সংবাদদাতা, ঘাটাল: অভিযোগ পেয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সারের অতিরিক্ত মূল্য চাষিকে ফেরানোর ব্যবস্থা করল কৃষিদপ্তরের ঘাটাল মহকুমা অফিস। বৃহস্পতিবার রাতে চন্দ্রকোণা থানার ভগবন্তপুর এলাকার ঘটনা। ঘাটাল মহকুমা সহকারী কৃষি অধিকর্তা (প্রশাসন) নীলরতন ভৌমিক বলেন, ‘আমরা সব জায়গায় প্রচার করছি সারের দাম বেশি নিলেই যেন কৃষিদপ্তরে জানানো হয়। সেই মতো এক চাষি সারের বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন। আমরা সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাকে ওই দিনই অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করিয়েছি।’ সেই সঙ্গে বিক্রেতাকে শোকজও করা হয়েছে বলে কৃষিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে।
Advertisement
আলু চাষ তথা রবি মরশুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘাটাল মহকুমাজুড়ে রাসায়নিক সারের ব্যাপক কালোবাজারির শুরু হয়েছে। ফলে বস্তা পিছু পাঁচ-ছ’শ টাকা বেশি দিয়ে চাষিদের সার কিনতে হচ্ছে। চাষিরা জানান, কোনও দোকানদার বস্তা পিছু সরাসরি ৫০০-৬০০ টাকা অতিরিক্ত চাইছেন। আবার কোনও বিক্রেতা ওই সারের সঙ্গে অন্য কোনও সার কিনতে বাধ্য করছেন। মরশুমের শুরুতেই সারের পিছনে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে ক্ষতির মুখে পড়ছেন চাষিরা।
ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস জানান, আমরা নিয়মিত সারের দোকানগুলিতে অভিযান চালাচ্ছি। সার বিক্রেতা ও ডিলারদের নিয়ে মিটিং করছি। শুক্রবারও মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে সারের ডিলারদের নিয়ে একটি মিটিং হয়। তাঁদের সতর্ক করে সারের দাম বেশি না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ পেলেই প্রশাসন সংশ্লিষ্ট ডিলারের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। সেই সঙ্গে এদিনও বেশ কয়েকটি সার দোকানে প্রশাসনিক আধিকারিকরা ভিজিট করেন।
কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সারের ডিলারদের কাছে ই-পস মেশিন থাকে। সেই মেশিনে সংশ্লিষ্ট ডিলারের পর্যাপ্ত সারের পরিমাণ আগে থেকেই দেওয়া থাকে। চাষিরা যে পরিমাণ সার কেনেন সেই মতো মেশিন থেকে পরিমাণ কমতে থাকে। সেই তথ্য নথিভুক্তও করা হয়। সার কেনার সময় চাষিকে আধার কার্ডের নম্বর বা আঙুলের ছাপ দিতে হয়। অর্থাৎ, সার কেনার কালোবাজারি আটকাতে গোটাটাই পদ্ধতিটাই ডিজিটাইজড করা হয়েছে। কিন্তু, ডিলাররা এখানেও কারচুপি করছেন। নিজেদের পরিচিত লোকজনদের আধার কার্ডের নম্বর ব্যবহার করে সেই সার তুলে নেন। তারপর তা খোলাবাজারে চড়া দামে বিক্রি করেন। এভাবেই সারের কালোবাজারি চলে। চাষিরা জানান, আধিকারিকরা এলাকায় গেলে সার বিক্রেতারা সঠিক মূল্যে সার বিক্রি করেন। তাঁরা চলে এলেই বিক্রেতারা রণমূর্তি ধারণ করেন।
ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস জানান, আমরা নিয়মিত সারের দোকানগুলিতে অভিযান চালাচ্ছি। সার বিক্রেতা ও ডিলারদের নিয়ে মিটিং করছি। শুক্রবারও মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে সারের ডিলারদের নিয়ে একটি মিটিং হয়। তাঁদের সতর্ক করে সারের দাম বেশি না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ পেলেই প্রশাসন সংশ্লিষ্ট ডিলারের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। সেই সঙ্গে এদিনও বেশ কয়েকটি সার দোকানে প্রশাসনিক আধিকারিকরা ভিজিট করেন।
কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সারের ডিলারদের কাছে ই-পস মেশিন থাকে। সেই মেশিনে সংশ্লিষ্ট ডিলারের পর্যাপ্ত সারের পরিমাণ আগে থেকেই দেওয়া থাকে। চাষিরা যে পরিমাণ সার কেনেন সেই মতো মেশিন থেকে পরিমাণ কমতে থাকে। সেই তথ্য নথিভুক্তও করা হয়। সার কেনার সময় চাষিকে আধার কার্ডের নম্বর বা আঙুলের ছাপ দিতে হয়। অর্থাৎ, সার কেনার কালোবাজারি আটকাতে গোটাটাই পদ্ধতিটাই ডিজিটাইজড করা হয়েছে। কিন্তু, ডিলাররা এখানেও কারচুপি করছেন। নিজেদের পরিচিত লোকজনদের আধার কার্ডের নম্বর ব্যবহার করে সেই সার তুলে নেন। তারপর তা খোলাবাজারে চড়া দামে বিক্রি করেন। এভাবেই সারের কালোবাজারি চলে। চাষিরা জানান, আধিকারিকরা এলাকায় গেলে সার বিক্রেতারা সঠিক মূল্যে সার বিক্রি করেন। তাঁরা চলে এলেই বিক্রেতারা রণমূর্তি ধারণ করেন।



