সোমেন পাল, গঙ্গারামপুর: গঙ্গারামপুরে চেয়ারম্যান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট তৃতীয় বর্ষে পা রাখল। গঙ্গারামপুর হাইস্কুল মাঠে দুদিনের দিবারাত্রি ১৬ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে চৈতালি ক্লাব। প্রত্যেক বছরের মত এবারও সাড়ম্বরে খেলার উদ্বোধন করেন গঙ্গারামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র।
Advertisement
পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত বরাবরই ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ। শহরে যে কোনও প্রান্তে যে কোনও ধরনের টুর্নামেন্ট হলেই খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে মাঠে পৌঁছে যান। চেয়ারম্যানের প্রতি উদ্বুদ্ধ হয়েই স্থানীয় চৈতালি ক্লাব ফুটবল টুর্নামেন্টের নাম রেখেছে চেয়ারম্যান কাপ। প্রথমদিন ফুটবল খেলা দেখতে হাইস্কুল মাঠে দর্শকদের ভিড় উপচে পড়ে। ১০ জানুয়ারি চেয়ারম্যান কাপ উপলক্ষ্যে সমাজসেবা মূলক কাজ করেছে ক্লাবটি। ক্লাবের তরফে রক্তদান শিবির হয়েছে। দুঃস্থদের জন্য স্বাস্থ্য শিবির হয়। সন্ধ্যায় শীতবস্ত্র বিলি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হয়।
এদিন প্রথম টুর্নামেন্টে অংশ নেয় বুনিয়াদপুর একাদশ বনাম মর্নিং ইলেভেন। ৩/২ গোলে জয়ী হয় মর্নিং ইলেভেন। ফাইনাল রবিবারে রাতে। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের ১৬ টি দল টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে।
চেয়ারম্যান কাপে জয়ী দলকে ট্রফির সঙ্গে ১ লক্ষ টাকা ও রানার্স দলকে ট্রফির সঙ্গে ৭০ হাজার টাকা দিয়ে পুরস্কৃত করা হবে। থাকবে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার।
পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, তিনবছর ধরে স্থানীয় ক্লাব কর্তৃপক্ষ আমার কাছে টুর্নামেন্টের জন্য আসে। আমি কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করি। যুব ও নতুন প্রজন্মকে মাঠমুখী করতে আমরা সবসময় চেষ্টা করি।
টুর্নামেন্ট খেলার মাধ্যমে যুবসমাজ অনুপ্রাণিত হয়ে মাঠে নামবে বলেই আমরা বিশ্বাস করি। ক্লাবের সদস্য বাপাই বসু বলেন, আমরা যুবসমাজকে মাঠমুখী করার উদ্যোগ নিচ্ছি নানাভাবে। খেলার পাশাপাশি শহরে সমাজসেবা মূলক কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।
এদিন প্রথম টুর্নামেন্টে অংশ নেয় বুনিয়াদপুর একাদশ বনাম মর্নিং ইলেভেন। ৩/২ গোলে জয়ী হয় মর্নিং ইলেভেন। ফাইনাল রবিবারে রাতে। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের ১৬ টি দল টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে।
চেয়ারম্যান কাপে জয়ী দলকে ট্রফির সঙ্গে ১ লক্ষ টাকা ও রানার্স দলকে ট্রফির সঙ্গে ৭০ হাজার টাকা দিয়ে পুরস্কৃত করা হবে। থাকবে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার।
পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, তিনবছর ধরে স্থানীয় ক্লাব কর্তৃপক্ষ আমার কাছে টুর্নামেন্টের জন্য আসে। আমি কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করি। যুব ও নতুন প্রজন্মকে মাঠমুখী করতে আমরা সবসময় চেষ্টা করি।
টুর্নামেন্ট খেলার মাধ্যমে যুবসমাজ অনুপ্রাণিত হয়ে মাঠে নামবে বলেই আমরা বিশ্বাস করি। ক্লাবের সদস্য বাপাই বসু বলেন, আমরা যুবসমাজকে মাঠমুখী করার উদ্যোগ নিচ্ছি নানাভাবে। খেলার পাশাপাশি শহরে সমাজসেবা মূলক কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।



