সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: গাজোলে তৃণমূলের বিধায়ক নেই। স্থানীয় সাংসদ নেই। তবুও উন্নয়নে খামতি নেই। মঙ্গলবার মালদহের গাজোলে শিলান্যাস অনুষ্ঠানে গিয়ে এমনই দাবি করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। এদিন ওই ব্লকে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি রাস্তার শিলান্যাস করেন প্রতিমন্ত্রী। সেসময় তিনি এমন মন্তব্য করেন। মন্ত্রীর বক্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়ে সরব হয়েছেন গাজোলের বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মনও। এদিন ব্লক ক্যাম্পাসে ওই শিলান্যাস অনুষ্ঠানে মালদহের জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া, গাজোলের বিডিও সুদীপ্ত বিশ্বাস, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
Advertisement
স্থানীয় ব্লক প্রশাসন এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈরগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাঁকামোড় থেকে রাইকা দিঘি কাঠমিল পর্যন্ত ১ কিমি রাস্তা, দেওতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের কুলিপুকুর পিচ রোড থেকে নাকরাকুরি পর্যন্ত ২ কিমি, আলাল গ্রাম পঞ্চায়েতের ইন্দ্র সোহিল আদিবাসী পাড়া থেকে ৮১ নম্বর জাতীয় সড়ক পর্যন্ত ২ কিমি রাস্তা তৈরি হবে। সব মিলিয়ে দপ্তর থেকে ৫ কোটি টাকার বেশি খরচ হবে।
দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, তিনটি রাস্তার সূচনা হল। গাজোলে আমাদের বিধায়ক নেই, সাংসদ নেই। তবুও ব্লক পিছিয়ে নেই। উন্নয়ন হচ্ছে। গাজোলে অতীতে ভালো কাজ হয়েছে। এখানে জেনারেল হাসপাতাল হয়েছে। মানুষ সুবিধা পাচ্ছে। গাজোলের বিধায়ক বলেন, তারা সরকারে আছে, তারা কাজের শিল্যানাস করছে। বিরোধীদের কাজের আসন ছেড়ে দিক, কাজ হবে। গাজোলে এর আগে তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন, কী কাজ হয়েছে? গাজোলে দমকল কোথায়? অনেক সময় এক কাজে বেশ কয়েকবার শিলান্যাস হয়। ওই হাসপাতালের ভবন করোনার সময় কেন্দ্রের টাকায় হয়েছে। গাজোল হাসপাতালে চিকিৎসা উন্নত হয়নি।
দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, তিনটি রাস্তার সূচনা হল। গাজোলে আমাদের বিধায়ক নেই, সাংসদ নেই। তবুও ব্লক পিছিয়ে নেই। উন্নয়ন হচ্ছে। গাজোলে অতীতে ভালো কাজ হয়েছে। এখানে জেনারেল হাসপাতাল হয়েছে। মানুষ সুবিধা পাচ্ছে। গাজোলের বিধায়ক বলেন, তারা সরকারে আছে, তারা কাজের শিল্যানাস করছে। বিরোধীদের কাজের আসন ছেড়ে দিক, কাজ হবে। গাজোলে এর আগে তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন, কী কাজ হয়েছে? গাজোলে দমকল কোথায়? অনেক সময় এক কাজে বেশ কয়েকবার শিলান্যাস হয়। ওই হাসপাতালের ভবন করোনার সময় কেন্দ্রের টাকায় হয়েছে। গাজোল হাসপাতালে চিকিৎসা উন্নত হয়নি।



