সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল মহকুমার বইপ্রেমীদের আন্দোলনকে মান্যতা দিল প্রশাসন। অবশেষে ঘাটাল মহকুমাতেই এবার জেলা বইমেলা করার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেওয়া হল। ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস বলেন, জেলা বইমেলা এবার ঘাটাল মহকুমাতেই হবে। এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বইমেলা পরিচালনা করে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা গ্রন্থাগ্রার প্রশাসন। জেলা গ্রন্থাগার আধিকারিক শেখ মহম্মদ সহিদুল্লা বলেন, ঘাটাল বিদ্যাসাগর হাইস্কুলের খেলার মাঠে ওই বইমেলা হবে। ১০ ডিসেম্বর মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। মেলা চলবে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। স্টল থাকবে ৮০টি। মেলার থিম ‘ভাষা দিয়ে সম্প্রীতি গড়ব’।
Advertisement
তবে বইমেলা ঘাটালে ফিরে এলেও আগামী দিনে ফের মহকুমায় বইমেলা হবে কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকছে। প্রসঙ্গত, গতবারে জেলা বইমেলা হয়েছিল মেদিনীপুর শহরে। সেখানে প্রায় ৭০-৭৫ লক্ষ টাকার বই বিক্রি হয়েছিল। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার যদি ঘাটালের জেলা বইমেলা থেকে বই কেনার ওই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হয় তাহলে এটাই হবে মহকুমায় শেষ জেলা বইমেলা। আর কখনও মহকুমাস্তরে জেলা বইমেলা হবে না। প্রত্যেক বছর জেলা সদরেই জেলা বইমেলা হবে বলে গ্রন্থাগার প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে।
পর্যায়ক্রমে এক একটি মহকুমায় জেলা বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। ২০২১ সালে জেলা বইমেলা ঘাটাল মহকুমার দাসপুর সবুজ সঙ্ঘের মাঠে হয়েছিল। যেহেতু এই জেলায় তিনটি মহকুমা, তাই ২০২২ এবং ২০২৩ সালে খড়্গপুর এবং মেদিনীপুরে সদর মহকুমায় জেলা বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়। এবার ২০২৪ সালে স্বাভাবিকভাবেই ঘাটাল মহকুমায় হওয়া কথা ছিল। কিন্তু ‘ঘাটাল বন্যাপ্রবণ এলাকা’ এই ইস্যু তুলে এবারের জেলা বইমেলা মেদিনীপুর শহরে করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। সেই খবর জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ঘাটাল মহকুমার বইপ্রেমী, কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক এবং প্রকাশকরা। তাঁরা এনিয়ে ধারাবাহিক আন্দোলনও করেন।
ঘাটাল আদালতের প্রবীণ আইনজীবী দেবপ্রসাদপাঠক বন্দ্যোপাধ্যায়, কবি কেশব মেট্যা বলেন, বইমেলা স্থানান্তরিত করার প্রতিবাদে আমরা এই মহকুমায় অন্দোলন শুরু করার পাশপাশি ঘাটাল মহকুমা প্রশাসনকে একটি স্মারকলিপি দিই। এনিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ধারাবাহিক লেখালেখিও হয়।
কেশববাবু বলেন, মহকুমার বইপ্রেমী মানুষ, কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, প্রকাশক এবং সাংবাদিকদের সবার প্রচেষ্টাতেই মহকুমায় জেলা বইমেলা ফিরে আসছে শুনে ভালো লাগছে।
মহকুমা শাসক বলেন, জেলা বইমেলা ঘাটালে ফিরে এসেছে, এটা খুবই ভালো কথা। কিন্তু এবারের বইমেলাতে যেন বই বিক্রির পরিমাণ বাড়ে। তা নিয়ে সর্বস্তরের মানুষকে চেষ্টা চালাতে হবে।
পর্যায়ক্রমে এক একটি মহকুমায় জেলা বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। ২০২১ সালে জেলা বইমেলা ঘাটাল মহকুমার দাসপুর সবুজ সঙ্ঘের মাঠে হয়েছিল। যেহেতু এই জেলায় তিনটি মহকুমা, তাই ২০২২ এবং ২০২৩ সালে খড়্গপুর এবং মেদিনীপুরে সদর মহকুমায় জেলা বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়। এবার ২০২৪ সালে স্বাভাবিকভাবেই ঘাটাল মহকুমায় হওয়া কথা ছিল। কিন্তু ‘ঘাটাল বন্যাপ্রবণ এলাকা’ এই ইস্যু তুলে এবারের জেলা বইমেলা মেদিনীপুর শহরে করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। সেই খবর জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ঘাটাল মহকুমার বইপ্রেমী, কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক এবং প্রকাশকরা। তাঁরা এনিয়ে ধারাবাহিক আন্দোলনও করেন।
ঘাটাল আদালতের প্রবীণ আইনজীবী দেবপ্রসাদপাঠক বন্দ্যোপাধ্যায়, কবি কেশব মেট্যা বলেন, বইমেলা স্থানান্তরিত করার প্রতিবাদে আমরা এই মহকুমায় অন্দোলন শুরু করার পাশপাশি ঘাটাল মহকুমা প্রশাসনকে একটি স্মারকলিপি দিই। এনিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ধারাবাহিক লেখালেখিও হয়।
কেশববাবু বলেন, মহকুমার বইপ্রেমী মানুষ, কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, প্রকাশক এবং সাংবাদিকদের সবার প্রচেষ্টাতেই মহকুমায় জেলা বইমেলা ফিরে আসছে শুনে ভালো লাগছে।
মহকুমা শাসক বলেন, জেলা বইমেলা ঘাটালে ফিরে এসেছে, এটা খুবই ভালো কথা। কিন্তু এবারের বইমেলাতে যেন বই বিক্রির পরিমাণ বাড়ে। তা নিয়ে সর্বস্তরের মানুষকে চেষ্টা চালাতে হবে।



