নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: চণ্ডীপুরে বাড়ির ভেতর থেকে এক বিধবা মহিলার ফাঁস লাগানো দেহ উদ্ধার ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। মেঝের মধ্যে ওই মহিলার দেহ পড়েছিল। গলায় ছিল শাড়ির ফাঁস। দুই কান দিয়ে রক্ত গড়াচ্ছিল। চণ্ডীপুর থানার জলপাই গ্রাম পঞ্চায়েতের মাজনাবেড়িয়া গ্রামে ৪৬ বছর বয়সি ওই বিধবা মহিলার দেহ উদ্ধারের পরই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। রবিবার সন্ধ্যা নাগাদ খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে যায়। দেহ উদ্ধার করে প্রথমে এড়াশাল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণার পর ময়নাতদন্ত করতে দেহ তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। সোমবার সেই দেহের ময়নাতদন্ত হয়। ওই বিধবা মহিলাকে খুন করা হয়েছে বলে একপ্রকার নিশ্চিত সকলেই। খুনের আগে তাঁর উপর শারীরিক নির্যাতন হয়েছে কিনা তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
Advertisement
প্রায় কুড়ি বছর আগে ওই মহিলার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। মহিলার এক ছেলে এবং এক মেয়ে। তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। ছেলে কলকাতায় একটি রেস্টুরেন্টে কাজ করেন। রবিবারও তাঁর ছেলে কলকাতায় ছিলেন। সকালে মৃত মহিলার সঙ্গে ছেলের ফোনে কথা হয়। কিন্তু দুপুরে মাকে ফোন করতে গিয়ে সুইচ অফ পান ছেলে। বিকেলেও মোবাইলের সুইচ অফ থাকায় ওই যুবক এক প্রতিবেশীকে ফোন করে জানান। ওই প্রতিবেশী বিধবার বাড়িতে গিয়ে দেখেন, সামনের দরজা হাট করে খোলা। ভেতরে আলো জ্বলছে, পাখা চলছে। ওই বিধবা মহিলার দেহ মেঝের উপর পড়ে রয়েছে। পরনের শাড়ি এলোমেলো। তার একটি অংশ নিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো রয়েছে। দুই কান গড়িয়ে রক্ত বের হচ্ছে।
প্রতিবেশী ওই দৃশ্য দেখে চিৎকার করে লোকজন জড়ো করেন। খবর পেয়ে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য অরবিন্দ জানা পৌঁছন। তিনি চণ্ডীপুর থানায় খবর দেওয়ার পর পুলিস গ্রামে আসে। অতিরিক্ত পুলিস সুপার (গ্রামীণ) শুভেন্দ্র কুমার এবং চণ্ডীপুর থানার ওসি দীপক অধিকারী ঘটনাস্থলে যান। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে মহিলাকে। এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেন। খবর পেয়ে মেদিনীপুরে বোনের বাড়ি থেকে তড়িঘড়ি ফিরে আসেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা তথা জলপাই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অনিমেষ দাস।
বিজেপির চণ্ডীপুর-১ মণ্ডল কমিটির সভাপতি প্রশান্তকুমার দাস বলেন, মাজনাবেড়িয়ায় ওই বিধবা মহিলাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব এবং পুলিস গোটা ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নিহতের ছেলেকে আটকে রেখেছে। আমরা গ্রামে গিয়েছিলাম। গোটা গ্রাম ঘিরে রেখেছে তৃণমূলের লোকজন। আমরা এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চাইছি।
তৃণমূল কংগ্রেসের কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক তথা জলপাই পঞ্চায়েতের প্রধান অনিমেষবাবু বলেন, কীভাবে মহিলার মৃত্যু হল তার সঠিক তদন্ত হোক। অস্বাভাবিক মৃত্যু হলেই বিজেপির পক্ষ থেকে রাজনীতি করার মরিয়া চেষ্টা চলে। এটা গোটা রাজ্যে ওরা করছে। চণ্ডীপুরের ঘটনাতেও ওরা রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে।
নিহতের ছেলে বলেন, আমি কলকাতায় থাকি। মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে প্রতিবেশীকে ফোন করি। তিনি বাড়ির ভিতরে ঢুকে দেখেন, গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মায়ের দেহ পড়ে রয়েছে। এটা খুন বলেই অনুমান। খুনের আগে মায়ের সঙ্গে খারাপ কিছু হতে পারে। সেটাই সন্দেহ হচ্ছে। চণ্ডীপুর থানার ওসি বলেন, মৃত্যুর কারণ পরিষ্কার নয়। তবে, গলায় শাড়ির ফাঁস ছিল। কান থেকে রক্ত গড়াচ্ছিল।
প্রতিবেশী ওই দৃশ্য দেখে চিৎকার করে লোকজন জড়ো করেন। খবর পেয়ে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য অরবিন্দ জানা পৌঁছন। তিনি চণ্ডীপুর থানায় খবর দেওয়ার পর পুলিস গ্রামে আসে। অতিরিক্ত পুলিস সুপার (গ্রামীণ) শুভেন্দ্র কুমার এবং চণ্ডীপুর থানার ওসি দীপক অধিকারী ঘটনাস্থলে যান। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে মহিলাকে। এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেন। খবর পেয়ে মেদিনীপুরে বোনের বাড়ি থেকে তড়িঘড়ি ফিরে আসেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা তথা জলপাই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অনিমেষ দাস।
বিজেপির চণ্ডীপুর-১ মণ্ডল কমিটির সভাপতি প্রশান্তকুমার দাস বলেন, মাজনাবেড়িয়ায় ওই বিধবা মহিলাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব এবং পুলিস গোটা ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নিহতের ছেলেকে আটকে রেখেছে। আমরা গ্রামে গিয়েছিলাম। গোটা গ্রাম ঘিরে রেখেছে তৃণমূলের লোকজন। আমরা এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চাইছি।
তৃণমূল কংগ্রেসের কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক তথা জলপাই পঞ্চায়েতের প্রধান অনিমেষবাবু বলেন, কীভাবে মহিলার মৃত্যু হল তার সঠিক তদন্ত হোক। অস্বাভাবিক মৃত্যু হলেই বিজেপির পক্ষ থেকে রাজনীতি করার মরিয়া চেষ্টা চলে। এটা গোটা রাজ্যে ওরা করছে। চণ্ডীপুরের ঘটনাতেও ওরা রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে।
নিহতের ছেলে বলেন, আমি কলকাতায় থাকি। মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে প্রতিবেশীকে ফোন করি। তিনি বাড়ির ভিতরে ঢুকে দেখেন, গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মায়ের দেহ পড়ে রয়েছে। এটা খুন বলেই অনুমান। খুনের আগে মায়ের সঙ্গে খারাপ কিছু হতে পারে। সেটাই সন্দেহ হচ্ছে। চণ্ডীপুর থানার ওসি বলেন, মৃত্যুর কারণ পরিষ্কার নয়। তবে, গলায় শাড়ির ফাঁস ছিল। কান থেকে রক্ত গড়াচ্ছিল।



