Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গোলাপে হানা দেয়নি ভাইরাস, খুশি চাষি থেকে প্রেমিক যুগল

গোলাপে হানা দেয়নি ভাইরাস, খুশি চাষি থেকে প্রেমিক যুগল
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: বছরের আর পাঁচটা দিন আলাদা হলেও প্রেম দিবসে লাল গোলাপ চাই-ই-চাই। প্রতিবছর বসন্তে প্রেমিক-প্রেমিকারা ভালোবাসার অনুভূতি বোঝাতে গোলাপ ফুল একে অপরকে দিয়ে থাকে। তবে প্রেমিক-প্রেমিকাদের মুখে হাসি ফোটার আগেই ভ্যালেন্টাইনস ডে-র আগে গোলাপ চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। এবছর গোলাপ ফুলে ভাইরাসের আক্রমণ না হওয়ায় ফলনের পরিমাণও বেশি। ছবিটা পিংলা বিধানসভার জকপুর এলাকার। এই এলাকার ফুল বিভিন্ন রাজ্যের পাশাপাশি ভিনদেশেও যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, এই সময় বৃষ্টি না হওয়ায় গোলাপ চাষে কোনও ক্ষতি হয়নি। সামান্য বৃষ্টি হলেই গোলাপ ফুলে নানা ধরনের ভাইরাসের আক্রমণ হয়। আর তাতে গোলাপ ফুলের ক্ষতি হয়। গত বছরও ভাইরাসের আক্রমণে গোলাপ ফুলের ক্ষতি হয়েছিল। 
Advertisement
গোলাপ চাষি মলয় মান্না বলেন, এই সময় লাল গোলাপের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। শেষ কয়েকটি সিজনে বিশেষ ভাইরাসের আক্রমণে ফুল নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। খুবই সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। এবছর বৃষ্টি হলেই ফের সমস্যা দেখা দেবে। ফুলের দাম মাঝে একদমই পড়ে গিয়েছিল। এখন ঠিক আছে। এবছর ভালোই ফুল হচ্ছে। এতে আমরা খুশি। 
এদিন মেদিনীপুর শহরে গোলাপ ফুল কিনতে এসেছিলেন সঞ্জয় পাত্র। তিনি বলেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেনটাইন ডে উপলক্ষে গোলাপ ফুলের দাম বেশি থাকবে। তাই প্রেমিকাকে আগাম ফুল দিচ্ছি। এবার দেখছি ফুলের মান খুবই ভালো। ভালো গন্ধ রয়েছে। 
প্রসঙ্গত, গোটা ফেব্রুয়ারি মাসেই গোলাপের  চাহিদা সব থেকে বেশি থাকে। আর ভালোবাসার মরশুমে গোলাপ ফুলের জুড়ি মেলা ভার। গত ৭ ফেব্রুয়ারি রোজ ডে দিয়ে ভালোবাসার সপ্তাহ শুরু হয়। ওই দিনও গোলাপ ফুলের ব্যাপক চাহিদা ছিল। এখানকার পাশাপাশি বেঙ্গালুরু থেকেও প্রচুর গোলাপ ফুল আসছে। স্থানীয় গোলাপ চাষিদের একাংশের বক্তব্য, বাইরের রাজ্যের সস্তার গোলাপ বাজারে আসায় এখানকার গোলাপের চাহিদা কিছুটা কমেছে। 
ফুলচাষি দিলীপ হাজরা বলেন, পাইকারি বাজারে গোলাপ ফুলের প্রতিটি স্টিক কখনও ৫০ পয়সা আবার কখনও আড়াই টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এখন আবহাওয়া ভালো রয়েছে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ