙ্গী এলাকায় কালী মন্দিরে লোহার গ্রিল কেটে সোনার গয়না চুরি করল দুষ্কৃতীরা। মন্দিরের ভিতরে প্রতিমার অলঙ্কার চুরি গিয়েছে। নামাবঙ্গী এলাকায় দেবাশিস মণ্ডলের বাড়ির সামনেই মন্দির রয়েছে। মন্দির থেকে দেবীর নাকের নথ, মালা, টিকলি, সোনার চোখ, পায়ের নূপুর চুরি গিয়েছে। রুপোর মুকুটও চুরি গিয়েছে। সব মিলিয়ে লক্ষাধিক টাকার জিনিস চুরি গিয়েছে বলে দাবি। বাড়ির মালিক দেবাশিস বলেন, মন্দিরের বড় তালা ছিল। সেটা ভাঙতে পারেনি চোরের দল। গ্রিল কেটে দুষ্কৃতীরা চুরি করেছে। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।
বালুরঘাট ব্লকে প্রায়ই দিন চুরির ঘটনা সামনে আসছে। বাড়ি ফাঁকা থাকলেই সমস্ত কিছু নিয়ে পালাচ্ছে চোরেরা। অভিযোগ, বালুরঘাট ব্লকের পতিরাম ও বালুরঘাট থানার অনেক জায়গাতেই চুরি হলেও অধিকাংশ চুরির কিনারা হচ্ছে না। এনিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে বাসিন্দাদের। ফের চুরির ঘটনা সামনে আসায় পুলিস বাড়তি নজরদারি ও সর্তকতা নিয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিস সুপার কার্তিকচন্দ্র মণ্ডল বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। রাতে পেট্রোলিং ও মোবাইল ভ্যান বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ১ জুন বালুরঘাট ব্লকের পাগলিগঞ্জে বেল্লাল রহমানের বাড়িতে চুরি যায়। দিনেদুপুরে ঘরে ঢুকে সোনা, টাকা চুরি করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস। গত ৫ মে বালুরঘাট থানার রঘুনাথপুরে ঝুমা শীলের বাড়িতেও চুরির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনাতেও দুষ্কৃতীরা ধরা পড়েনি। গত ১৯ মার্চ বালুরঘাট শহরের শিমূলতলীর কাছে মাস্টার পাড়ায় পরপর তিনটি বাড়িতে চুরি হয়। একে গোপালন কলোনি ও রঘুনাথপুরের একটি বাড়িতেও দু’মাস আগে চুরি হয়েছিল। বেশিরভাগ চুরির ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। অতিরিক্ত পুলিস সুপার জানিয়েছেন, চুরির ঘটনাগুলিতে কোনও চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।