সংবাদদাতা, পতিরাম: বালুরঘাটের ঐতিহ্যবাহী বোল্লা মেলার শেষ দিনেও ভিড় উপচে পড়ল। সোমবার সকাল থেকে বহু ভক্ত আসেন পুজো দিতে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে প্রতিমা দর্শন। বিকেল থেকে শুরু হয় বোল্লাকালীর বিসর্জনের প্রস্তুতি। শেষদিনেও মাকে শেষবার দেখতে পুলিসের কাছে আর্জি রাখলেন ভক্তরা। ব্যারিকেডে ঘেরার বাইরে থেকেই প্রতিমা নিরঞ্জন দেখলেন ভক্তরা। দুপুরের পরেই মন্দির থেকে বের করে আনা হয় বোল্লাকালীকে। এরপরেই ঢাকের আওয়াজে মুখরিত হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। বিকেলে পাশের পুকুরে নিয়ে যাওয়া হয় বোল্লাকালীকে।
Advertisement
সেখানেই গয়না খোলা শুরু হয়। প্রায় ২০কেজির বেশি গয়না খুলে ফের সংরক্ষণ করে রাখা হয়।
পুলিসের কড়া নিরাপত্তায় মায়ের গয়না খোলার পরেই দেওয়া হয় বিসর্জন। বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, বিসর্জন ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কড়া নিরাপত্তাতেই চলে বিসর্জন।
পুজো কমিটির সদস্য স্বর্ণেন্দু মণ্ডল বলেন, শেষদিনেও পুজো দিতে দূরদূরান্ত থেকে মানুষজন আসেন। তবে বিকেলে মন খারাপের সঙ্গেই মায়ের বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে।
উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ থেকে আসা এক ভক্ত বাবাই দে বলেন, গত দু’দিন নানা কাজে ব্যস্ত ছিলাম। আসতে পারিনি। শেষদিনে মায়ের দর্শন করলাম।
শুক্রবার রাতে বোল্লা কালীর পুজো শুরু হয়। শনিবার ও রবিবার চলে মেলা। সোমবারও ব্যাপক ভিড় হয়। চারদিনে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছে। এদিন বিকেলে মূল প্রতিমা বিসর্জনের পরেই শুরু হয় মানতের প্রতিমা বিসর্জন। দু’হাজারের বেশি প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।
পুলিসের কড়া নিরাপত্তায় মায়ের গয়না খোলার পরেই দেওয়া হয় বিসর্জন। বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, বিসর্জন ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কড়া নিরাপত্তাতেই চলে বিসর্জন।
পুজো কমিটির সদস্য স্বর্ণেন্দু মণ্ডল বলেন, শেষদিনেও পুজো দিতে দূরদূরান্ত থেকে মানুষজন আসেন। তবে বিকেলে মন খারাপের সঙ্গেই মায়ের বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে।
উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ থেকে আসা এক ভক্ত বাবাই দে বলেন, গত দু’দিন নানা কাজে ব্যস্ত ছিলাম। আসতে পারিনি। শেষদিনে মায়ের দর্শন করলাম।
শুক্রবার রাতে বোল্লা কালীর পুজো শুরু হয়। শনিবার ও রবিবার চলে মেলা। সোমবারও ব্যাপক ভিড় হয়। চারদিনে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছে। এদিন বিকেলে মূল প্রতিমা বিসর্জনের পরেই শুরু হয় মানতের প্রতিমা বিসর্জন। দু’হাজারের বেশি প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।



