সংবাদদাতা, ঘাটাল: সাড়ে তিন বছরের ছেলেকে নিয়ে স্ত্রী বেপাত্তা। স্ত্রী। তাঁকে বাড়ি ফেরাতে ১১ বছরের কন্যাকে নিয়ে গ্রামে গ্রামে হন্যে হয়ে ঘুরছেন এক যুবক। সাত দিন কেটে গেলেও স্ত্রী ও ছেলের খোঁজ পাননি। ফলে এখন দিশাহারা অবস্থা ঘাটাল থানার খড়ার এলাকার সিংহপুরের রবি মালিকের। পুলিস জানিয়েছে, নিখোঁজ গৃহবধূর নাম সান্ত্বনা মালিক। এনিয়ে গৃহবধূর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। প্রেমঘটিত কারণেই রবিবাবুর স্ত্রী চলে গিয়েছেন বলে পুলিসের প্রাথমিক অনুমান।
Advertisement
রবিবাবু পেশায় রাজমিস্ত্রি। বছর ১৪ আগে তাঁদের বিয়ে হয়। বর্তমানে তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। রবিবাবু বলেন, আমাদের বেশ সুখেরই সংসার চলছিল। গত ২২ ফেব্রুয়ারি আমি কাজে গিয়েছিলাম। মেয়ে টিউশনি পড়তে গিয়েছিল। সেই সুযোগেই সকাল ৯টা নাগাদ বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছে। ‘ভালো জামাই’ হিসেবে শ্বশুরবাড়িতে রবিবাবুর সুনাম রয়েছে। তাই মেয়ে বেপাত্তা হয়ে যাওয়ার জন্য রবিবাবুর শ্বশুর মাধব ঘোড়ই এবং শাশুড়ি গঙ্গা ঘোড়ই তাঁদের মেয়েকেই দুষছেন। তাঁরা বলেন, আজকালের যুগে এই রকম যুবক পাওয়া মুশকিল। সব সময় কাজ নিয়েই থাকে। কোনও বাজে সঙ্গে মেশে না। একই মন্তব্য করেন সান্ত্বনাদেবীর বোন মৌসুমি ছাতিক। তিনি বলেন, ওদের দু’জনের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিল। আমার দিদি বিয়ের পর বাপেরবাড়ি বা কোনও আত্মীয় বাড়িতে এক রাতও কাটায়নি। সেই দিদি পালিয়ে গিয়েছে শুনে খুব অবাক হয়েছি। আবার দিদির প্রতি রাগ ধরছে।
রবিবাবু স্ত্রীর আবদার মেটাতে কয়েক মাস আগেই কষ্ট করে একটা ‘বড়’ মোবাইল ফোন কিনে দিয়েছিলেন। তারপর থেকেই অধিকাংশ সময় ফোনেই মগ্ন থাকত সান্ত্বনাদেবী। কিন্তু, কোনও যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না রবিবাবু। তিনি বার বার দাবি করছেন, কোনও কারণে তাঁর ব্যবহারে স্ত্রী আঘাত পেয়ে অভিমানে বাড়ি থেকে চলে গিয়েছে। একদিন ঠিক ফিরে আসবে। তবে পুলিসের অনুমান, প্রণয়ঘটিত কারণেই সান্ত্বনাদেবী ঘর ছেড়েছেন। অভিমানে বাড়ি ছাড়লে কোনও না কোনও আত্মীয়র বাড়িতে উঠতেন। তা না হলে বাড়ি থেকে মাত্র ২০০ টাকা নিয়ে বাইরে একা সাত দিন কাটানো অসম্ভব।
রবিবাবু স্ত্রীর আবদার মেটাতে কয়েক মাস আগেই কষ্ট করে একটা ‘বড়’ মোবাইল ফোন কিনে দিয়েছিলেন। তারপর থেকেই অধিকাংশ সময় ফোনেই মগ্ন থাকত সান্ত্বনাদেবী। কিন্তু, কোনও যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না রবিবাবু। তিনি বার বার দাবি করছেন, কোনও কারণে তাঁর ব্যবহারে স্ত্রী আঘাত পেয়ে অভিমানে বাড়ি থেকে চলে গিয়েছে। একদিন ঠিক ফিরে আসবে। তবে পুলিসের অনুমান, প্রণয়ঘটিত কারণেই সান্ত্বনাদেবী ঘর ছেড়েছেন। অভিমানে বাড়ি ছাড়লে কোনও না কোনও আত্মীয়র বাড়িতে উঠতেন। তা না হলে বাড়ি থেকে মাত্র ২০০ টাকা নিয়ে বাইরে একা সাত দিন কাটানো অসম্ভব।



