সংবাদদাতা, বর্ধমান: কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে গলসি থানার পুলিস। ধৃতের নাম রাজেশ মাঝি। তার বাড়ি গলসি থানার জাঁহাপুরে। মঙ্গলবার সকালে জাঁহাপুর বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার হেফাজত থেকেই উদ্ধার হয় অপহৃতা কিশোরী। পুলিস জানিয়েছে, গলসি থানা এলাকার বছর পনেরোর ওই কিশোরী রবিবার রাতে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে। তারপর থেকে তার হদিশ মিলছিল না। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিয়ে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন, রাজেশ তাকে অপহরণ করে আটকে রেখেছে।
Advertisement
মাধবডিহিতে ধৃত স্বামী: মাধবডিহি থানার ছোটবৈনানে শ্বশুরবাড়িতে বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় তাঁর স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতের নাম চয়ন সাঁতরা। মঙ্গলবার ভোররাতে মাধবডিহি থানার লোহাই বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতকে এদিনই বর্ধমান সিজেএম আদালতে তোলা হলে বিচারক জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিস জানিয়েছে, বছর তিনেক আগে হুগলির গোঘাট থানার মথুরা গ্রামের বাসিন্দা শ্যামল সাঁতরার মেয়ে বৈশাখীর সঙ্গে চয়নের বিয়ে হয়েছিল। তাদের একটি বছর দেড়েকের মেয়েও আছে। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে শ্বশুরবাড়িতে তাঁর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয়। সোমবার ভোররাতে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।
বর্ধমানে ধৃত ২: আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমান থানার পুলিস। ধৃতদের নাম রোহিত সাউ ও মহব্বত আলি খান ওরফে মুন্না। মঙ্গলবার ভোররাতে গোদা এলাকায় জাতীয় সড়কের পাশ থেকে তাদের ধরা হয়। কিছুদিন আগে আঁজিরবাগান এলাকায় জাতীয় সড়কের পাশে একটি রাইসমিলের কাছ থেকে চারজনকে ধরে পুলিস। ধৃতদের কাছ থেকে এক রাউন্ড গুলি সহ একটি রিভলভার, লাঠি, নাইলনের দড়ি প্রভৃতি উদ্ধার হয়। জাতীয় সড়ক ধরে যাতায়াত করা গাড়িতে লুটপাট চালানোর পরিকল্পনায় দলটি সেখানে জড়ো হয়েছিল বলে পুলিসের অনুমান। সেদিন পলাতকদের মধ্যে রোহিত ও মহবত ছিল বলে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জেনেছে পুলিস।
বর্ধমানে ধৃত ২: আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমান থানার পুলিস। ধৃতদের নাম রোহিত সাউ ও মহব্বত আলি খান ওরফে মুন্না। মঙ্গলবার ভোররাতে গোদা এলাকায় জাতীয় সড়কের পাশ থেকে তাদের ধরা হয়। কিছুদিন আগে আঁজিরবাগান এলাকায় জাতীয় সড়কের পাশে একটি রাইসমিলের কাছ থেকে চারজনকে ধরে পুলিস। ধৃতদের কাছ থেকে এক রাউন্ড গুলি সহ একটি রিভলভার, লাঠি, নাইলনের দড়ি প্রভৃতি উদ্ধার হয়। জাতীয় সড়ক ধরে যাতায়াত করা গাড়িতে লুটপাট চালানোর পরিকল্পনায় দলটি সেখানে জড়ো হয়েছিল বলে পুলিসের অনুমান। সেদিন পলাতকদের মধ্যে রোহিত ও মহবত ছিল বলে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জেনেছে পুলিস।



