Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পাথরপ্রতিমায় গৃহস্থের পুকুরে বিশালাকৃতির কুমির, আতঙ্ক

পাথরপ্রতিমায় কুমির-আতঙ্ক কিছুতেই কাটছে না। তিনদিন পর ফের গৃহস্থের পুকুরে দেখা মিলল কুমিরের

পাথরপ্রতিমায় গৃহস্থের পুকুরে বিশালাকৃতির কুমির, আতঙ্ক
  • ৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ ও বসিরহাট: পাথরপ্রতিমায় কুমির-আতঙ্ক কিছুতেই কাটছে না। তিনদিন পর ফের গৃহস্থের পুকুরে দেখা মিলল কুমিরের। এই ঘটনার পর থেকেই ব্লক জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, পাথরপ্রতিমা গ্রাম পঞ্চায়েতের দে মার্কেটের কিশোরী নগর সংলগ্ন এলাকায় খোকন বেরার একটি পুকুর রয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই পরিবারের এক সদস্য পুকুরে পা ধুতে গিয়ে দেখেন, পাড়ের কাছে একটি মাছ ছটফট করছে। কাছে যেতেই তাঁর আত্মারাম খাঁচা। একটি বিশালাকৃতির কুমির সেখানে শুয়ে। ওই দৃশ্য দেখার পরই আতঙ্কে চিৎকার শুরু করেন তিনি। ওই আওয়াজ শুনে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। খবর দেওয়া হয় ভাগবতপুর বনদপ্তরে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বনদপ্তরের কর্মীরা এসে পুকুরের চারদিক নাইলনের জাল দিয়ে ঘিরে ফেলেন। জ্বালানো হয় বড় বড় হ্যালোজেন আলো। এরপর কুমির ধরতে জাল টানা হলেও ধরা পড়েনি সে। শেষ পর্যন্ত পুকুরের জল ছেঁচে তুলতে চারটি পাম্প বসানো হয়। এভাবেই কেটে যায় গোটা রাত। শুক্রবার সকালের দিকে পুকুরের জল অনেকটা কমে গেলে কুমিরটিকে দেখতে পাওয়া যায়। তখন জাল টেনে বনদপ্তরের কর্মীরা সেটিকে ধরেন। 

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দা রাধারানি বেরা বলেন, ‘গ্রামের পাশে নদী থাকায় বারবার বাঁধ পেরিয়ে এলাকায় কুমির চলে আসছে। আগেও একবার এখানে কুমির চলে এসেছিল। বারবার এমন ঘটনায় এলাকাবাসী আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।’ বনদপ্তরের এক কর্মী বলেন, বর্ষাকালে বহু জায়গায় ধানের জমি জলাশয়ে পরিণত হয়। তাই নদী বাঁধ টপকে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে কুমির। তবে খোকনবাবুর পুকুর থেকে বাঁধ অনেকটাই দূরে। সাধারণত কুমির এতটা দূর আসে না। সম্ভবত রাতের দিকে সবার অগোচরে সেটি পুকুরে চলে এসেছে। বনকর্মীরা সেটিকে উদ্ধার করে ভাগবতপুর কুমির প্রকল্পে নিয়ে গিয়েছেন।
এদিকে, কুমির আতঙ্ক উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরেও। এখানে সোনাই নদী থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি কুমিরের বাচ্চা। মৎস্যজীবীরা এদিন নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে কুমিরের বাচ্চাটিকে দেখতে পান। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় লোকজন নদীর পাড়ে ভিড় জমান। নদীতে কুমিরের দেখা মেলায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন মৎস্যজীবীরা। সোনাই নদীতে বছরের বেশিরভাগ সময় জল থাকে না। সেখানে কীভাবে কুমির শাবক এল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বনদপ্তরের কর্মীদের দিলে তাঁরা এসে কুমিরের বাচ্চাটিকে নিয়ে যান।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ