সংবাদদাতা, ঘাটাল: জমিতে কোনওভাবেই যাতে নাড়া পোড়ানো না হয় তা নিয়ে ধারাবাহিক প্রচার চালাচ্ছে ঘাটাল মহকুমা কৃষিদপ্তর। মাইক, হ্যান্ডবিলের পাশাপাশি চাষিদের নিয়ে ব্লকে ব্লকে সেমিনার করে অনুরোধ করা হচ্ছে। মহকুমা সহকারী কৃষি অধিকর্তা (প্রশাসন) নীলরতন ভৌমিক বলেন, ‘মাঠে নাড়া পোড়ালে মাটির গুণগত মান নষ্ট হয়। নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সালফার-সহ ১৭টি মৌল গাছের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এগুলি গাছের মধ্যেই থাকে। ওই সব মৌল বিষাক্ত গ্যাসে পরিণত হয়ে বাতাসে মিশছে। দূষণও বাড়ছে। আমরা বার বার চাষিদের নিষেধ করছি মাঠে নাড়া না পোড়াতে। নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করছি।’
Advertisement
কৃষিদপ্তরের সচেতনতামূলক প্রচারের ফলে এবছর নাড়া পোড়ানোর প্রবণতা অনেকটা কমলেও কিছু কিছু চাষি এখনও বহাল তবিয়তে নাড়া পোড়াচ্ছেন। ওই সমস্ত চাষি কৃষিদপ্তর ও প্রশাসনের বিজ্ঞান-সম্মত বিশ্লেষণে যেতে নারাজ। তাঁদের সাফাই, নিরুপায় হয়ে মাঠেই নাড়া পোড়ান। বর্তমানে মজুরের অভাবে অনেক জায়গায় বীজ বোনা থেকে ধান কাটা, সবটাই হয় ‘কম্বাইন্ড হারভেস্টর’ যন্ত্রের মাধ্যমে। কিন্তু যন্ত্রে ধান কাটার পর অপেক্ষাকৃত বড় গোড়া পড়ে থাকে জমিতে। ধান ঝাড়ার পরে, প্রচুর খড়ও পড়ে থাকে। সাফ করার জন্য শ্রমিক মিলছে না। আবার বিকল্প পদ্ধতিতে জৈব সার তৈরি করা গেলেও তা সময়সাপেক্ষ। জমিতে আগুন দিলে সময় ও খরচ, দুই-ই বাঁচে।
দাসপুর-২ ব্লকের চাঁইপাট এলাকার চাষি অনিল মাইতি, নিশ্চিন্তপুরের দিলীপ দোলই বলেন, বাড়িতে গোরুর জন্য এক সময় খড়ের চাহিদা ছিল। এখন বেশিরভাগ বাড়িতেই গোরু নেই। আর খড় কেনারও লোক নেই। তাই নাড়া পোড়ানো চলছে। তাই ঘাটাল মহকুমাতেও দূষণ বাড়ছে। যে কোনও উপায়ে নাড়া পোড়ানো বন্ধ করতে হবে। কৃষিদপ্তর জানাচ্ছে, জমি থেকে নাড়া তোলার জন্য ঘাটালে এখন মালচার এবং বেলার মেশিন ভাড়ায় পাওয়া যাচ্ছে। তা দিয়েই নাড়া বান্ডিল করা যায় নতুবা জমিতেই পচানোর জন্য টুকরো করে কাটাও যায়। কৃষি জমিতে আগুন দিলে জমির উপকারী পোকা-প্রাণী, জীবাণু ও কেঁচো মারা যায়। তা জমির পক্ষে ক্ষতিকর।
দাসপুর-২ ব্লকের চাঁইপাট এলাকার চাষি অনিল মাইতি, নিশ্চিন্তপুরের দিলীপ দোলই বলেন, বাড়িতে গোরুর জন্য এক সময় খড়ের চাহিদা ছিল। এখন বেশিরভাগ বাড়িতেই গোরু নেই। আর খড় কেনারও লোক নেই। তাই নাড়া পোড়ানো চলছে। তাই ঘাটাল মহকুমাতেও দূষণ বাড়ছে। যে কোনও উপায়ে নাড়া পোড়ানো বন্ধ করতে হবে। কৃষিদপ্তর জানাচ্ছে, জমি থেকে নাড়া তোলার জন্য ঘাটালে এখন মালচার এবং বেলার মেশিন ভাড়ায় পাওয়া যাচ্ছে। তা দিয়েই নাড়া বান্ডিল করা যায় নতুবা জমিতেই পচানোর জন্য টুকরো করে কাটাও যায়। কৃষি জমিতে আগুন দিলে জমির উপকারী পোকা-প্রাণী, জীবাণু ও কেঁচো মারা যায়। তা জমির পক্ষে ক্ষতিকর।



