সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: মালদহের গাজোল বিএসএ অর্থাৎ ব্লক স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের স্টেডিয়াম সম্প্রতি নবরূপে সংস্কার করা হয়েছে। সেখানে একাধিক জীর্ণ ড্রেসিং রুম সহ বিভিন্ন ঘরের ভোল পাল্টে দেওয়া হয়েছে। রং করে সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছে। তবুও খেলার মাঠের মাটি পুরো চত্বর জুড়ে সমান করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন অংশ এবড়োখেবড়ো হয়ে রয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই মাঠের একাংশে সীমানা প্রাচীর দেওয়ার কাজ শেষ হয়নি। এর ফলে সেখান দিয়ে অবাধে গবাদিপশু মাঠে ঢুকছে। এতে মাঠ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি খেলোয়াড়দের সমস্যা হচ্ছে। তাঁরা এনিয়ে সরব হয়েছেন।
Advertisement
শুক্রবার বিকেলে মাঠে খেলতে এসেছিলেন রাঙাভিটা গ্রামের রূপঙ্কর সাহা নামে এক যুবক। তিনি বলেন, আমি মাঝে মধ্যেই আসি। মাঠ আগের থেকে উন্নত হয়েছে। তবে মাঠে গোরু চরে বেড়ায়। মাঠ সমান করে আরও সংস্কার দরকার। তাহলে সকলের সুবিধা হবে। খেলার পরিবেশ গড়ে উঠবে। উল্লেখ্য, ওই ব্লক সদরের শঙ্করপুরে এই মাঠটি ১৯৭৮ সালে তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে পুরনো মাঠটিতে কোনও সংস্কার কাজ করা হয়নি। ছোট এক প্রান্তের গ্যালারি থেকে শুরু করে ড্রেসিংরুম কোনও কিছুই ভালো ছিল না। জরাজীর্ণ অবস্থা ছিল। মাঠের সৌন্দর্যায়ন বলতে কিছু ছিল না। বছর খানেক আগে মাঠ সংস্কারে উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। কাজ শেষ হয়েছে। সম্প্রতি খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চুয়ালি এটির উদ্বোধন করেছেন। এখন মাঠের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবি উঠেছে।
বিএসএ মাঠের প্রাক্তন সম্পাদক সুভাষ রায় বলেন, স্থানীয় ব্লক প্রশাসন মাঠটিকে সাজিয়েছে। এটা অস্বীকার করার কিছুই নেই। কিন্তু মাঠের সমস্যা পুরো মেটেনি। মাঠে আরও মাটি ফেলতে হবে। মাঠ সমান করার কথা ছিল। সেটা হয়নি। মাঠে আরও লাইট দরকার রয়েছে। এগুলিতে প্রশাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত। গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি শিখা মণ্ডল সরকার বলেন, বাকি কাজ হলে ভালো হবে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বিএসএ মাঠের প্রাক্তন সম্পাদক সুভাষ রায় বলেন, স্থানীয় ব্লক প্রশাসন মাঠটিকে সাজিয়েছে। এটা অস্বীকার করার কিছুই নেই। কিন্তু মাঠের সমস্যা পুরো মেটেনি। মাঠে আরও মাটি ফেলতে হবে। মাঠ সমান করার কথা ছিল। সেটা হয়নি। মাঠে আরও লাইট দরকার রয়েছে। এগুলিতে প্রশাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত। গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি শিখা মণ্ডল সরকার বলেন, বাকি কাজ হলে ভালো হবে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



