সংবাদদাতা, মালদহ: গঙ্গা ভাঙন সমস্যা ও তার সমাধান সংক্রান্ত ছয় দফা দাবি নিয়ে এবার মালদহের মহানন্দাটোলা থেকে ফারাক্কা পর্যন্ত জাঠার ডাক দিল দু’টি সংগঠন। গঙ্গা ভাঙন প্রতিরোধ অ্যাকশন নাগরিক কমিটি ও জন আন্দোলন সংগঠন ১৭ থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই জাঠা করবে। এর উদ্দেশ্য, গঙ্গা ভাঙনকে জাতীয় সমস্যা হিসাবে ঘোষণা করে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে স্থায়ী সমাধান করার দাবি জানানো। পাশাপাশি ভাঙন কবলিত মানুষদের পুনর্বাসন ও যথাযথ ক্ষতিপূরণের দাবিও রয়েছে।
Advertisement
গঙ্গা ভাঙন প্রতিরোধ অ্যাকশন নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে তরিকুল ইসলাম, খিদির বক্সদের কথায়, মালদহের ভাঙন কবলিত রতুয়া-১ ব্লকের মহানন্দাটোলা, বিলাইমারি, মানিকচক ব্লকের ভূতনি, মানিকচক, গোপালপুর, ইংলিশবাজারের মিল্কি, কালিয়াচক-১ ব্লকের সুজাপুর, কালিয়াচক, কালিয়াচক-২ ব্লকের পঞ্চানন্দপুর, মোথাবাড়ি এবং কালিয়াচক-৩ ব্লকের বীরনগর এলাকা দিয়ে এই জাঠা এগিয়ে যাবে।
আয়োজকদের বক্তব্য, ভাঙন প্রতিরোধের ক্ষেত্রে বালির বস্তা, পাথর বা বাঁশের ব্যবহার করে যে লাভ হচ্ছে না, তা প্রমাণিত। সুতরাং স্থায়ী ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক মোসারেকুল আনোয়ারের কথায়, কয়েক দফা দাবি রয়েছে আমাদের। আমরা চাই, গঙ্গা ভাঙনকে জাতীয় বিপর্যয় হিসাবে ঘোষণা করে বিজ্ঞানসমত ও স্থায়ী সমাধান করুক কেন্দ্র ও রাজ্য। ফারাক্কা ব্যারেজ প্রকল্প হওয়ার ৫০ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। সুতরাং এই প্রকল্পের প্রাসঙ্গিকতা ও প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করে অবিলম্বে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক কেন্দ্র। এছাড়া বামফ্রন্ট সরকারের আমলে ভূমি সংস্কার আইন (১৯৫৫) সংশোধন করে যে ১২ নম্বর ধারা যুক্ত করা হয়েছিল, সেটাও বাতিলের দাবি তুলেছে এই দুই সংগঠন।
আয়োজকদের বক্তব্য, ভাঙন প্রতিরোধের ক্ষেত্রে বালির বস্তা, পাথর বা বাঁশের ব্যবহার করে যে লাভ হচ্ছে না, তা প্রমাণিত। সুতরাং স্থায়ী ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক মোসারেকুল আনোয়ারের কথায়, কয়েক দফা দাবি রয়েছে আমাদের। আমরা চাই, গঙ্গা ভাঙনকে জাতীয় বিপর্যয় হিসাবে ঘোষণা করে বিজ্ঞানসমত ও স্থায়ী সমাধান করুক কেন্দ্র ও রাজ্য। ফারাক্কা ব্যারেজ প্রকল্প হওয়ার ৫০ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। সুতরাং এই প্রকল্পের প্রাসঙ্গিকতা ও প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করে অবিলম্বে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক কেন্দ্র। এছাড়া বামফ্রন্ট সরকারের আমলে ভূমি সংস্কার আইন (১৯৫৫) সংশোধন করে যে ১২ নম্বর ধারা যুক্ত করা হয়েছিল, সেটাও বাতিলের দাবি তুলেছে এই দুই সংগঠন।



