সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বড়দিন উপলক্ষ্যে গঙ্গারামপুরের কালীতলা এলাকায় বাজিমাত করছে নলেন গুড় ও আমসত্ত্বের কেক। শীত পড়তেই নলেন গুড়ের মিষ্টির চাহিদা তুঙ্গে থাকে। এর পাশাপাশি নলেন গুড়কে অস্ত্র করে কেক শিল্পে অভিনবত্ব এনেছেন গঙ্গারামপুরের কেক প্রস্তুতকারকরা। মালদহের বিখ্যাত আমসত্ত্ব দিয়ে তৈরি কেক অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এলাকায়। বড়দিন এবং নতুন বছরে ভালো ব্যবসার আশায় বুক বাঁধছেন গঙ্গারামপুরের কেক ব্যবসায়ীরা।
Advertisement
কেক প্রস্তুতকারীদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, এবার ডিম ছাড়া নলেন গুড়ের কেক তৈরি করা হচ্ছে। তাছাড়া টক, ঝাল কেকও রয়েছে তালিকায়। ২০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে মিলছে সুস্বাদু কেক। বুনিয়াদপুর শহরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকার এক কেক ব্যবসায়ী নলেন গুড়ের ও ঝাল ক্ষীরের কেক প্রস্তুত করে বড়দিনের বাজার ধরতে বিশাল আয়োজন করেছেন। ভেজ ও ননভেজ কেকের ব্যবস্থা রেখেছেন তিনি।
গঙ্গারামপুরের কালীতলা এলাকার বেকারির মালিক অমিত দাস বলেন, বড়দিন ও নতুন বছর উপলক্ষ্যে কেকের চাহিদা তুঙ্গে থাকে। জেলার কেকের চাহিদার বড় অংশ গঙ্গারামপুরের বেকারি থেকেই পাইকারি দামে বিক্রি হয়। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কেকের অর্ডার দিয়েছে। এবার কিছুটা ভালো ব্যবসা হবে আশায় রয়েছি। সম্পূর্ণ অর্গানিক মশলা ব্যবহার করে নলেন গুড়, আমসত্ত্ব দিয়ে কেক তৈরি হচ্ছে। স্বাদ মিলবে টক, ঝাল, মিষ্টি। গতানুগতিক ডিমের কেক সকলেই খান সারা বছর। এবার নলেন গুড়ের কেক সাড়া ফেলেছে জেলায়।
বুনিয়াদপুরের কেক ব্যবসায়ী রাজকুমার ঘোষের কথায়, আমাদের প্রতিষ্ঠানে বড়দিন উপলক্ষ্যে ক্ষীরের কেকের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সাধারণ কেক সকলেই খান। কেক শিল্পে ক্ষীরের ব্যবহার একদম নতুন। ভোজনরসিকরা আশাকরি স্বাদ উপভোগ করবেন।
গঙ্গারামপুরের কালীতলা এলাকার বেকারির মালিক অমিত দাস বলেন, বড়দিন ও নতুন বছর উপলক্ষ্যে কেকের চাহিদা তুঙ্গে থাকে। জেলার কেকের চাহিদার বড় অংশ গঙ্গারামপুরের বেকারি থেকেই পাইকারি দামে বিক্রি হয়। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কেকের অর্ডার দিয়েছে। এবার কিছুটা ভালো ব্যবসা হবে আশায় রয়েছি। সম্পূর্ণ অর্গানিক মশলা ব্যবহার করে নলেন গুড়, আমসত্ত্ব দিয়ে কেক তৈরি হচ্ছে। স্বাদ মিলবে টক, ঝাল, মিষ্টি। গতানুগতিক ডিমের কেক সকলেই খান সারা বছর। এবার নলেন গুড়ের কেক সাড়া ফেলেছে জেলায়।
বুনিয়াদপুরের কেক ব্যবসায়ী রাজকুমার ঘোষের কথায়, আমাদের প্রতিষ্ঠানে বড়দিন উপলক্ষ্যে ক্ষীরের কেকের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সাধারণ কেক সকলেই খান। কেক শিল্পে ক্ষীরের ব্যবহার একদম নতুন। ভোজনরসিকরা আশাকরি স্বাদ উপভোগ করবেন।



