সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল মহকুমার উপর দিয়ে রেলপথ চেয়ে সংসদে জোরালো সওয়াল করলেন আরামবাগের সাংসদ মিতালি বাগ। বুধবার সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে তিনি বাংলায় ওই দাবি তোলেন। প্রায় চার মিনিটের বক্তব্যে ঘাটাল মহকুমা ও হুগলি জেলার রেল যোগাযোগ নিয়ে সাংসদ নানা দাবি পেশ করেন। ঘাটালের রেল যোগাযোগ নিয়ে মিতালিদেবী সংসদে দাবি তোলায় এই মহকুমার বাসিন্দারা খুশি।
Advertisement
ঘাটাল মহকুমাকে রেল মানচিত্রে সংযুক্ত করতে বিদ্যাসাগর রেলপথ মিশন ধারাবাহিক আন্দোলন করে আসছে। সংগঠনের সভাপতি প্রসেনজিৎ কাপাস বলেন, সংসদে মিতালিদেবীর এই বক্তব্য আমাদের আন্দোলনকে অনেকটাই অক্সিজেন জোগাল। আমাদের বিশ্বাস, ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারীও(দেব) একই ইস্যুতে সেখানে সরব হবেন। সংসদে মিতালিদেবী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘রাজা রামমোহন রায় ভারতের প্রথম রেলযাত্রী ছিলেন। অথচ তাঁর জন্মস্থানে যাওয়ার জন্য কোনও রেলপথ নেই। হুগলি জেলার ওই এলাকার পড়ুয়ারা রেলের ছবি আঁকছে, বড়রা রেলের স্বপ্ন দেখছেন। কিন্তু রেলপথ আর পাচ্ছেন না। অবিলম্বে রাজা রামমোহন রায়ের জন্মস্থান পর্যন্ত রেল যোগাযোগের জন্য রেল মন্ত্রকের তরফে পরিকল্পনা নেওয়া হোক।’
দাসপুর-১ ব্লকের নিজনাড়াজোল পঞ্চায়েত আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের আওতায় পড়ে। নাড়াজোলের রাজবাড়ি হেরিটেজ তালিকায় স্থান পেয়েছে। সাংসদ বলেন, ‘ওই দর্শনীয় স্থানে যাওয়ার জন্যও রেলপথ দরকার। তাই পাঁশকুড়া থেকে চন্দ্রকোণা পর্যন্ত রেলপথের দাবি জানাচ্ছি।’ ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য নিয়মিত মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতাল বা বেঙ্গালুরু যেতে হয়। তাই আরামবাগ থেকে মুম্বই ও বেঙ্গালুরু যাওয়ার জন্য ট্রেনের দাবিও তোলা হয়েছে। আরামবাগ, তারকেশ্বর ও শ্যাওড়াফুলি স্টেশনে দাঁড়ায়-এমন ট্রেন পরিষেবার দাবি তুলেছেন সাংসদ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন পাঁশকুড়া-ঘাটাল ৩২ কিলোমিটার রেলপথ তৈরির প্রস্তাব প্রথম রেল বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করেন। পরে আরামবাগ-ইড়পালা ও ইড়পালা-ঘাটাল রেলপথ অনুমোদিত হয়। ২০১৫ সালে রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভু আরামবাগ-ইড়পালা রেলপথের জন্য ১২ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেন। জমি জরিপের কাজও শুরু হয়েছিল। কিন্তু এরপর প্রকল্পটি থমকে যায়। ২০২৪সালের ২২ মার্চ বিদ্যাসাগর রেলপথ মিশনের প্রতিনিধিরা দক্ষিণ-পূর্ব রেলের গার্ডেনরিচ কার্যালয়ে ঘাটালে রেলপথ চেয়ে দাবিপত্র জমা দেন। সেখানে তাঁরা জানতে পারেন, পাঁশকুড়া-ঘাটাল রেলপথ প্রকল্পটি ‘ফ্রিজ’ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, পাঁশকুড়া থেকে ঘাটাল শহর হয়ে বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান বীরসিংহ পর্যন্ত রেলপথ বিস্তৃত করা হোক। সেখান থেকে ইড়পালা হয়ে আরামবাগকে রেলপথে যুক্ত করা উচিত।
দাসপুর-১ ব্লকের নিজনাড়াজোল পঞ্চায়েত আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের আওতায় পড়ে। নাড়াজোলের রাজবাড়ি হেরিটেজ তালিকায় স্থান পেয়েছে। সাংসদ বলেন, ‘ওই দর্শনীয় স্থানে যাওয়ার জন্যও রেলপথ দরকার। তাই পাঁশকুড়া থেকে চন্দ্রকোণা পর্যন্ত রেলপথের দাবি জানাচ্ছি।’ ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য নিয়মিত মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতাল বা বেঙ্গালুরু যেতে হয়। তাই আরামবাগ থেকে মুম্বই ও বেঙ্গালুরু যাওয়ার জন্য ট্রেনের দাবিও তোলা হয়েছে। আরামবাগ, তারকেশ্বর ও শ্যাওড়াফুলি স্টেশনে দাঁড়ায়-এমন ট্রেন পরিষেবার দাবি তুলেছেন সাংসদ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন পাঁশকুড়া-ঘাটাল ৩২ কিলোমিটার রেলপথ তৈরির প্রস্তাব প্রথম রেল বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করেন। পরে আরামবাগ-ইড়পালা ও ইড়পালা-ঘাটাল রেলপথ অনুমোদিত হয়। ২০১৫ সালে রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভু আরামবাগ-ইড়পালা রেলপথের জন্য ১২ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেন। জমি জরিপের কাজও শুরু হয়েছিল। কিন্তু এরপর প্রকল্পটি থমকে যায়। ২০২৪সালের ২২ মার্চ বিদ্যাসাগর রেলপথ মিশনের প্রতিনিধিরা দক্ষিণ-পূর্ব রেলের গার্ডেনরিচ কার্যালয়ে ঘাটালে রেলপথ চেয়ে দাবিপত্র জমা দেন। সেখানে তাঁরা জানতে পারেন, পাঁশকুড়া-ঘাটাল রেলপথ প্রকল্পটি ‘ফ্রিজ’ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, পাঁশকুড়া থেকে ঘাটাল শহর হয়ে বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান বীরসিংহ পর্যন্ত রেলপথ বিস্তৃত করা হোক। সেখান থেকে ইড়পালা হয়ে আরামবাগকে রেলপথে যুক্ত করা উচিত।



