নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: গাইডের অভাব। যার জেরে দীর্ঘ প্রায় ছ’বছর রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে চক্কর কাটলেও পিএইচডি করা হয়নি আব্দুল মুস্তাক আলমের। অসহায় অবস্থায় তিনি এখন কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। সামগ্রিক এই ঘটনা নিয়ে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে ব্যাপক হইচই শুরু হয়েছে। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কোনও মন্তব্য না করলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, ছাত্রছাত্রীরা মূলত কোর্স ওয়ার্ক করার জন্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এখানে শিক্ষক সংখ্যা কম বলে পিএইচডির ক্ষেত্রে গাইড পেতে সমস্যা হয় পড়ুয়াদের। যে বা যাঁরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
Advertisement
এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দুর্লভ সরকারের মন্তব্য, পিএইচডি নিয়ে ইউজিসির গাইডলাইন মেনে চলে বিশ্ববিদ্যালয়। পিএইচডি পরিচালনার জন্য মূলত দুটি কমিটি রয়েছে। একটি ডিপার্টমেন্টাল পিএইচডি কমিটি, আরেকটি হল সর্বোচ্চ কমিটি বা বিআরএস। তারাই এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু আক্ষেপের বিষয়, পিএইচডি করার জন্য প্রচুর পড়ুয়া থাকলেও সমান অনুপাতে শিক্ষক নেই আমাদের। ফলে সমস্যা হচ্ছে। তারপরেও পিএইচডি সফলভাবে পরিচালনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বদ্ধপরিকর। যে বা যারা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশ এলে বিশ্ববিদ্যালয় পরবর্তী পদক্ষেপ করবে।
হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়া রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আব্দুল মুস্তাক আলম এই জেলারই ইটাহার ব্লকের সুরুন-১ গ্রাম পঞ্চায়েতর ডামডোলিয়া এলাকার বাসিন্দা। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য রায়গঞ্জ শহরেই তিনি ভাড়ায় থাকেন। তাঁর দাবি, ২০১৮ সালে সংস্কৃতে পিএইচডি সম্পূর্ণ করতে ভর্তি হয়েছিলাম। কিন্তু ২০২৪ সাল পেরিয়ে গেলেও পিএইচডি করার জন্য গাইড দেওয়া হয়নি সংস্কৃত বিভাগ থেকে। এখনও আমার পিএইচডি সম্পূর্ণ হল না। নিয়ম অনুযায়ী একজন পড়ুয়া যখন পিএইচডির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন, তাঁকে ছ’বছরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগের গাইডের অধীনে পিএইচডি করতে হয়। এই সময়সীমার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গাইড দেওয়া না হলে সমস্যায় পড়তে হয়। সম্পূর্ণ করা যায় না পিএইচডি। নিয়ম অনুযায়ী সংস্কৃত বিভাগ থেকেই সুপারভাইজার দেওয়ার কথা। কিন্তু সেই নিয়ম বিশ্ববিদ্যালয় মানেনি। মুস্তাকের কথায়, গাইড পাওয়ার জন্য একাধিকবার উপাচার্য, রেজিস্ট্রার এবং ডিনের কাছে আবেদন জানিয়েছি। যার কোনও সদুত্তর গত ৬ বছরে আমি পাইনি। এতে আমার কেরিয়ারে ব্যাপক প্রভাব পড়ল। অনিশ্চয়তায় ভুগতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি। আমার মতো পিএইচডি করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে আরও কয়েকজনকে।
এ ব্যাপারে ক্ষুব্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক ছাত্রী আলো রায় বড়াই। তাঁর অভিযোগ, গত ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে পিএইচডি করার জন্য রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি। কোর্স ওয়ার্ক শেষ হলেও এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে কোনও গাইড দেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে আমাদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তায় আছি।
হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়া রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আব্দুল মুস্তাক আলম এই জেলারই ইটাহার ব্লকের সুরুন-১ গ্রাম পঞ্চায়েতর ডামডোলিয়া এলাকার বাসিন্দা। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য রায়গঞ্জ শহরেই তিনি ভাড়ায় থাকেন। তাঁর দাবি, ২০১৮ সালে সংস্কৃতে পিএইচডি সম্পূর্ণ করতে ভর্তি হয়েছিলাম। কিন্তু ২০২৪ সাল পেরিয়ে গেলেও পিএইচডি করার জন্য গাইড দেওয়া হয়নি সংস্কৃত বিভাগ থেকে। এখনও আমার পিএইচডি সম্পূর্ণ হল না। নিয়ম অনুযায়ী একজন পড়ুয়া যখন পিএইচডির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন, তাঁকে ছ’বছরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগের গাইডের অধীনে পিএইচডি করতে হয়। এই সময়সীমার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গাইড দেওয়া না হলে সমস্যায় পড়তে হয়। সম্পূর্ণ করা যায় না পিএইচডি। নিয়ম অনুযায়ী সংস্কৃত বিভাগ থেকেই সুপারভাইজার দেওয়ার কথা। কিন্তু সেই নিয়ম বিশ্ববিদ্যালয় মানেনি। মুস্তাকের কথায়, গাইড পাওয়ার জন্য একাধিকবার উপাচার্য, রেজিস্ট্রার এবং ডিনের কাছে আবেদন জানিয়েছি। যার কোনও সদুত্তর গত ৬ বছরে আমি পাইনি। এতে আমার কেরিয়ারে ব্যাপক প্রভাব পড়ল। অনিশ্চয়তায় ভুগতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি। আমার মতো পিএইচডি করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে আরও কয়েকজনকে।
এ ব্যাপারে ক্ষুব্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক ছাত্রী আলো রায় বড়াই। তাঁর অভিযোগ, গত ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে পিএইচডি করার জন্য রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি। কোর্স ওয়ার্ক শেষ হলেও এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে কোনও গাইড দেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে আমাদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তায় আছি।



