সংবাদদাতা, ঘাটাল: বন্যার পরই ঘাটাল ব্লকের বেশ কয়েকটি রাস্তা বেহাল হয়ে গিয়েছিল। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থা সেই রাস্তাগুলির মধ্যে কয়েকটির সংস্কার করার উদ্যোগ নিল। এর ফলে ওই ব্লকের প্রায় ৪০-৫০টি গ্রামের বাসিন্দাদের দুর্ভোগের সমাপ্তি হতে চলেছে, স্বস্তি ফিরছে তাঁদের মনে। পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি বিকাশ কর বলেন, এই পর্যায়ে আমাদের পঞ্চায়েত সমিতি এলাকার মোট সাতটি রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হতে চলেছে। সাতটি রাস্তার মোট দৈর্ঘ্য ২৮ কিলোমিটার ১৬০মিটার। রাস্তাগুলির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে তিন কোটি ৬৬ লক্ষ ন’হাজার ৩৩২টাকা।
Advertisement
প্রত্যেক বছর বন্যাতে ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির ১২টি গ্রামপঞ্চায়েতের মধ্যে ১০টি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার কোনও না কোনও অংশে বন্যার জল প্রবেশ করে। তারমধ্যে সাত-আটটি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকা দিয়ে বন্যার জলের স্রোত তীব্র থাকে। ফলে ওই সমস্ত গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার রাস্তাগুলি প্রায় প্রত্যেক বছর বেহাল হয়ে যায়।
পঞ্চায়েত সমিতির সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের বন্যাতেও ওই গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার প্রায় ৪০ কিলোমিটার রাস্তা বেহাল হয়ে গিয়েছিল।
বিকাশবাবু বলেন, প্রত্যেকটি রাস্তার উপর দিয়ে জলের স্রোত বইতে থাকায় পিচ এবং ঢালাই সমস্ত ধরনের রাস্তাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সেজন্য ওই সমস্ত রাস্তা দিয়ে যেসমস্ত গ্রামগুলির বাসিন্দারা নিয়মিত যাতায়াত করেন বন্যার জল নেমে যাওয়ার পর তাঁরা সমস্যায় পড়েন। বন্যার জল নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে রাস্তাগুলি সংস্কারের জন্য জেলা স্তরে জানানো হয়েছিল। রাস্তাগুলি সংস্কারের কাজ অনেক দিনই আগেই শুরু হয়ে যেতে পারত কিন্তু মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনের জন্য সারা জেলায় আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে গিয়েছিল। সেজন্যই অনেকটা দেরি হল।
যেরাস্তাগুলি এই পর্যায়ে সংস্কার করার কাজ শুরু হচ্ছে সেগুলি হল নতুক থেকে ডিঙাল পর্যন্ত চার কিলোমিটার ৮০০মিটার রাস্তা, শ্রীমন্তপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে কামারডাঙা দু’কিলোমিটার, ঘোলসাই থেকে রাধাবল্লভপুর পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা, খড়ার থেকে কুরাণ তিন কিলোমিটার ১৬০ মিটার রাস্তা, জলসরা থেকে গোপীনাথপুর চার কিলোমিটার ৭৮৪মিটার রাস্তা, রানিরবাজার থেকে ভাঙাদহ ছ’ কিলোমিটার রাস্তা এবং যদুপুর থেকে শ্যামচক দু’কিলোমিটার ২৫০ মিটার রাস্তা।
রাস্তাগুলির জন্য বরাদ্দ হয়েছে যথাক্রমে ৪৮ লক্ষ ৩৪ হাজার ৯০৮টাকা, ১৯লক্ষ ২০ হাজার ১৫৪টাকা, ৪৯ লক্ষ ৩৬ হাজার ৮৭৮টাকা, ৪২লক্ষ ৮৫ হাজার ৭২টাকা, ৬৫লক্ষ ৮৩ হাজার ৮০৫টাকা, ৯২লক্ষ ৯৩ হাজার ৫৭২টাকা এবং ৪৭ লক্ষ ৫৪ হাজার ৯৪৩ টাকা। আগামী দেড় মাসের মধ্যে সমস্ত রাস্তার কাজই শেষ হয়ে যাবে বলে পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানানো হয়েছে। বিকাশবাবু বলেন, এখনও প্রায় ২০ শতাংশ রাস্তা সংস্কার প্রয়োজন। সেগুলিও ট্রেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
পঞ্চায়েত সমিতির সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের বন্যাতেও ওই গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার প্রায় ৪০ কিলোমিটার রাস্তা বেহাল হয়ে গিয়েছিল।
বিকাশবাবু বলেন, প্রত্যেকটি রাস্তার উপর দিয়ে জলের স্রোত বইতে থাকায় পিচ এবং ঢালাই সমস্ত ধরনের রাস্তাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সেজন্য ওই সমস্ত রাস্তা দিয়ে যেসমস্ত গ্রামগুলির বাসিন্দারা নিয়মিত যাতায়াত করেন বন্যার জল নেমে যাওয়ার পর তাঁরা সমস্যায় পড়েন। বন্যার জল নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে রাস্তাগুলি সংস্কারের জন্য জেলা স্তরে জানানো হয়েছিল। রাস্তাগুলি সংস্কারের কাজ অনেক দিনই আগেই শুরু হয়ে যেতে পারত কিন্তু মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনের জন্য সারা জেলায় আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে গিয়েছিল। সেজন্যই অনেকটা দেরি হল।
যেরাস্তাগুলি এই পর্যায়ে সংস্কার করার কাজ শুরু হচ্ছে সেগুলি হল নতুক থেকে ডিঙাল পর্যন্ত চার কিলোমিটার ৮০০মিটার রাস্তা, শ্রীমন্তপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে কামারডাঙা দু’কিলোমিটার, ঘোলসাই থেকে রাধাবল্লভপুর পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা, খড়ার থেকে কুরাণ তিন কিলোমিটার ১৬০ মিটার রাস্তা, জলসরা থেকে গোপীনাথপুর চার কিলোমিটার ৭৮৪মিটার রাস্তা, রানিরবাজার থেকে ভাঙাদহ ছ’ কিলোমিটার রাস্তা এবং যদুপুর থেকে শ্যামচক দু’কিলোমিটার ২৫০ মিটার রাস্তা।
রাস্তাগুলির জন্য বরাদ্দ হয়েছে যথাক্রমে ৪৮ লক্ষ ৩৪ হাজার ৯০৮টাকা, ১৯লক্ষ ২০ হাজার ১৫৪টাকা, ৪৯ লক্ষ ৩৬ হাজার ৮৭৮টাকা, ৪২লক্ষ ৮৫ হাজার ৭২টাকা, ৬৫লক্ষ ৮৩ হাজার ৮০৫টাকা, ৯২লক্ষ ৯৩ হাজার ৫৭২টাকা এবং ৪৭ লক্ষ ৫৪ হাজার ৯৪৩ টাকা। আগামী দেড় মাসের মধ্যে সমস্ত রাস্তার কাজই শেষ হয়ে যাবে বলে পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানানো হয়েছে। বিকাশবাবু বলেন, এখনও প্রায় ২০ শতাংশ রাস্তা সংস্কার প্রয়োজন। সেগুলিও ট্রেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।



