Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গঙ্গারামপুরে সিডিপিও পদে বহাল দুই আধিকারিক, প্রশ্ন  

গঙ্গারামপুরে সিডিপিও পদে বহাল দুই আধিকারিক, প্রশ্ন
 
  • ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: এক বছরের বেশি সময় ধরে গঙ্গারামপুর ব্লকে দু’জন সিডিপিও বহাল একই প্রজেক্টে। অভিযোগ, দিব্যি বেতন তুলছেন আধিকারিকরা। প্রশাসনের আধিকারিকরাই বলছেন, এক ব্লকে দু’জন সিডিপিও থাকার কথা নয়। জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা পুরো বিষয়টি জানলেও কোনও পদক্ষেপ করছেন না বলে অভিযোগ।  দক্ষিণ দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি) হারিস রশিদ বলেন, বিষয়টি উপরমহলে জানানো হয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে। 
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের মে মাসে গঙ্গারামপুর ব্লকের সিডিপিও রতনচন্দ্র বর্মনের পোস্টিং অর্ডার হয় আলিপুরদুয়ারের কালচিনি ব্লকে। গঙ্গারামপুরে আনা হয় হাওড়া জেলার বাগনান (২) ব্লক থেকে শাহিন খন্দকারকে। গঙ্গারামপুর ব্লকে সিডিপিও হিসেবে শাহিন কাজে যোগ দেন। কিন্তু শাহিনকে কাজের দায়িত্বভার ছাড়েননি রতন। তাঁর নতুন কর্মস্থল কালচিনিতেও কাজে যোগ দেননি। একই ব্লকে দুই সিডিপিও থেকে যাওয়ায় শুরু হয় দ্বন্দ্ব। 
অভিযোগ, গঙ্গারামপুরের একই প্রজেক্ট থেকে দুই আধিকারিক সরকারি বেতন তুলতে থাকেন প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে। পুরো বিষয়টি জানার পর প্রশাসন গঙ্গারামপুরের সিডিপিও রতনের নামে সিঙ্গেল পোস্টিং অর্ডার করে জানুয়ারি ২০২৪ সালে। তাতেও চিঁড়ে ভেজেনি। তারপরও  কোন জাদুবলে রতন গঙ্গারামপুরে রয়ে গিয়েছেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। অভিযোগ, আগের সিডিপিও দায়িত্বভার হস্তান্তর না করায় অফিস না করেই মাইনে পাচ্ছেন শাহিন। জেলা প্রশাসন কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না, উঠছে প্রশ্ন। ফোন না তোলায় শাহিন খন্দকারের কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। মেসেজের উত্তর দেননি তিনি। গঙ্গারামপুরের সিডিপিও রতনচন্দ্র বর্মন বলেন, আমার পোস্টিং হয়ে গিয়েছে। কিন্তু জেলা প্রশাসন আমাকে ছাড়ছে না। আমি কাকে দায়িত্ব দিয়ে যাব? যিনি দায়িত্ব পেয়েছেন, কাজে যোগ দিয়েই ছুটিতে আছেন। 
নিয়ম অনুযায়ী দু’জন একই র‌্যাঙ্কের আধিকারিক একই পদে থেকে তিনমাসের বেশি বেতন নিতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে সার্ভিস রুল ভাঙা হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে কী করে দু’জন প্রায় একবছর বেতন পেয়েছেন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন আধিকারিক শাহিন এক বছর ছুটিতে থেকেও বেতন নিয়েছেন গত অক্টোবর মাস পর্যন্ত। সেজন্য দায়িত্ব হস্তান্তর করতে পারেননি বলে দাবি রতনের। এপ্রসঙ্গে এডিএম হারিস বলেন, শাহিন কাজে যোগ দিচ্ছেন না। সেজন্য বেতন বন্ধ করার নোটিস দিয়েছেন মহকুমা শাসক। শাহিন যোগ দিলে তপনকে বদলি করা হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ