সংবাদদাতা, ঘাটাল: মঙ্গলবার সকালে ঘাটাল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে সদ্যোজাত এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ দেখান রোগীর পরিজনরা। অভিযোগ, চিকিৎসার গাফিলতির ফলেই ওই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিক্ষোভের খবর শুনেই ঘাটাল থানার পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিস জানিয়েছেন, মৃত শিশুর পরিবারের বাড়ি ঘাটাল থানার শিমুলিয়া গ্রামে। বিক্ষোভ দেখানো হলেও হাসপাতালে ভাঙচুরের কোনও ঘটনা ঘটেনি। হাসপাতালের সুপার মহেশ্বর মাণ্ডি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকালে একটি সদ্যোজাতের মৃত্যু হয়েছে। সত্যিই চিকিৎসার গাফিলতি ছিল কি না, বিষয়টি তাঁরা খতিয়ে দেখছেন।
Advertisement
প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি নিশা হাইত খান ঘাটাল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি হন। পরের দিন সকাল সাড়ে ৮টার সময় তাঁর একটি পুত্র সন্তান হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, জন্মানোর পর শিশুটির শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হতে তাকে হাসপাতালেরই বিশেষ কেয়ার ইউনিটে বেশ কয়েক ঘণ্টা রাখা হয়। নিশার স্বামী সুনীল খান জানান, আমার ছেলে সুস্থ হতে তাকে স্ত্রীর কাছে দিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে বেশ ভালোই ছিল।
নিশা বলেন, সোমবার রাত দুধ খাওয়ানোর সময় ফের একটু শরীর খারাপ হতে শুরু করে। নার্সদের বার বার জানানো সত্ত্বেও তাঁরা কোনও গুরুত্ব দেননি। ফলে আমরা খুব অসহায় বোধ করছিলাম। অনেক বলার পর ভোরের দিকে চিকিৎসককে দেখানো হয়। তখনই জানতে পারি আমার ছেলে মারা গিয়েছে।
এদিন সকালে সুনীলবাবুর স্ত্রী ও পুত্রকে ছুটি দিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। ছেলেকে হাসপাতাল থেকে আনতে যাওয়ার জন্য তিনি সোমবার রাত থেকেই তোড়জোড় করেছিলেন। কিন্তু সকালেই মৃত্যু সংবাদ পেয়ে ভেঙে পড়েন।
এদিন সকালে শিশু মৃত্যুর খবর পেয়ে শিমুলিয়া থেকে বেশ কয়েক জন হাসপাতালে এসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের সঙ্গে বিক্ষোভে শামিল হন অন্যান্য রোগীর পরিজনরাও। প্রত্যেকেই হাসপাতালের পরিষেবার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, ভর্তি থাকা রোগীদের কোনও সমস্যা হলে সময়মতো চিকিৎসক ও নার্সদের পাওয়া যায় না। সোমবার ভোররাতে যদি সঠিক সময়ে শিশুটির চিকিৎসা শুরু হতো তাহলে সুনীলবাবুকে এভাবে সন্তান হারাতে হতো না।
ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতর স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ ওই শিশু মৃত্যুর খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছন। তিনি বলেন. শিশুটি কয়েক দিন ধরেই অসুস্থ ছিল। তবুও মৃতের বাবা যখন চিকিৎসার বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন, আমরা ঘটনার সবিস্তারে তদন্ত করার জন্য হাসপাতালকে জানাব। সত্যিই চিকিৎসার গাফিলতি প্রমাণিত হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিশা বলেন, সোমবার রাত দুধ খাওয়ানোর সময় ফের একটু শরীর খারাপ হতে শুরু করে। নার্সদের বার বার জানানো সত্ত্বেও তাঁরা কোনও গুরুত্ব দেননি। ফলে আমরা খুব অসহায় বোধ করছিলাম। অনেক বলার পর ভোরের দিকে চিকিৎসককে দেখানো হয়। তখনই জানতে পারি আমার ছেলে মারা গিয়েছে।
এদিন সকালে সুনীলবাবুর স্ত্রী ও পুত্রকে ছুটি দিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। ছেলেকে হাসপাতাল থেকে আনতে যাওয়ার জন্য তিনি সোমবার রাত থেকেই তোড়জোড় করেছিলেন। কিন্তু সকালেই মৃত্যু সংবাদ পেয়ে ভেঙে পড়েন।
এদিন সকালে শিশু মৃত্যুর খবর পেয়ে শিমুলিয়া থেকে বেশ কয়েক জন হাসপাতালে এসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের সঙ্গে বিক্ষোভে শামিল হন অন্যান্য রোগীর পরিজনরাও। প্রত্যেকেই হাসপাতালের পরিষেবার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, ভর্তি থাকা রোগীদের কোনও সমস্যা হলে সময়মতো চিকিৎসক ও নার্সদের পাওয়া যায় না। সোমবার ভোররাতে যদি সঠিক সময়ে শিশুটির চিকিৎসা শুরু হতো তাহলে সুনীলবাবুকে এভাবে সন্তান হারাতে হতো না।
ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতর স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ ওই শিশু মৃত্যুর খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছন। তিনি বলেন. শিশুটি কয়েক দিন ধরেই অসুস্থ ছিল। তবুও মৃতের বাবা যখন চিকিৎসার বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন, আমরা ঘটনার সবিস্তারে তদন্ত করার জন্য হাসপাতালকে জানাব। সত্যিই চিকিৎসার গাফিলতি প্রমাণিত হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



