সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটালের রূপনারায়ণ নদে গাঙ্গেয় শুশুক সংরক্ষণে প্রশাসনিক উদ্যোগ নিল বনদপ্তর ও দেরাদুনের ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া তথা ডব্লুআইআই। এনিয়ে ওই দুই প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে শুক্রবার দাসপুর-২ ব্লক অফিসে একটি প্রশাসনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানেই শুশুক সংরক্ষণ নিয়ে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করা হয় বলে ঘাটাল মহকুমার সোশ্যাল ফরেস্ট্রির রেঞ্জার দেবাশিস বিশ্বাস জানান। তিনি বলেন, ‘গাঙ্গেয় শুশুক সংরক্ষণের জন্য ডব্লুআইআই এবং বনদপ্তর হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবে। সেই কারণেই এদিনের বিশেষ প্রশাসনিক সভার আয়োজন করা হয়েছিল।’
Advertisement
ঘাটাল মহকুমার রূপনারায়ণ নদে বিপুল পরিমাণে দেখা মেলে গাঙ্গেয় শুশুকের, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওই বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীটি বর্তমানে বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা আইইউসিএনের লাল তালিকায় রয়েছে। তাই স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতনতা বাড়ানো, নদীর দূষণ কমানো এবং শুশুকদের বাস্তুতন্ত্র রক্ষার জন্য কিছু বিশেষ পরিকল্পনার কথা বৈঠকে তুলে ধরা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গাঙ্গেয় শুশুক নদীর বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শুধুমাত্র একটি প্রাণী নয়, বরং পরিবেশগত স্বাস্থ্য নির্দেশক হিসেবেও বিবেচিত। কিন্তু নদীর দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অসচেতন মৎস্যজীবীদের কারণে গাঙ্গেয় শুশুকের সংখ্যা ক্রমশ কমছে।
পরবর্তী পর্যায়ে রূপনারায়ণ নদে শুশুকের বাসস্থান চিহ্নিত করে সেখানে সংরক্ষণমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং বনদপ্তর এই কাজে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিনের বৈঠকে দেবাশিসবাবু ছাড়াও ডব্লুআইআই-এর বিজ্ঞানী শোভনা রায়, দাসপুর-২ এর বিডিও প্রবীরকুমার শীট সহ দাসপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, সহকারী সভাপতি ও কর্মাধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন। এটি ঘাটাল মহকুমার জীববৈচিত্র্য রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন পরিবেশপ্রেমীরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গাঙ্গেয় শুশুক নদীর বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শুধুমাত্র একটি প্রাণী নয়, বরং পরিবেশগত স্বাস্থ্য নির্দেশক হিসেবেও বিবেচিত। কিন্তু নদীর দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অসচেতন মৎস্যজীবীদের কারণে গাঙ্গেয় শুশুকের সংখ্যা ক্রমশ কমছে।
পরবর্তী পর্যায়ে রূপনারায়ণ নদে শুশুকের বাসস্থান চিহ্নিত করে সেখানে সংরক্ষণমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং বনদপ্তর এই কাজে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিনের বৈঠকে দেবাশিসবাবু ছাড়াও ডব্লুআইআই-এর বিজ্ঞানী শোভনা রায়, দাসপুর-২ এর বিডিও প্রবীরকুমার শীট সহ দাসপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, সহকারী সভাপতি ও কর্মাধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন। এটি ঘাটাল মহকুমার জীববৈচিত্র্য রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন পরিবেশপ্রেমীরা।



