সংবাদদাতা, ঘাটাল: বিদ্যুতের হাইটেনশন লাইনের পাশেই দেদার চলছে বাড়ি নির্মাণ। যার ফলে বিপদের মুখে পড়ছে বহু পরিবার। বিদ্যুৎ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা বিদ্যুতের তার ঘেঁষে বাড়ি নির্মাণের বিষয়ে বারবার আপত্তি জানান। কিন্তু তাঁদের আপত্তিকে উপেক্ষা করেই ঘাটাল মহকুমার গ্রাম ও শহর এলাকায় একের পর এক বাড়ি তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন বিদ্যুৎ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা। ঘাটাল ডিভিশনের এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, পুরসভা এবং গ্রাম পঞ্চায়েত বাড়ির প্ল্যান অনুমোদন করে। তাদের উদাসীনতার জন্যই বিদ্যুতের লাইন ঘেঁষে বাড়ি তৈরি হচ্ছে। এর ফলে প্রত্যেক বছর দুর্ঘটনায় কয়েকজন করে মারা যাচ্ছেন। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জখম হচ্ছেন অনেকেই। এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন দাসপুরের বিধায়ক মমতা ভুঁইয়া। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরাও উদ্বিগ্ন। এক বছরের মধ্যে আমার এলাকাতেই কয়েকজনের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে। যখন বাড়ি তৈরির প্ল্যান অনুমোদন হবে তখন দু’মিটারের মধ্যে কোনও বিদ্যুতের তার গিয়েছে কি না তা দেখে নেওয়ার জন্য গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়কদের কঠোরভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন নিগমের নিয়ম অনুযায়ী, হাইটেনশন লাইনের অন্তত দু’মিটারের মধ্যে কোনও নির্মাণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তা সত্ত্বেও এই মহকুমার শহর ও গ্রামের বহু মানুষ নিয়ম ভেঙে বিপজ্জনকভাবে বাড়ি নির্মাণ করছেন। বিদ্যুতের তার থেকে মাত্র এক বা দেড় ফুট দূরত্বে বাড়ির দোতলা বা তিনতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ চলছে। নির্মাণের সময় বিদ্যুতের তারকে সরানোর জন্য কোনও নিরাপত্তা ব্যবস্থা না নিয়েই বাঁশ দিয়ে ঠেলে রাখা হয়। এতে শুধু নিয়মের লঙ্ঘন নয়, দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বহুগুণে বেড়ে যাচ্ছে।
বিদ্যুৎ দপ্তরের অন্য এক ইঞ্জিনিয়ার জানান, বাড়ি থেকে এক-দেড় ফুট দূর দিয়ে বিদ্যুতের লাইন যাওয়ার দৃশ্য হামেশাই চোখে পড়ে। দাসপুর থানার মাগুরিয়ায় এক পরিবার ৪৪০ ভোল্টের চারটি তারকে দোতলার ঘরের মধ্যে রেখেই তার চার দিকে বাড়ি নির্মাণ করেছিল। বিদ্যুৎ দপ্তর জানতে পেরে সেই তার সরানোর ব্যবস্থা করে।
বিদ্যুৎ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারদের মতে, এই ধরনের নির্মাণের ফলে নির্মাণকর্মী ও বাসিন্দাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। নির্মাণ চলাকালীন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অনেকেই গুরুতর জখম হচ্ছেন। এমনকী, নির্মাণ শেষ হওয়ার পরও সমস্যার শেষ নেই। বাড়ির ছাদে ঘুরতে যাওয়া বা জামাকাপড় মেলতে গিয়েও অনেক সময় মানুষ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।
বিদ্যুৎ দপ্তর এই বিষয়ে বারবার চিঠি দিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিকে সতর্ক করেছে। হাইটেনশন লাইনের কাছে নির্মাণ বন্ধ করতে এবং বিদ্যুতের তারের সুরক্ষার বিষয়ে নিয়ম মানার জন্য দপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও নিয়ম ভাঙার প্রবণতা কমেনি। বিদ্যুৎ দপ্তরের ওই ইঞ্জিনিয়ার বলেন, আমাদের দপ্তর শুধু সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে। বাড়ি নির্মাণের অনুমোদনের সময় দূরত্বের নিয়মগুলি দেখার দায়িত্ব গ্রাম পঞ্চায়েত বা পুরসভার। কিন্তু তারা বিষয়টিকে গুরুত্ব না দেওয়ায় এই বিপদের মুখে পড়ছে সাধারণ মানুষ।
ইঞ্জিনিয়ারদের পরামর্শ, যদি বাড়ি তৈরির প্ল্যান অনুমোদনের সময় গ্রাম পঞ্চায়েত বা পুরসভাগুলি হাইটেনশন লাইনের দূরত্ব নির্ধারণ করে এবং তা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করে তাহলে অনেক দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো। কিন্তু বাস্তবে এই বিষয়টি প্রায়শই এড়িয়ে যাওয়া হয়।
বিদ্যুৎ দপ্তরের অন্য এক ইঞ্জিনিয়ার জানান, বাড়ি থেকে এক-দেড় ফুট দূর দিয়ে বিদ্যুতের লাইন যাওয়ার দৃশ্য হামেশাই চোখে পড়ে। দাসপুর থানার মাগুরিয়ায় এক পরিবার ৪৪০ ভোল্টের চারটি তারকে দোতলার ঘরের মধ্যে রেখেই তার চার দিকে বাড়ি নির্মাণ করেছিল। বিদ্যুৎ দপ্তর জানতে পেরে সেই তার সরানোর ব্যবস্থা করে।
বিদ্যুৎ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারদের মতে, এই ধরনের নির্মাণের ফলে নির্মাণকর্মী ও বাসিন্দাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। নির্মাণ চলাকালীন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অনেকেই গুরুতর জখম হচ্ছেন। এমনকী, নির্মাণ শেষ হওয়ার পরও সমস্যার শেষ নেই। বাড়ির ছাদে ঘুরতে যাওয়া বা জামাকাপড় মেলতে গিয়েও অনেক সময় মানুষ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।
বিদ্যুৎ দপ্তর এই বিষয়ে বারবার চিঠি দিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিকে সতর্ক করেছে। হাইটেনশন লাইনের কাছে নির্মাণ বন্ধ করতে এবং বিদ্যুতের তারের সুরক্ষার বিষয়ে নিয়ম মানার জন্য দপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও নিয়ম ভাঙার প্রবণতা কমেনি। বিদ্যুৎ দপ্তরের ওই ইঞ্জিনিয়ার বলেন, আমাদের দপ্তর শুধু সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে। বাড়ি নির্মাণের অনুমোদনের সময় দূরত্বের নিয়মগুলি দেখার দায়িত্ব গ্রাম পঞ্চায়েত বা পুরসভার। কিন্তু তারা বিষয়টিকে গুরুত্ব না দেওয়ায় এই বিপদের মুখে পড়ছে সাধারণ মানুষ।
ইঞ্জিনিয়ারদের পরামর্শ, যদি বাড়ি তৈরির প্ল্যান অনুমোদনের সময় গ্রাম পঞ্চায়েত বা পুরসভাগুলি হাইটেনশন লাইনের দূরত্ব নির্ধারণ করে এবং তা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করে তাহলে অনেক দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো। কিন্তু বাস্তবে এই বিষয়টি প্রায়শই এড়িয়ে যাওয়া হয়।



