Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গাংনাপুরে রান্নার গ্যাস লিক করে আগুন, দম্পতি আশঙ্কাজনক

গাংনাপুরে রান্নার গ্যাস লিক করে আগুন, দম্পতি আশঙ্কাজনক
  • ৬ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: বাড়িতে গ্যাস ওভেনে চা করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হলেন দম্পতি। সেইসঙ্গে পুরো বাড়ি পুড়ে গিয়েছে। গাংনাপুর থানার রায়পাড়ায় এঘটনায় গৃহকর্ত্রীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কল্যাণী জেএমএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গৃহকর্তা প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছাড়া পেয়েছেন। দমকলের চেষ্টায় অবশেষে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
Advertisement
রায়পাড়ায় প্রৌঢ় চৈতন্য মজুমদারের দুই কামরার বাড়ি। তিনি একটি দোকানে কাজ করেন। বাড়িতে স্ত্রী সুপ্রিয়া মজুমদার ও এক ছেলে রয়েছে। একটি ঘর ভাড়া দেওয়া আছে। মঙ্গলবার সকালে চৈতন্যবাবুর ছেলে টিউশন পড়তে গিয়েছিল। ঘরের সামনে বারান্দায় গ্যাস ওভেনে চা করতে যান সুপ্রিয়াদেবী। কিন্তু গ্যাসের পাইপ যে লিক করেছে, তা তিনি টের পাননি। লাইটার দিয়ে গ্যাস জ্বালাতেই আগুন তাঁর হাত-মুখ ঝলসে দেয়। ঘরে আগুন লেগে যায়। প্রাণভয়ে ওই দম্পতি আর্তনাদ শুরু করেন। স্থানীয়রা এসে তাঁদের উদ্ধার করেন। ততক্ষণে সুপ্রিয়াদেবীর শরীরের অনেকটাই আগুনের তাপে ঝলসে গিয়েছে। চৈতন্যবাবুও জখম হয়েছেন। তাঁদের কল্যাণী জেএমএম হাসপাতালে পাঠানো হলে সুপ্রিয়াদেবীকে ভর্তি নেওয়া হয়। চৈতন্যবাবুকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে কিছুক্ষণ পরই দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে পৌঁছয়। দমকলকর্মীরা ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। যদিও ততক্ষণে ওই বাড়ির বেশিরভাগ জিনিস ভস্মীভূত হয়ে যায়।
ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া মহিলা বলেন, পাশের ঘরেই তিন বছরের মেয়েকে নিয়ে আমি একা থাকি। হঠাৎ দেখি, ঘরের একপাশ দাউ দাউ করে জ্বলছে। কী করব বুঝতে না পেরে প্রথমে আমার গ্যাস সিলিন্ডারটা টেনে বের করি। তারপর ঘুমন্ত মেয়েকে কোলে নিয়ে দৌড়ে বেরিয়ে আসি। ততক্ষণে আগুন আমার ঘরের একটা অংশেও ছড়িয়ে পড়েছে। দাদা-বৌদিকে কোনওমতে উদ্ধার করা হয়েছে। রানাঘাট দমকলকেন্দ্রের সাব-অফিসার সৌমেন দে বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে। গ্যাস লিক করেই আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। আমরা পৌঁছনোর আগেই স্থানীয়রা ওই দম্পতিকে উদ্ধার করেন। না হলে আরও বড় বিপদ হতে পারত।
সম্পর্কিত সংবাদ