সংবাদদাতা, বর্ধমান: টোটো চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গলসি থানার পুলিস এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম বাদশা মেটে। তার বাড়ি বুদবুদ থানার মানকর উত্তর ক্যানেলপাড় এলাকায়। বৃহস্পতিবার রাতে গলসি থানার পারাজ স্টেশন বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত যুবক টোটো চুরিতে জড়িত থাকার কথা কবুল করেছে বলে পুলিসের দাবি। শুক্রবার তাকে বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। টোটো উদ্ধার করতে পুলিস ধৃতকে পাঁচদিন হেফাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতের একদিনের পুলিসি হেফাজত মঞ্জুর করেন।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, গলসি স্টেশন রোড এলাকার বাসিন্দা কুশ বাউরি মাসখানেক আগে একটি টোটো কেনেন। ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে তিনি টোটোটি বাড়ির সামনে চার্জে বসান। পরদিন ভোরে দেখেন, টোটোটি সেখান থেকে গায়েব হয়ে গিয়েছে। খোঁজাখুঁজি করেও টোটোর হদিশ না পেয়ে বুধবার তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থল ও তার আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে। ফুটেজ দেখে ঘটনায় বাদশার জড়িত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হয় পুলিস।
গলসিতে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২: গলসিতে মহিলাকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত অপরজনকেও পুলিস গ্রেপ্তার করল। ধৃতের নাম দিলীপ মারিয়া। তার আদি বাড়ি দেওয়ানদিঘি থানার চামারদিঘিতে। বর্তমানে সে গলসি থানার বেলগ্রামের ক্যানেলপাড় এলাকায় থাকে। পুলিস এর আগে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বাপি বাগদি ওরফে বাগকে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার আদালত তার চারদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। হেফাজতে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস বিভিন্ন সম্ভাব্য জায়গায় তল্লাশি চালায়। রাতে তাকে সঙ্গে নিয়ে জিআরপির সাহায্যে বোলপুর স্টেশনের ১নম্বর প্লাটফর্ম থেকে দিলীপকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতকে শুক্রবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। পুলিস তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতকে সাতদিন হেফাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম তাকে পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিস জানিয়েছে, ওই মহিলার বাড়ি গলসি থানা এলাকায়। তাঁর স্বামী কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। ঘটনাটি ঘটে ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে। মহিলা ঘরে একা শুয়েছিলেন। সেই সময় জানলা ভেঙে দু’জন ঘরে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণ করে। মহিলা তাদের বাধা দেন। মহিলার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এলে তারা পালিয়ে যায়। ঘটনার দিনই মহিলা দু’জনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তাদের নামও জানান তিনি। পুলিস মহিলার বয়ান ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আগেই নথিভুক্ত করিয়েছে।
গলসিতে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২: গলসিতে মহিলাকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত অপরজনকেও পুলিস গ্রেপ্তার করল। ধৃতের নাম দিলীপ মারিয়া। তার আদি বাড়ি দেওয়ানদিঘি থানার চামারদিঘিতে। বর্তমানে সে গলসি থানার বেলগ্রামের ক্যানেলপাড় এলাকায় থাকে। পুলিস এর আগে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বাপি বাগদি ওরফে বাগকে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার আদালত তার চারদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। হেফাজতে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস বিভিন্ন সম্ভাব্য জায়গায় তল্লাশি চালায়। রাতে তাকে সঙ্গে নিয়ে জিআরপির সাহায্যে বোলপুর স্টেশনের ১নম্বর প্লাটফর্ম থেকে দিলীপকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতকে শুক্রবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। পুলিস তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতকে সাতদিন হেফাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম তাকে পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিস জানিয়েছে, ওই মহিলার বাড়ি গলসি থানা এলাকায়। তাঁর স্বামী কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। ঘটনাটি ঘটে ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে। মহিলা ঘরে একা শুয়েছিলেন। সেই সময় জানলা ভেঙে দু’জন ঘরে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণ করে। মহিলা তাদের বাধা দেন। মহিলার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এলে তারা পালিয়ে যায়। ঘটনার দিনই মহিলা দু’জনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তাদের নামও জানান তিনি। পুলিস মহিলার বয়ান ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আগেই নথিভুক্ত করিয়েছে।



