সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: মালদহের গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে রোগীর পরিজনদের জন্য প্রতীক্ষালয় এখন স্থানীয় থানার পুলিস ফাঁড়িতে পরিণত হয়েছে। সেজন্য সেখানে রোগীর আত্মীয়রা থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার ওই হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় প্রতীক্ষালয়ের দেওয়ালে পুলিস ক্যাম্প এবং ফাঁড়ির বোর্ড টাঙানো হয়েছে।
Advertisement
প্রতীক্ষালয়টি বন্ধ থাকায় হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীর আত্মীয়দের ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে। অভিযোগ, রাতে প্রবল ঠাণ্ডার মধ্যেও বাধ্য হয়ে তাঁদের বাইরে থাকতে হচ্ছে। কেউ স্থানীয় দোকানে আশ্রয় দিচ্ছেন। দুর্ভোগ হওয়ায় তাঁরা দ্রুত হাসপাতাল চত্বরে রাতে থাকার জন্য ঘর করার নির্মাণের দাবি তুলেছেন।
বুধবার দুপুরে হাসপাতালে জেঠু কিস্কুর স্ত্রীর প্রসব হয়েছে। তিনি বলেন, আমার বাড়ি উত্তর দিনাজপুর জেলায়। শ্বশুর বাড়ি গাজোলে। মঙ্গলবার স্ত্রীকে ভর্তি করার পর পাশের দোকানে রাত কাটাতে হয়েছে। আমার সঙ্গে অনেকেই ছিলেন। রোগীর পরিজনদের খুবই ভোগান্তি হচ্ছে। ব্লকের গোবিন্দপুরের এক রোগীর আত্মীয় রফিকুল ইসলামের দাবি, স্টেট জেনারেল হাসপাতাল অনেক বড়। নতুন ভবন হয়েছে। রোগীর আত্মীয়দের বিভিন্ন কারণে বাইরে থাকতে হয়।
সম্প্রতি ভার্চুয়ালি গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এই হাসপাতালের উপর আদিবাসী অধ্যুষিত ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষ নির্ভরশীল। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের মানুষও আসেন। হাসপাতালের সুপার অঞ্জন রায় বলেন, দুই ঘর বিশিষ্ট ছোট প্রতীক্ষালয় রয়েছে। একটি ঘরে পুলিস ফাঁড়ি ছাড়াও আরেকটি রয়েছে। রোগীর পরিজনরা যদি চান, সেটা খুলে দেব। হাসপাতালের কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সুপার জানান, হাসপাতালে কিছু বেহাল ঘর রয়েছে। সেগুলি ভেঙে রোগীর আত্মীয়দের জন্য ৫০ বেডের ঘর হবে। এটা প্রশাসনের পরিকল্পনায় রয়েছে। প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
বুধবার দুপুরে হাসপাতালে জেঠু কিস্কুর স্ত্রীর প্রসব হয়েছে। তিনি বলেন, আমার বাড়ি উত্তর দিনাজপুর জেলায়। শ্বশুর বাড়ি গাজোলে। মঙ্গলবার স্ত্রীকে ভর্তি করার পর পাশের দোকানে রাত কাটাতে হয়েছে। আমার সঙ্গে অনেকেই ছিলেন। রোগীর পরিজনদের খুবই ভোগান্তি হচ্ছে। ব্লকের গোবিন্দপুরের এক রোগীর আত্মীয় রফিকুল ইসলামের দাবি, স্টেট জেনারেল হাসপাতাল অনেক বড়। নতুন ভবন হয়েছে। রোগীর আত্মীয়দের বিভিন্ন কারণে বাইরে থাকতে হয়।
সম্প্রতি ভার্চুয়ালি গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এই হাসপাতালের উপর আদিবাসী অধ্যুষিত ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষ নির্ভরশীল। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের মানুষও আসেন। হাসপাতালের সুপার অঞ্জন রায় বলেন, দুই ঘর বিশিষ্ট ছোট প্রতীক্ষালয় রয়েছে। একটি ঘরে পুলিস ফাঁড়ি ছাড়াও আরেকটি রয়েছে। রোগীর পরিজনরা যদি চান, সেটা খুলে দেব। হাসপাতালের কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সুপার জানান, হাসপাতালে কিছু বেহাল ঘর রয়েছে। সেগুলি ভেঙে রোগীর আত্মীয়দের জন্য ৫০ বেডের ঘর হবে। এটা প্রশাসনের পরিকল্পনায় রয়েছে। প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।



