সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল মহকুমায় চাহিদার তুলনায় নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প কম মিলছে। নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের অভাবের জন্যই স্বাভাবিকভাবে এই মহকুমায় স্ট্যাম্পের কালোবাজারিও শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ। এফিডেভিট, চুক্তিপত্র তৈরি, কাউকে অথরাইজ করা সহ নানা প্রয়োজনে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ব্যবহৃত হয়। স্ট্যাম্প না মেলায় সমস্যায় পড়েছেন আইনজীবীরা। এর জন্য ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষজনও। ঘাটাল মহকুমার ট্রেজারি অফিসার সুজিত ঘোষ বলেন, ‘ভেন্ডরদের দাবি মতো ট্রেজারি থেকে স্ট্যাম্প দেওয়া হচ্ছে। তাই এই মহকুমায় ১০ ও ২০ টাকা সহ অন্যান্য স্ট্যাম্পের অভাব থাকার কোনও কারণ নেই। কৃত্রিমভাবে কেউ সঙ্কট তৈরি করছে কি না, সেটা আমাদের পক্ষে বলা সম্ভব নয়।’
Advertisement
বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই ঘাটাল মহকুমায় নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের আকাল দেখা দিয়েছে। এফিডেভিটের জন্য স্ট্যাম্প পেপারের প্রয়োজন হয়। এছাড়াও কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের মাইগ্রেশনের জন্য ঘোষণাপত্র দিতে স্ট্যাম্প পেপার লাগে। র্যাগিং সংক্রান্ত ঘোষণার জন্যও পড়ুয়াদের স্ট্যাম্প পেপার প্রয়োজন হয়। এছাড়াও বাড়ি ভাড়ার চুক্তি সহ নানা ধরনের চুক্তিতে স্ট্যাম্প পেপার লাগে। লোন পেতে ব্যাঙ্কের সঙ্গে চুক্তি করতে হয়। তার জন্যও প্রয়োজন হয় নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের। ওই সমস্ত কারণ ছাড়াও বর্তমান দিনে নানান প্রয়োজনে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের প্রয়োজন হয়। ঘাটাল বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সমীরকুমার ঘোষ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই ঘাটাল মহকুমায় প্রয়োজন মতো ১০ টাকা এবং ২০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প পেপার পাওয়া যাচ্ছে না। সুযোগ বুঝে রমরমা বাড়ছে কালোবাজারিদের। চড়া দাম দিলে তবেই মিলছে স্ট্যাম্প।’ সমীরবাবুর অভিযোগের সঙ্গে মিল পাওয়া গেল ঘাটাল শহরের কুশপাতার বাসিন্দা মিহির সামন্তের অভিযোগের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ব্যাঙ্কের একটি কাজের জন্য আমাকে প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে ১০ টাকা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে এফিডেভিটের প্রয়োজন হয়েছিল। আমাকে অনেক বেশি দামে সেই স্ট্যাম্প পেপার কিনতে হয়েছে।’
তাই অনেককে ১০ ও ২০ টাকার স্ট্যাম্প ৬০ টাকায় বা ১০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। আইনজীবীরা জানান, ১০ বা ২০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প অত টাকায় না কিনে ৫০ কিংবা ১০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প দিয়েও কাজ চালানো যেতে পারে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে যত টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প পেপারে এফিডেভিট করার নির্দেশ দেওয়া থাকে, সাধারণ মানুষ সেই টাকারই স্ট্যাম্প পেপার ব্যবহার করতে চান। সেক্ষেত্রে কাজ মেটাতে বেশি টাকার স্ট্যাম্প কিনতে তাঁরা দ্বিধাবোধ করেন। মহকুমার ট্রেজারি অফিসার বলেন, ‘স্ট্যাম্প কালোবাজারে বিক্রি হওয়ার অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। যদি আসে আমরা তৎপরতার সঙ্গে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। হাতের সামনেই ট্রেজারি অফিস আমরা চাই সাধারণ মানুষ তাঁদের অভিযোগের কথা আমাদের সরাসরি জানান। লিখিত না দিয়ে কেউ যদি মৌখিকভাবেও ভেন্ডরের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান, আমরা অ্যাকশন নেব।’ এদিকে স্ট্যাম্প ভেন্ডররা জানিয়েছেন, ১০ টাকার স্ট্যাম্পের আকাল সবচাইতে বেশি। ট্রেজারি থেকে চাহিদামতো পাওয়া যায় না। ২০ টাকার স্ট্যাম্পও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তাই যতক্ষণ স্টক থাকে, ততক্ষণই তাঁরা প্রিন্ট মূল্যে বিক্রি করেন। কারও কাছ থেকে এক পয়সাও বেশি নেন না।
তাই অনেককে ১০ ও ২০ টাকার স্ট্যাম্প ৬০ টাকায় বা ১০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। আইনজীবীরা জানান, ১০ বা ২০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প অত টাকায় না কিনে ৫০ কিংবা ১০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প দিয়েও কাজ চালানো যেতে পারে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে যত টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প পেপারে এফিডেভিট করার নির্দেশ দেওয়া থাকে, সাধারণ মানুষ সেই টাকারই স্ট্যাম্প পেপার ব্যবহার করতে চান। সেক্ষেত্রে কাজ মেটাতে বেশি টাকার স্ট্যাম্প কিনতে তাঁরা দ্বিধাবোধ করেন। মহকুমার ট্রেজারি অফিসার বলেন, ‘স্ট্যাম্প কালোবাজারে বিক্রি হওয়ার অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। যদি আসে আমরা তৎপরতার সঙ্গে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। হাতের সামনেই ট্রেজারি অফিস আমরা চাই সাধারণ মানুষ তাঁদের অভিযোগের কথা আমাদের সরাসরি জানান। লিখিত না দিয়ে কেউ যদি মৌখিকভাবেও ভেন্ডরের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান, আমরা অ্যাকশন নেব।’ এদিকে স্ট্যাম্প ভেন্ডররা জানিয়েছেন, ১০ টাকার স্ট্যাম্পের আকাল সবচাইতে বেশি। ট্রেজারি থেকে চাহিদামতো পাওয়া যায় না। ২০ টাকার স্ট্যাম্পও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তাই যতক্ষণ স্টক থাকে, ততক্ষণই তাঁরা প্রিন্ট মূল্যে বিক্রি করেন। কারও কাছ থেকে এক পয়সাও বেশি নেন না।



