Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

বেশি কর্মসংস্থান দেখানোই লক্ষ্য, প্রতিমাসেই রিপোর্ট প্রকাশ করতে চায় কেন্দ্র

বেশি কর্মসংস্থান দেখানোই লক্ষ্য, প্রতিমাসেই রিপোর্ট প্রকাশ করতে চায় কেন্দ্র
  • ১৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কর্মসংস্থানে স্বচ্ছতা আনতে হবে। আর জন্য নিয়ম করে স্টেটাস জানানো হোক। মোদি সরকারের কাছে এমনই সুপারিশ করেছে নীতি আয়োগ। শ্রমমন্ত্রক এবং নীতি আয়োগের মধ্যে এ বিষয়ে বৈঠকও হয়েছে। স্থির হয়েছে শ্রমমন্ত্রকের নিজস্ব পোর্টাল ‘প্রয়াসে’ প্রতি মাসে অথবা তিন মাস অন্তর আপলোড করা হবে দেশে কর্মসংস্থানের হাল হকিকৎ। যাকে বলা হচ্ছে, রিয়াল টাইম এমপ্লয়মেন্ট ডেটা। এই তালিকায় যারা বিদেশে কাজের সুযোগ পেয়ে চলে যাচ্ছে, তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সেইমতো বিদেশ মন্ত্রকের থেকেও হিসেব নেওয়া হবে যে, ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে কত ভারতীয় বিদেশে রয়েছে। অর্থাৎ দেশের বাইরের কাজকেও কমর্সংস্থান ধরা হবে। ইতিমধ্যেই সরকারের ২০টি মন্ত্রকের কাছে চিঠি পাঠিয়ে কর্মসংস্থানের তথ্য পরিসংখ্যান তৈরি করতে বলেছে শ্রমমন্ত্রক। বর্তমানে মন্ত্রক কর্মসংস্থানের যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করে সেটি হল পিরিয়ডিক লেবার ফোর্স সার্ভে। কিন্তু সেই কর্মসংস্থানের হিসেব প্রধানত ইপিএফ সংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি হয়। স্বাভাবিকভাবে সেই সংখ্যা প্রথমত কম এবং দ্বিতীয়ত কেবলমাত্র সংগঠিত ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ। এখন সরকার ও নীতি আয়োগ চাইছে, যাতে এই প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমেও কতটা জীবিকা সৃষ্টি হচ্ছে, সেই সংখ্যাকেও নিয়ে আসতে। আসল লক্ষ্য হল, কর্মসংস্থানের সংখ্যা ঩বেশি করে দেখানো। আর তাই নতুন নিয়মে মে মাস থেকে শ্রমমন্ত্রক প্রকাশ করবে কর্মসংস্থানের হিসেব। 

Advertisement

২০২২ সালের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন, দেড় বছরের মধ্যে ১০ লক্ষ সরকারি চাকরি হবে। সেই বছরের অক্টোবর মাস থেকে শুরু হয়ে যায় কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন কর্মসূচি, রোজগার মেলা। সরকারি চাকরি পাওয়া কর্মপ্রার্থীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার এই প্রকল্পের পিছনে মূল চালিকাশক্তি ছিল ২০২৪ সালের লোকসভা ভোট। সেই ভোট হয়ে গিয়েছে।  তারপর ভাটা পড়েছে রোজগার মেলায়। আগে যেমন প্রায় প্রতি মাসেই আয়োজন করা হতো রোজগার মেলার, সেই প্রবণতা এখন আর নেই। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ