নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: গঙ্গার দূষণ রোধে এবার ‘ন্যাচরাল ফার্মিং’ এর উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে চাষের জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার, কীটনাশক গঙ্গার জলে না মেশে। সেই উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়িত করতে চাষিদের নিয়ে ক্লাস্টার তৈরি করা হচ্ছে। সেই সমস্ত ক্লাস্টারে থাকা চাষিরা চাষের কাজে, গঙ্গার জলের ক্ষতি করবে এমন কোনও উপাদান ব্যবহার করবেন না। মূলত গাঙ্গেয় অববাহিকার এলাকাগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে। নদীয়ার পাশাপাশি আর যে সমস্ত জেলার উপর দিয়ে গঙ্গা বা ভাগীরথী নদী বয়ে গিয়েছে সেখানকার চাষিদের নিয়ে এই কাজ করবে। গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যানের আওতায় রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকার এই কাজ যৌথভাবে করছে। সেইমতো বিভিন্ন জেলা থেকে ব্লক ভিত্তিক প্রাথমিকভাবে তৈরি করা ক্লাস্টারের প্রস্তাবিত রিপোর্ট রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। রাজ্য থেকে তা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানো হবে। কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদন দিলে তবেই জেলা কৃষি দপ্তর ক্লাস্টারের কাজ সচল করবে।
Advertisement
নদীয়া জেলার কৃষি উপ অধিকর্তা জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, ভাগীরথীর তীরবর্তী এলাকায় ন্যাচারাল ফার্মিংয়ের মাধ্যমে কাজ করার ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। তাঁর জন্য ক্লাস্টার তৈরি করা হচ্ছে। গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যানের আওতায় এই কাজ হবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এলেই কাজ শুরু হবে।
গঙ্গাদূষণ এখন দেশের অন্যতম ইস্যু। আড়াই হাজার কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে দক্ষিণবঙ্গের উপর দিয়ে বয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে গঙ্গা। কিন্তু নদীর জলের গুণগতমান আগের অবস্থায় নেই, তা ভালোমতোই জানে সরকার। যা নিয়ে পরিবেশবিদরাও সরব হয়েছেন। প্রায় ৬০০ কিলোমিটার এলাকাকে দূষণের জন্য ‘ডেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গঙ্গা দূষণের জন্য বেশকিছু কারণ রয়েছে। অধিকাংশ জায়গায় কারখানার ও বাড়ির বর্জ্য সরাসরি গঙ্গাতে গিয়ে পড়ে। এর সঙ্গে রয়েছে চাষের জমিতে ব্যবহৃত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার। যা মাটির সঙ্গে মেশে না। বৃষ্টি জলের সঙ্গে তা গঙ্গায় মেশে। সম্প্রতি চাষের জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হচ্ছে। এবার তা নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে সরকার।
জানা গিয়েছে, ভাগীরথীর তীরবর্তী এলাকায় চাষিদের নিয়ে এই ক্লাস্টার তৈরি করা হবে। গঙ্গার তীরবর্তী মোট তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের চাষিদের এই ক্লাস্টারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। প্রতিটি ক্লাস্টার ৫০ হেক্টর জমি জুড়ে থাকবে। ১২৫ থেকে ১৫০ জন চাষিকে নিয়ে একটি ক্লাস্টার তৈরি করা হবে। গঙ্গা থেকে পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই কাজ করা হবে। ক্লাস্টারের সঙ্গে যুক্ত চাষিরা ন্যাচারাল ফার্মিং করবেন।
নদীয়া জেলার এক কৃষি আধিকারিক প্রদীপ বন্দোপাধ্যায় বলেন, ন্যাচারাল ফার্মিং এবং অর্গানিক ফার্মিংয়ের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। ন্যাচারাল ফার্মিংয়ের ক্ষেত্রে ফসল প্রাকৃতিক উপায়েই চাষ হয়। সেক্ষেত্রে কোনোও রকম রাসায়নিক সার কিংবা কীটনাশক প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয় না। চাষির জমির গুণগত মানই ফসল উৎপাদনে সাহায্য করে।
কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, নদীয়া জেলার বেশ কিছু ব্লকের উপর দিয়ে গঙ্গা প্রবাহিত হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, কৃষ্ণনগর-২, কৃষ্ণনগর-১ নবদ্বীপ, শান্তিপুর, চাকদহ, কল্যাণী। সেইমতো কল্যাণী বাদে প্রতিটি ব্লকেই ক্লাস্টার তৈরি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ২০টি বেশি ক্লাস্টার তৈরি হয়েছে নদীয়া জেলায়।
গঙ্গাদূষণ এখন দেশের অন্যতম ইস্যু। আড়াই হাজার কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে দক্ষিণবঙ্গের উপর দিয়ে বয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে গঙ্গা। কিন্তু নদীর জলের গুণগতমান আগের অবস্থায় নেই, তা ভালোমতোই জানে সরকার। যা নিয়ে পরিবেশবিদরাও সরব হয়েছেন। প্রায় ৬০০ কিলোমিটার এলাকাকে দূষণের জন্য ‘ডেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গঙ্গা দূষণের জন্য বেশকিছু কারণ রয়েছে। অধিকাংশ জায়গায় কারখানার ও বাড়ির বর্জ্য সরাসরি গঙ্গাতে গিয়ে পড়ে। এর সঙ্গে রয়েছে চাষের জমিতে ব্যবহৃত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার। যা মাটির সঙ্গে মেশে না। বৃষ্টি জলের সঙ্গে তা গঙ্গায় মেশে। সম্প্রতি চাষের জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হচ্ছে। এবার তা নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে সরকার।
জানা গিয়েছে, ভাগীরথীর তীরবর্তী এলাকায় চাষিদের নিয়ে এই ক্লাস্টার তৈরি করা হবে। গঙ্গার তীরবর্তী মোট তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের চাষিদের এই ক্লাস্টারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। প্রতিটি ক্লাস্টার ৫০ হেক্টর জমি জুড়ে থাকবে। ১২৫ থেকে ১৫০ জন চাষিকে নিয়ে একটি ক্লাস্টার তৈরি করা হবে। গঙ্গা থেকে পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই কাজ করা হবে। ক্লাস্টারের সঙ্গে যুক্ত চাষিরা ন্যাচারাল ফার্মিং করবেন।
নদীয়া জেলার এক কৃষি আধিকারিক প্রদীপ বন্দোপাধ্যায় বলেন, ন্যাচারাল ফার্মিং এবং অর্গানিক ফার্মিংয়ের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। ন্যাচারাল ফার্মিংয়ের ক্ষেত্রে ফসল প্রাকৃতিক উপায়েই চাষ হয়। সেক্ষেত্রে কোনোও রকম রাসায়নিক সার কিংবা কীটনাশক প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয় না। চাষির জমির গুণগত মানই ফসল উৎপাদনে সাহায্য করে।
কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, নদীয়া জেলার বেশ কিছু ব্লকের উপর দিয়ে গঙ্গা প্রবাহিত হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, কৃষ্ণনগর-২, কৃষ্ণনগর-১ নবদ্বীপ, শান্তিপুর, চাকদহ, কল্যাণী। সেইমতো কল্যাণী বাদে প্রতিটি ব্লকেই ক্লাস্টার তৈরি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ২০টি বেশি ক্লাস্টার তৈরি হয়েছে নদীয়া জেলায়।



