নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: শুধুমাত্র মুর্শিদাবাদ নয়, প্রতিবেশী মালদহেও সক্রিয় বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠনের স্লিপার সেল। একের পর এক ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে বেশকিছু সূত্র পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সেগুলি বিশ্লেষণের পরই স্লিপার সেলের সক্রিয়তার কথা মানছেন তাঁরা।
Advertisement
কালিয়াচক থেকে সম্প্রতি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার হয়েছে। এর সঙ্গে মাদকের বেলাগাম কারবার এবং জালনোটের আমদানি ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের। তাই সীমান্তবর্তী এবং গঙ্গা তীরবর্তী অঞ্চলগুলিতে বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে।
গোয়েন্দাদের বক্তব্য, অতীতে বিভিন্ন সময় মালদহে বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন জেএমবি’র (জামাত উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ) স্লিপার সেলের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। খাগড়াগড় কাণ্ডের সময় তার অস্তিত্ব সামনে এসেছিল। মাঝে কয়েক বছর স্লিপার সেল নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছিল, কারণ সেলের সদস্যরা নাম ভাঁড়িয়ে ভিনরাজ্যে চলে যায়।
এবার বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আরেকটি জঙ্গি সংগঠন এবিটি (আনসারুল্লাহ বাংলা টিম) সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তাদের দৌলতেই পুরানো স্লিপার সেলগুলি ফের সক্রিয় হয়ে উঠছে বলে গোয়েন্দারা মনে করছেন।
গোয়েন্দাদের ব্যাখ্যা,কালিয়াচক-৩ নম্বর ব্লকের চরিঅনন্তপুর সহ আকন্দবাড়িয়া, গোলাপগঞ্জ, কুম্ভিরা, বাখরাবাধ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাগুলিতে কয়েকবার ভারতীয় জালনোট পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে এই জালনোটের কারবার নিয়ন্ত্রণ করছে এবিটি। কারণ জালনোট এপারে পাঠিয়ে ভারতীয় অর্থনীতিকে দুর্বল করতে চাইছে তারা। এছাড়া তাদের দ্বিতীয় অন্যতম উদ্দেশ হল জালনোটের কমিশন থেকে স্লিপার সেলের রসদ জোগানো। অর্থাৎ স্লিপার সেলের প্রশিক্ষণ, বোমা তৈরি ও অস্ত্র কিনতে টাকার কোনও সমস্যা হবে না। এর থেকেই গোয়েন্দাদের স্লিপার সেলের সক্রিয় হওয়ার তত্ত্ব পোক্ত হয়েছে।
মালদহের পুলিস সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, পুলিস সতর্ক আছে। সীমান্ত লাগোয়া থানাগুলিতে নাকা চেকিং চলছে।
মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান সংলগ্ন গঙ্গা তীরবর্তী পারদেওয়াপুর, শোভাপুর, বৈষ্ণবনগর ছাড়াও ঝাড়খণ্ডের রাজমহল সংলগ্ন মানিকচকের ভূতনির চর, হবিবপুর ও বামনগোলা ব্লকের বেশকিছু গ্রামও গোয়েন্দাদের আতসকাচের নীচে।
ধুলিয়ানে ইতিমধ্যে জঙ্গিদের একটা মডিউল পাওয়া গিয়েছে। সন্দেহ, ধুলিয়ান মডিউলের সদস্যরা পারদেওনাপুর, শোভাপুর, বৈষ্ণবনগরে নিয়মিত যাতায়াত করত এবং শেল্টার নিত। বিভিন্নভাবে মানুষকে মগজধোলাইয়ের চেষ্টা এবং পুরানো স্লিপার সেলকে সক্রিয় করার চেষ্টা করত তারা।
কালিয়াচক, হবিবপুরের খোলা সীমান্ত দিয়ে ওপার থেকে জঙ্গিরা এদেশে প্রবেশ করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। অসম-বাংলার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডেও জেএমবি জঙ্গিদের যোগ পাওয়া গিয়েছে। তাই বেশকিছু নির্জন ও দুর্গম চরে স্লিপার সেলের আনাগোনা আছে বলেও অনুমান করছেন গোয়েন্দারা। কারণ গঙ্গা দিয়ে সহজেই ঝাড়খণ্ড ও বিহার চলে যাওয়া যায়। কাজেই স্লিপার সেলের সক্রিয়তা এবং অনুপ্রবেশ রুখতে এখন সব রাস্তা বন্ধ করতে চাইছেন গোয়েন্দারা।
গোয়েন্দাদের বক্তব্য, অতীতে বিভিন্ন সময় মালদহে বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন জেএমবি’র (জামাত উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ) স্লিপার সেলের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। খাগড়াগড় কাণ্ডের সময় তার অস্তিত্ব সামনে এসেছিল। মাঝে কয়েক বছর স্লিপার সেল নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছিল, কারণ সেলের সদস্যরা নাম ভাঁড়িয়ে ভিনরাজ্যে চলে যায়।
এবার বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আরেকটি জঙ্গি সংগঠন এবিটি (আনসারুল্লাহ বাংলা টিম) সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তাদের দৌলতেই পুরানো স্লিপার সেলগুলি ফের সক্রিয় হয়ে উঠছে বলে গোয়েন্দারা মনে করছেন।
গোয়েন্দাদের ব্যাখ্যা,কালিয়াচক-৩ নম্বর ব্লকের চরিঅনন্তপুর সহ আকন্দবাড়িয়া, গোলাপগঞ্জ, কুম্ভিরা, বাখরাবাধ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাগুলিতে কয়েকবার ভারতীয় জালনোট পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে এই জালনোটের কারবার নিয়ন্ত্রণ করছে এবিটি। কারণ জালনোট এপারে পাঠিয়ে ভারতীয় অর্থনীতিকে দুর্বল করতে চাইছে তারা। এছাড়া তাদের দ্বিতীয় অন্যতম উদ্দেশ হল জালনোটের কমিশন থেকে স্লিপার সেলের রসদ জোগানো। অর্থাৎ স্লিপার সেলের প্রশিক্ষণ, বোমা তৈরি ও অস্ত্র কিনতে টাকার কোনও সমস্যা হবে না। এর থেকেই গোয়েন্দাদের স্লিপার সেলের সক্রিয় হওয়ার তত্ত্ব পোক্ত হয়েছে।
মালদহের পুলিস সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, পুলিস সতর্ক আছে। সীমান্ত লাগোয়া থানাগুলিতে নাকা চেকিং চলছে।
মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান সংলগ্ন গঙ্গা তীরবর্তী পারদেওয়াপুর, শোভাপুর, বৈষ্ণবনগর ছাড়াও ঝাড়খণ্ডের রাজমহল সংলগ্ন মানিকচকের ভূতনির চর, হবিবপুর ও বামনগোলা ব্লকের বেশকিছু গ্রামও গোয়েন্দাদের আতসকাচের নীচে।
ধুলিয়ানে ইতিমধ্যে জঙ্গিদের একটা মডিউল পাওয়া গিয়েছে। সন্দেহ, ধুলিয়ান মডিউলের সদস্যরা পারদেওনাপুর, শোভাপুর, বৈষ্ণবনগরে নিয়মিত যাতায়াত করত এবং শেল্টার নিত। বিভিন্নভাবে মানুষকে মগজধোলাইয়ের চেষ্টা এবং পুরানো স্লিপার সেলকে সক্রিয় করার চেষ্টা করত তারা।
কালিয়াচক, হবিবপুরের খোলা সীমান্ত দিয়ে ওপার থেকে জঙ্গিরা এদেশে প্রবেশ করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। অসম-বাংলার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডেও জেএমবি জঙ্গিদের যোগ পাওয়া গিয়েছে। তাই বেশকিছু নির্জন ও দুর্গম চরে স্লিপার সেলের আনাগোনা আছে বলেও অনুমান করছেন গোয়েন্দারা। কারণ গঙ্গা দিয়ে সহজেই ঝাড়খণ্ড ও বিহার চলে যাওয়া যায়। কাজেই স্লিপার সেলের সক্রিয়তা এবং অনুপ্রবেশ রুখতে এখন সব রাস্তা বন্ধ করতে চাইছেন গোয়েন্দারা।



