সৌম্যজিৎ সাহা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নির্বাচিত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২২ সালে। এখনও পঞ্চায়েত ভোটের আয়োজন করে উঠতে পারেনি মহারাষ্ট্রের ডাবল ইঞ্জিন সরকার। ফলে খরচ করা যাচ্ছে না কেন্দ্রীয় বরাদ্দও। একনাথ সিন্ধের রাজ্যে পুর নির্বাচন পর্যন্ত আইনি জটে আটকে। দেশের বাণিজ্য রাজধানী মুম্বই যে পুরসভার অধীনে, সেই বৃহন্মুম্বই পুরসভা ২০২০ সাল থেকে চালাচ্ছেন প্রশাসকরা। বিজেপির কোনও হেলদোল নেই। অথচ বিরোধীরা যে সব রাজ্যে ক্ষমতায়, সেখানে দ্রুত নির্বাচন করানোর ব্যাপারে চাপ দেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা। প্রয়োজনে আইনি পথ নিতেও পিছপা হন না। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে পর্যন্ত তার অন্যথা হয়নি। কিন্তু গেরুয়া শিবির যেখানে ক্ষমতায়, সেই সব ডাবল ইঞ্জিন রাজ্যে একেবারে উল্টো ছবি। শুধু মহারাষ্ট্র নয়, উত্তরাখণ্ড, মণিপুর এমনকী অসমে পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময়ে হয়নি পঞ্চায়েত ভোট। কোথাও দু’বছর, আবার কোনও রাজ্যে তিন বছর পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু নির্বাচন হয়নি। বার্ষিক রিপোর্টে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেছে খোদ মোদি সরকারের পঞ্চায়েত মন্ত্রক। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ওই সব রাজ্যে অবিলম্বে পঞ্চায়েত ভোট করার ব্যাপারে বারবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ডাবল ইঞ্জিন সরকার কোনও পদক্ষেপ নেয়নি বলেই অভিযোগ।
Advertisement
রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ২০১১ সাল থেকে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়নি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে। অথচ গত চার বছর ধরে সেখানে ক্ষমতায় রয়েছে এনডিএ। বিজেপি জোট থাকা সত্ত্বেও ভোট করানো যায়নি। আবার কর্ণাটকে বর্তমানে সরকার কংগ্রেসের। তবে এর আগে, ২০১৯ সালে কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকারকে ভেঙে ক্ষমতা দখল করেছিল বিজেপি। সেখানেও ২০২১ সাল থেকে পঞ্চায়েত ভোট বকেয়া পড়ে রয়েছে। অর্থাৎ, পুদুচেরি ও কর্ণাটককে তালিকায় ধরলে সংখ্যাটা ছয়ে গিয়ে দাঁড়ায়।
মহারাষ্ট্র ও মণিপুরে বর্তমান পঞ্চায়েত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে ২০২২ সালে। আবার অসমে ২০২৩ সালেই পঞ্চায়েত ভোট করার সময় ছিল। কিন্তু তা এখনও আয়োজন করে উঠতে পারেনি ডাবল ইঞ্জিন সরকার। সময়সীমা পিছোতে পিছোতে আগামী এপ্রিল মাসে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। একইভাবে গত বছর উত্তরাখণ্ডে নির্বাচিত পঞ্চায়েত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। বিজেপি শাসিত সেই রাজ্য পর্যন্ত এখনও এই ভোট করে উঠতে পারেনি। এছাড়া তালিকায় নাম আছে আরও দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাক্ষাদ্বীপ, লাদাখের। তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানাতেও পঞ্চায়েত ভোট বকেয়া।
বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির পঞ্চায়েত ভোট করতে এত অনীহা কেন? রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, স্থানীয় স্তরে গ্রাম পঞ্চায়েত ভোটে বিরূপ ফল হতে পারে ধরে নিয়েই সম্ভবত ভোট করাতে সাহস পায়নি ডাবল ইঞ্জিন রাজ্যগুলি। মণিপুরে বিজেপি জোট ক্ষমতায় ছিল। গত দু’বছরের বেশি সময় ধরে ওই রাজ্যে অশান্তি লেগে রয়েছে। বর্তমানে সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি। যদিও সেসবের আগে থেকে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়নি। বাকি রাজ্যের ক্ষেত্রে ভোট না হওয়ার কারণ স্পষ্ট নয়। বিরোধীদের বক্তব্য, বিজেপি গণতন্ত্র নিয়ে গলা ফাটায়। নরেন্দ্র মোদি বারবার ইমার্জেন্সির প্রসঙ্গ তুলে কংগ্রেসকে তুলোধোনা করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও তাঁর বিষোদ্গারে বিরাম নেই। কিন্তু দেশের সংবিধান কি আদৌ তাঁর জমানায় নিরাপদ? যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে সম্মান জানানোর প্রয়োজনীয়তা তাঁর সরকার বোধ করে তো? নির্ধারিত সময় নির্বাচন করা নিয়ে বারবার বিজেপি নেতাদের নানারকম উক্তি করতে শোনা গিয়েছে। খোদ বঙ্গের গেরুয়া নেতৃত্বও রাজ্যে সময়ের আগে ভোট করানোর পক্ষেও সওয়াল করেছিলেন। এবার কেন্দ্রীয় সরকারি রিপোর্টে ডাবল ইঞ্জিন রাজ্যগুলির এই হাল ফাঁস হওয়ায় যথেষ্ট অস্বস্তিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল।
মহারাষ্ট্র ও মণিপুরে বর্তমান পঞ্চায়েত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে ২০২২ সালে। আবার অসমে ২০২৩ সালেই পঞ্চায়েত ভোট করার সময় ছিল। কিন্তু তা এখনও আয়োজন করে উঠতে পারেনি ডাবল ইঞ্জিন সরকার। সময়সীমা পিছোতে পিছোতে আগামী এপ্রিল মাসে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। একইভাবে গত বছর উত্তরাখণ্ডে নির্বাচিত পঞ্চায়েত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। বিজেপি শাসিত সেই রাজ্য পর্যন্ত এখনও এই ভোট করে উঠতে পারেনি। এছাড়া তালিকায় নাম আছে আরও দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাক্ষাদ্বীপ, লাদাখের। তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানাতেও পঞ্চায়েত ভোট বকেয়া।
বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির পঞ্চায়েত ভোট করতে এত অনীহা কেন? রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, স্থানীয় স্তরে গ্রাম পঞ্চায়েত ভোটে বিরূপ ফল হতে পারে ধরে নিয়েই সম্ভবত ভোট করাতে সাহস পায়নি ডাবল ইঞ্জিন রাজ্যগুলি। মণিপুরে বিজেপি জোট ক্ষমতায় ছিল। গত দু’বছরের বেশি সময় ধরে ওই রাজ্যে অশান্তি লেগে রয়েছে। বর্তমানে সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি। যদিও সেসবের আগে থেকে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়নি। বাকি রাজ্যের ক্ষেত্রে ভোট না হওয়ার কারণ স্পষ্ট নয়। বিরোধীদের বক্তব্য, বিজেপি গণতন্ত্র নিয়ে গলা ফাটায়। নরেন্দ্র মোদি বারবার ইমার্জেন্সির প্রসঙ্গ তুলে কংগ্রেসকে তুলোধোনা করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও তাঁর বিষোদ্গারে বিরাম নেই। কিন্তু দেশের সংবিধান কি আদৌ তাঁর জমানায় নিরাপদ? যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে সম্মান জানানোর প্রয়োজনীয়তা তাঁর সরকার বোধ করে তো? নির্ধারিত সময় নির্বাচন করা নিয়ে বারবার বিজেপি নেতাদের নানারকম উক্তি করতে শোনা গিয়েছে। খোদ বঙ্গের গেরুয়া নেতৃত্বও রাজ্যে সময়ের আগে ভোট করানোর পক্ষেও সওয়াল করেছিলেন। এবার কেন্দ্রীয় সরকারি রিপোর্টে ডাবল ইঞ্জিন রাজ্যগুলির এই হাল ফাঁস হওয়ায় যথেষ্ট অস্বস্তিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল।



