সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: সোমবার রাতে গাঁজা সরবরাহের অভিযোগে নবদ্বীপের দু’জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ধৃতদের নাম কৃষ্ণেন্দু রায় ওরফে রানা এবং গোবিন্দ দাস। এর আগে সোমবার ভোরে নবদ্বীপ গৌরাঙ্গ সেতু সংলগ্ন ফরেস্টডাঙা এলাকা থেকে একটি চার চাকা গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৫২ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় তখনকার মতো পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। বাজেয়াপ্ত করা হয় একটি চার চাকা গাড়িও। তাদেরকে জিজ্ঞাসবাদ করে নবদ্বীপের গাঁজা সরবরাহকারী দু’জনের নাম উঠে আসে। দু’জনকেই নবদ্বীপ শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার ধৃতদের পুলিস হেফাজত চেয়ে কৃষ্ণনগর বিশেষ আদালতে পাঠানো হয়।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত দু’জনকে আগেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এর আগে ২০২৩ সালে ১৬ জুন দুপুরে জেলা স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ এবং নবদ্বীপ থানার পুলিস যৌথভাবে অভিযান চালিয়েছিল। নবদ্বীপ পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের গাবতলার মোড়ে এক মোটর গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার হয়। গাঁজাগুলি কলকাতার পার্ক স্ট্রিট থেকে আনা হচ্ছিল। সেই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে কৃষ্ণেন্দু রায় ওরফে রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। আর এক অভিযুক্ত গোবিন্দ দাসের বিরুদ্ধে বেশ কয়েক বছর আগে একটি খুনের অভিযোগও রয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার ভোরে গৌরাঙ্গ সেতু সংলগ্ন ফরেস্টডাঙা এলাকার কাছে একটি চার চাকা গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় ৫২ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা। ৩টি বস্তার মধ্যে রাখা ছিল। যার আনুমানিক বাজার মূল্য বেশ কয়েক লক্ষ টাকা। জানা গিয়েছে, কোচবিহার থেকে গাঁজা নবদ্বীপে আসছিল। সোমবার ধৃত পাঁচজনকে পুলিস হেফাজত চেয়ে কৃষ্ণনগরের নারকোটিক বিশেষ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ধৃত চারজনের বাড়ি উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলায়। আর একজনের জনের বাড়ি নবদ্বীপের মণিপুরে। জানা গিয়েছে, ওই গাড়িটি কোচবিহার থেকে গাঁজা নিয়ে নবদ্বীপে ডেলিভারি দিতে আসছিল।
নবদ্বীপ থানার আইসি জলেশ্বর তেওয়ারি বলেন, পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে জানা যায়, এই অভিযুক্তরা নবদ্বীপে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে গাঁজা সরবরাহ করত। পরে নবদ্বীপের দু’জনকে পুলিস হেফাজত চেয়ে কৃষ্ণনগর বিশেষ আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আর কারা যুক্ত আছে, সেই তথ্য জানার চেষ্টা করবে পুলিস।
উল্লেখ্য, সোমবার ভোরে গৌরাঙ্গ সেতু সংলগ্ন ফরেস্টডাঙা এলাকার কাছে একটি চার চাকা গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় ৫২ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা। ৩টি বস্তার মধ্যে রাখা ছিল। যার আনুমানিক বাজার মূল্য বেশ কয়েক লক্ষ টাকা। জানা গিয়েছে, কোচবিহার থেকে গাঁজা নবদ্বীপে আসছিল। সোমবার ধৃত পাঁচজনকে পুলিস হেফাজত চেয়ে কৃষ্ণনগরের নারকোটিক বিশেষ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ধৃত চারজনের বাড়ি উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলায়। আর একজনের জনের বাড়ি নবদ্বীপের মণিপুরে। জানা গিয়েছে, ওই গাড়িটি কোচবিহার থেকে গাঁজা নিয়ে নবদ্বীপে ডেলিভারি দিতে আসছিল।
নবদ্বীপ থানার আইসি জলেশ্বর তেওয়ারি বলেন, পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে জানা যায়, এই অভিযুক্তরা নবদ্বীপে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে গাঁজা সরবরাহ করত। পরে নবদ্বীপের দু’জনকে পুলিস হেফাজত চেয়ে কৃষ্ণনগর বিশেষ আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আর কারা যুক্ত আছে, সেই তথ্য জানার চেষ্টা করবে পুলিস।



