সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: গণপিটুনিতে মৃত তৃণমূল নেতা সমীর থান্ডারের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। মঙ্গলবার শান্তিনিকেতন থানার কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের পারুলডাঙা গ্রামে মৃত তৃণমূল নেতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ছ’জনকে গ্রেপ্তার করেছে শান্তিনিকেতন থানার পুলিস। পরিবারকে সব রকম আইনি সাহায্য দেওয়ার কথাও জানান সভাধিপতি। তৃণমূল নেতাকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা।
Advertisement
উল্লেখ্য, রবিবার গভীর রাতে শান্তিনিকেতনের উত্তর নারায়ণপুর গ্রামে বেধড়ক মারধর করা হয় পার্শ্ববর্তী পারুলডাঙা গ্রামের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য সমীর থান্ডারকে। রাতেই পরিবারের সদস্যরা সেই খবর পেয়ে তাঁকে বাঁচাতে যায়। অভিযোগ, উত্তর নারায়ণপুর গ্রামের বেশ কয়েকজন তাঁদেরও মারধর করে। তাঁদের সামনেই বাঁশ লাঠি দিয়ে পেটানো হয় সমীরবাবুকে। পরে শান্তিনিকেতন থানার পুলিস গ্রামে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই রবিবার বিকেলে তাঁর মৃত্যু হয়।
তারপরেই দুই দফায় তিন মহিলা সহ ছ’জনকে আটক করে পুলিস। পরে পরিবারের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার আদালতে তোলা হলে ধৃতদের দুই দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। যদিও কী কারণে তৃণমূল নেতাকে পিটিয়ে মারা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থাকার কারণেই এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
কাজল বলেন, আমাদের দলের দীর্ঘদিনের নেতাকে এমন নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাই এখন রাজনীতি করার সময় নয়। যে কারণেই এই খুন হোক না কেন সেই সত্য কিছুদিনের মধ্যেই সামনে আসবে। মৃতের ছেলে পথিক থান্ডার বলেন, আমার বাবার খুনের ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। কিন্তু আরও কিছু জন সেদিন ঘটনার সময় উপস্থিত ছিল। তারা এখনও গ্রেপ্তার হয়নি।
তারপরেই দুই দফায় তিন মহিলা সহ ছ’জনকে আটক করে পুলিস। পরে পরিবারের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার আদালতে তোলা হলে ধৃতদের দুই দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। যদিও কী কারণে তৃণমূল নেতাকে পিটিয়ে মারা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থাকার কারণেই এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
কাজল বলেন, আমাদের দলের দীর্ঘদিনের নেতাকে এমন নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাই এখন রাজনীতি করার সময় নয়। যে কারণেই এই খুন হোক না কেন সেই সত্য কিছুদিনের মধ্যেই সামনে আসবে। মৃতের ছেলে পথিক থান্ডার বলেন, আমার বাবার খুনের ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। কিন্তু আরও কিছু জন সেদিন ঘটনার সময় উপস্থিত ছিল। তারা এখনও গ্রেপ্তার হয়নি।



