সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল শহরে ট্রাফিক সিগন্যালের দাবি ক্রমশ জোরাল হচ্ছে। শহরের মধ্যে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটায় সাধারণ মানুষ অবিলম্বে ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করার দাবি করছেন। ট্রাফিক পুলিসের এক আধিকারিক জানান, শহরে ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এনিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশাকরা হচ্ছে খুব শীঘ্রই তা চালু হয়ে যাবে।
Advertisement
ঘাটাল মহকুমায় রেল পথ নেই। পাঁশকুড়া-ঘাটাল-চন্দ্রকোণা সড়কটি মেচোগ্রামে মুম্বই রোডকে ক্রশ করে ঘাটাল শহরের ওপর দিয়ে গিয়েছে। ওই সড়কটি ক্ষীরপাই শহর থেকে দু’ দিকে চলে গিয়েছে। এক দিকে চন্দ্রকোণা রোড অন্য দিকে আরামবাগ। ফলে পাঁশকুড়া-ঘাটাল-চন্দ্রকোণা সড়কটির ওপর দিনের পর দিন সমস্ত ধরনের গাড়ির সংখ্যা বাড়ছে। এদিকে ঘিঞ্জি ঘাটাল শহরে কোনও বাইপাস নেই। বাস ব্যবসায়ী সমতির দুই কর্মকর্তা মোহন বাগ ও প্রভাত পান বলেন, ‘অথচ এই মহকুমারই রামজীবনপুরের মতো ছোট শহরেও একটি সুন্দর বাইপাস রয়েছে। বাইপাস থাকলে মূল শহরের উপর গাড়ির চাপ অনেকটাই কমে যেত।’
বাস মালিকরা বলেন, ঘাটাল মহকুমা শহর হওয়ায় নানা কাজে এই প্রতিদিন বহু মানুষকে এখানে আসতে হয়। বাইপাস এবং ট্রাফিক সিগন্যাল না থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। পথ দুর্ঘটনায় বহু মানুষ মারাও গিয়েছেন। ঘাটাল-মেচোগ্রাম রাস্তাটি খুব মসৃণ ও চওড়া করা হয়েছে। তারফলে গাড়ির গতি বেড়েছে। ঘাটাল মহকুমা আদালতের আইনজীবী উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যদি শহরে ট্রাফিক সিগন্যালের ব্যবস্থা থাকতো তাহলে পথ দুর্ঘটনা অনেকটাই এড়ানো যেত।
সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে ঘাটাল থানার পুলিস কয়েকটি জায়গায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করলেও সেই ট্রাফিক সবসময় থাকে না বলে অভিযোগ। ঘাটাল থানার পুলিসের পক্ষ থেকে ওই অভিযোগ অস্বীকার করে জানানো হয়েছে, দিনের অধিকাংশ সময়েই চার-পাঁচটি পয়েন্ট থেকে সিভিক ভলান্টিয়ার ও পুলিস কর্মী দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়।
বাস মালিকরা বলেন, ঘাটাল মহকুমা শহর হওয়ায় নানা কাজে এই প্রতিদিন বহু মানুষকে এখানে আসতে হয়। বাইপাস এবং ট্রাফিক সিগন্যাল না থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। পথ দুর্ঘটনায় বহু মানুষ মারাও গিয়েছেন। ঘাটাল-মেচোগ্রাম রাস্তাটি খুব মসৃণ ও চওড়া করা হয়েছে। তারফলে গাড়ির গতি বেড়েছে। ঘাটাল মহকুমা আদালতের আইনজীবী উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যদি শহরে ট্রাফিক সিগন্যালের ব্যবস্থা থাকতো তাহলে পথ দুর্ঘটনা অনেকটাই এড়ানো যেত।
সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে ঘাটাল থানার পুলিস কয়েকটি জায়গায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করলেও সেই ট্রাফিক সবসময় থাকে না বলে অভিযোগ। ঘাটাল থানার পুলিসের পক্ষ থেকে ওই অভিযোগ অস্বীকার করে জানানো হয়েছে, দিনের অধিকাংশ সময়েই চার-পাঁচটি পয়েন্ট থেকে সিভিক ভলান্টিয়ার ও পুলিস কর্মী দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়।



