সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: কোথাও মিড ডে মিলে অনিয়ম, কোথাও আবার শিক্ষকদের হাজিরার খাতায় হোয়াইটনার দিয়ে কিছু মুছে দেওয়া, কোথাও আবার পঠনপাঠন নিয়ে বিস্তর অভিযোগ। বৃহস্পতিবার প্রাথমিক স্কুল পরিদর্শনে এমন অভিযোগ পেলেন মালদহের ডিপিএসসি প্রাথমিকের চেয়ারম্যান বাসন্তী বর্মন। স্কুলগুলির একাধিক নথিপত্র ঘেঁটে দেখেন। স্থানীয় গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। আর তাতেই ধরা পড়ে একের এক অনিয়ম। সেসব যে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না, স্কুল কর্তৃপক্ষকে সাফ জানিয়ে এসেছেন তিনি। পরিদর্শনে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রশান্ত রায় সহ অন্যরাও। অন্যদিকে, আবেদন ছাড়াই দিনের পর দিন ছুটি কাটাচ্ছেন কিছু শিক্ষক। কালিয়াচক হাইস্কুলে পরিদর্শনে গিয়ে মালদহ জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক(মাধ্যমিক) বাণীব্রত দাস এমনই অভিযোগ পেলেন। তিনি শিক্ষকদের হাজিরা খাতায় অনিয়ম দেখে ক্ষুব্ধ হন। তিনি বলেন, এই ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। কিছু দিন ধরে এই স্কুলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আসছিল। তাই পরিদর্শনে যাই। স্কুল কর্তৃপক্ষ ঠিকমতো অডিট করায়নি। সবাইকে সতর্ক করা হল। যদিও, স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনও মন্তব্য করেনি।
Advertisement
অন্যদিকে, এদিন আচমকাই গাজোল সার্কেলের পাঁচটি স্কুলে পরিদর্শনে যান মালদহের ডিপিএসসি প্রাথমিকের চেয়ারম্যান। তিনি গাজোল প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়, মুড়িয়াকুন্ড ম্যানেজড, পাহাড়িভিটা, সুরমনি এবং মহাকালবনা ম্যানেজড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিনি পরিদর্শন করেন। স্কুলগুলিতে শিক্ষক এবং শিক্ষিকাদের দেরি করে আসা, সময়ের আগেই ছুটি দিয়ে দেওয়া, মিড ডে মিলে সুষ্ঠুভাবে না দেওয়া সহ বেশ কিছু অনিয়ম তাঁদের নজরে আসে। এই অনিয়ম সংশোধনের জন্য কড়া বার্তা দিয়ে আসেন তাঁরা। বিশেষ করে মুড়িয়াকুন্ড ম্যানেজড প্রাথমিক এবং গাজোল প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে অভিযোগ বিস্তর। দু’টি স্কুলেই উপস্থিতির খাতা দেখে ডিপিএসসি জেলা চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের চক্ষুচড়ক গাছ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ওই স্কুলগুলিতে উপস্থিতি খাতায় হোয়াইটনার ব্যবহার করা ছিল। যা নিয়ে খোদ চেয়ারম্যান ওই স্কুলগুলির প্রধান শিক্ষকের সামনেই ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, গাজোল প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ১১জন শিক্ষক এবং শিক্ষিকা রয়েছেন। তিনজন ছুটিতে। এদিন নির্দিষ্ট সময়ের আগে সিংহভাগ শিক্ষকই স্কুলে আসেননি।
মালদহ ডিপিএসসি চেয়ারম্যান(প্রাথমিক) বলেন, কিছু অনিয়ম আমাদের নজরে এসেছে। আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব। গাজোল সার্কেলের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রশান্ত রায় বলেন, পাঁচটি প্রাইমারি স্কুলে এদিন ভিজিট করা হয়েছে। বেশিরভাগ স্কুলেই অনিয়ম ধরা পড়েছে। এমন স্কুল রয়েছে, সপ্তাহে একদিন করে ডিম দেওয়ার নিয়ম, কিন্তু তা দেওয়া হয়নি। গ্রামবাসীরা আমাদের বলেছেন সেখানে সুষ্ঠুপঠন পাঠন হয় না। দু’টি স্কুলের উপস্থিতি খাতায় হোয়াইটনার দেওয়া ছিল। আমাদের সঙ্গে চেয়ারম্যানও ছিলেন। তিনি কড়া বার্তা দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে মুড়িয়াকুন্ড ম্যানেজড প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাধানাথ গোস্বামী বলেন, টাইমের হেরফের জন্য হোয়াইটনার ব্যবহার হয়েছে। সই বা অন্যকিছু বিষয় নেই। গাজোল গার্লসের প্রাথমিকের টিআইসি প্রঞ্জয় বিশ্বাস বলেন, হোয়াইটনার ছিল। কিন্তু আমি নতুন স্কুলে এসেছি। সেটা চেয়ারম্যান ম্যাডামকে বলেছি। তিনি সিল করে দিয়েছেন।
মালদহ ডিপিএসসি চেয়ারম্যান(প্রাথমিক) বলেন, কিছু অনিয়ম আমাদের নজরে এসেছে। আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব। গাজোল সার্কেলের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রশান্ত রায় বলেন, পাঁচটি প্রাইমারি স্কুলে এদিন ভিজিট করা হয়েছে। বেশিরভাগ স্কুলেই অনিয়ম ধরা পড়েছে। এমন স্কুল রয়েছে, সপ্তাহে একদিন করে ডিম দেওয়ার নিয়ম, কিন্তু তা দেওয়া হয়নি। গ্রামবাসীরা আমাদের বলেছেন সেখানে সুষ্ঠুপঠন পাঠন হয় না। দু’টি স্কুলের উপস্থিতি খাতায় হোয়াইটনার দেওয়া ছিল। আমাদের সঙ্গে চেয়ারম্যানও ছিলেন। তিনি কড়া বার্তা দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে মুড়িয়াকুন্ড ম্যানেজড প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাধানাথ গোস্বামী বলেন, টাইমের হেরফের জন্য হোয়াইটনার ব্যবহার হয়েছে। সই বা অন্যকিছু বিষয় নেই। গাজোল গার্লসের প্রাথমিকের টিআইসি প্রঞ্জয় বিশ্বাস বলেন, হোয়াইটনার ছিল। কিন্তু আমি নতুন স্কুলে এসেছি। সেটা চেয়ারম্যান ম্যাডামকে বলেছি। তিনি সিল করে দিয়েছেন।



