সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: বিদ্যুৎ অপচয় নিয়ে কয়েক মাস আগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেও পরিস্থিতি বদল হয়নি মালদহ জেলার গাজোলে।
Advertisement
অভিযোগ, ওই ব্লকের করলাভিটা থেকে হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ৫০০ মিটার এলাকায় দিনের বেলাতেও আলো জ্বলছে। এছাড়া ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের কদুবাড়ির ২০০ মিটার স্থানীয় রাস্তার পথবাতির ক্ষেত্রেও একই অভিযোগ। গাজোল পরিবেশ রক্ষা সমিতির সভাপতি প্রকাশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কয়েক বছর আগে গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মী সন্ধ্যায় পথবাতি চালু ও সকালে বন্ধ করতেন। এখন বিভিন্ন জায়গায় দিনের বেলাতেও আলো জ্বলছে। আগে বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছি। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
বুধবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটেও গাজোলের কদুবাড়িতে পথবাতি জ্বলতে দেখা যায়। এর পাশাপাশি হাসপাতাল মোড়ে দুপুর বারোটা পার হলেও পথবাতি বন্ধ না হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গাজোল ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান প্রদ্যুৎ সর্দার বলেন, পুজোর আগে ব্লক এবং পঞ্চায়েত সমিতি থেকে জরুরিভিত্তিতে পথবাতির কাজ হয়েছে। আমাদের গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পঞ্চায়েত সমিতিতে প্রতিদিন অন এবং অফ করার মতো কর্মী নেই। স্থানীয় মানুষকে বলা হলেও তাঁরা বন্ধ করেন না। আমরা টাইমার লাগিয়ে দেব। তাহলে আর সমস্যা হবে না। গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ মিলন যোগীর মন্তব্য, এটা স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্তব্য।
(দিনেও জ্বলছে পথবাতি। -নিজস্ব চিত্র)
বুধবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটেও গাজোলের কদুবাড়িতে পথবাতি জ্বলতে দেখা যায়। এর পাশাপাশি হাসপাতাল মোড়ে দুপুর বারোটা পার হলেও পথবাতি বন্ধ না হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গাজোল ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান প্রদ্যুৎ সর্দার বলেন, পুজোর আগে ব্লক এবং পঞ্চায়েত সমিতি থেকে জরুরিভিত্তিতে পথবাতির কাজ হয়েছে। আমাদের গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পঞ্চায়েত সমিতিতে প্রতিদিন অন এবং অফ করার মতো কর্মী নেই। স্থানীয় মানুষকে বলা হলেও তাঁরা বন্ধ করেন না। আমরা টাইমার লাগিয়ে দেব। তাহলে আর সমস্যা হবে না। গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ মিলন যোগীর মন্তব্য, এটা স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্তব্য।
(দিনেও জ্বলছে পথবাতি। -নিজস্ব চিত্র)



